লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃ
লক্ষ্মীপুরে ছেলের সামনেই গাড়ির ধাক্কায় লেদু মিয়া (৫৫) নামের এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এ সময় হোসেন বয়াতি ও মেসির আহমেদ নামের আরও দুজন আহত হন। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার দালালবাজার এলাকায় লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লেদু মিয়া লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার হিরা গাজী বাড়ির সফিক উল্যার ছেলে।
নিহতের স্ত্রী রুনা বেগম জানান ,তার স্বামী লেদু মিয়াসহ ছেলে ইসমাইলকে নিয়ে ফজরের নামাজ শেষে হাটতে বের হয়েছিলেন।ঘটনার সময় একটি ট্রেনিংকার পেছন থেকে তাদের ধাক্কা দেন। এতে হোসেন বয়াতি ও মেসির আহমেদ রাস্তার পাশে পড়ে যান। ট্রেনিংকারের ধাক্কায় লেদু মিয়া পাশের জঙ্গলে গিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মোশাররফ হোসেন ও ইসমাইল হোসেন জানান,তিনি মনে করেছি প্রথমে অন্য কেউ। পরে দেখে যে তার বাবা। পরে দেখে তার বাবাকে মেরে গাড়িটাও চলে গেছে। চোখের সামনে তার বাবার প্রাণ হানি প্রতি মুহুর্তে যন্ত্রণা দিচ্ছে বলে জানায় সে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়৷ মরদেহ মর্গে আছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি মোসলে উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি কেউ তাকে জানায়নি। খোঁজ নেওয়া নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
গাড়ির ধাক্কায় এক বৃদ্ধের প্রাণহানী
গাড়ির ধাক্কায় এক বৃদ্ধের প্রাণহানী
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ঃলক্ষ্মীপুরে ছেলের সামনেই গাড়ির ধাক্কায় লেদু মিয়া (৫৫) নামের এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এ সময় হোসেন বয়াতি ও মেসির আহমেদ নামের আরও দুজন আহত হন। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার দালালবাজার এলাকায় লক্ষ্মীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লেদু মিয়া লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার হিরা গাজী বাড়ির সফিক উল্যার ছেলে।নিহতের স্ত্রী রুনা বেগম জানান ,তার
স্বামী লেদু মিয়াসহ ছেলে ইসমাইলকে নিয়ে ফজরের নামাজ শেষে হাটতে বের হয়েছিলেন।ঘটনার সময় একটি ট্রেনিংকার পেছন থেকে তাদের ধাক্কা দেন। এতে হোসেন বয়াতি ও মেসির আহমেদ রাস্তার পাশে পড়ে যান। ট্রেনিংকারের ধাক্কায় লেদু মিয়া পাশের জঙ্গলে গিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।প্রত্যক্ষদর্শী মোশাররফ হোসেন ও ইসমাইল হোসেন জানান,তিনি মনে করেছি প্রথমে অন্য কেউ।
পরে দেখে যে তার বাবা। পরে দেখে তার বাবাকে মেরে গাড়িটাও চলে গেছে। চোখের সামনে তার বাবার প্রাণ হানি প্রতি মুহুর্তে যন্ত্রণা দিচ্ছে বলে জানায় সে। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়৷ মরদেহ মর্গে আছে।লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি মোসলে উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি কেউ তাকে জানায়নি। খোঁজ নেওয়া নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত