মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ আল আমিন (৩২) নামের এক প্রাইভেটকার চালককে আটক করেছে ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় কৌশলে পালিয়ে যায় আরো দুই মাদক ব্যবসায়ী।
আটককৃত আল আমিন চর বাউশিয়া মধ্যম কান্দি (গুচ্ছগ্রাম) এলাকার শহিদুল্লাহর ছেলে। পলাতক দু’জন হলেন একই এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে মুন্না (৩৪) এবং স্বপন (৩৫)।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে একটি প্রাইভেটকার সন্দেহজনকভাবে চলাচলের সময় হাইওয়ে পুলিশ সেটিকে থামানোর সংকেত দেয়। কিন্তু প্রাইভেটকারটি সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলে ধাওয়া করে সেটিকে আটক করা হয়। এ সময় চালক আল-আমিনকে আটক করা গেলেও গাড়িতে থাকা অপর দু’জন মুন্না ও স্বপন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গাড়িটি তল্লাশি করে এক হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
তবে স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আল আমিনকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রামের ঘরে থাকি। রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই দুজন আমার স্বামীকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। আমার তিনটি ছোট ছোট শিশু সন্তান রয়েছে।’
এ বিষয়ে গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মহাসড়কে আমাদের এই টহল কার্যক্রম। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’
সোমবার (৯ মার্চ) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় কৌশলে পালিয়ে যায় আরো দুই মাদক ব্যবসায়ী।
আটককৃত আল আমিন চর বাউশিয়া মধ্যম কান্দি (গুচ্ছগ্রাম) এলাকার শহিদুল্লাহর ছেলে। পলাতক দু’জন হলেন একই এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে মুন্না (৩৪) এবং স্বপন (৩৫)।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে একটি প্রাইভেটকার সন্দেহজনকভাবে চলাচলের সময় হাইওয়ে পুলিশ সেটিকে থামানোর সংকেত দেয়। কিন্তু প্রাইভেটকারটি সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলে ধাওয়া করে সেটিকে আটক করা হয়। এ সময় চালক আল-আমিনকে আটক করা গেলেও গাড়িতে থাকা অপর দু’জন মুন্না ও স্বপন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গাড়িটি তল্লাশি করে এক হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
তবে স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আল আমিনকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, সরকারের দেওয়া গুচ্ছগ্রামের ঘরে থাকি। রাতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই দুজন আমার স্বামীকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। আমার তিনটি ছোট ছোট শিশু সন্তান রয়েছে।’
এ বিষয়ে গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো.শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মহাসড়কে আমাদের এই টহল কার্যক্রম। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।’