মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় প্রতিহিংসার জেরে এক গৃহিণীর হাঁসের খামারে বিষ প্রয়োগ করে ৫৪টি হাঁস মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিক হরুন নেছা করুনা (৫০)।
গজারিয়া থানার লিখিত অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে তার হাঁসের খামারে প্রবেশ করে কীটনাশক ছিটিয়ে দেন। এতে একরাতের মধ্যে ৫৪টি হাঁস মারা যায়।
হরুন নেছা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গজারিয়ার ভবেরচর ইউনিয়নের পৈক্ষারপাড় এলাকায় হাঁস ও গরুর খামার পরিচালনা করে আসছেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে হাঁসের খাবার দিয়ে বাড়ি ফেরার পর ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে খামারে গিয়ে তিনি হাঁসগুলোর মৃতদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় তিনি গজারিয়া থানায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পত্রে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তারা বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ রিগ্যান মোল্লা বলেন প্রাথমিক ভাবে ধরণা করা হচ্ছে বিষক্রিয়ার হাঁসগুলোর প্রাণনাশ হয়েছে। তবে পোস্ট মডেম ও ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য হাঁসগুলোকে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রাণী সম্পদ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
ভুক্তভোগীর আশঙ্কা, যেকোনো সময় বিবাদীরা তার ও পরিবারের সদস্যদের জান-মালের ক্ষতি করতে পারে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) আনোয়ার আলম আজাদ বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি প্রাণী সম্পদ বিভাগের ফরেনসিক পরীক্ষা করার পর তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
গজারিয়া থানার লিখিত অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে তার হাঁসের খামারে প্রবেশ করে কীটনাশক ছিটিয়ে দেন। এতে একরাতের মধ্যে ৫৪টি হাঁস মারা যায়।
হরুন নেছা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে গজারিয়ার ভবেরচর ইউনিয়নের পৈক্ষারপাড় এলাকায় হাঁস ও গরুর খামার পরিচালনা করে আসছেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে হাঁসের খাবার দিয়ে বাড়ি ফেরার পর ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে খামারে গিয়ে তিনি হাঁসগুলোর মৃতদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় তিনি গজারিয়া থানায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পত্রে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তারা বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ রিগ্যান মোল্লা বলেন প্রাথমিক ভাবে ধরণা করা হচ্ছে বিষক্রিয়ার হাঁসগুলোর প্রাণনাশ হয়েছে। তবে পোস্ট মডেম ও ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য হাঁসগুলোকে ঢাকায় কেন্দ্রীয় প্রাণী সম্পদ হাসপাতালে পাঠানো হবে।
ভুক্তভোগীর আশঙ্কা, যেকোনো সময় বিবাদীরা তার ও পরিবারের সদস্যদের জান-মালের ক্ষতি করতে পারে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) আনোয়ার আলম আজাদ বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি প্রাণী সম্পদ বিভাগের ফরেনসিক পরীক্ষা করার পর তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।