গজারিয়া প্রতিনিধি:
গজারিয়ায় মেঘনা নদীর সীমানাবর্তী ফুলদী নদীর চর সাহেবানী, মাথাভাঙ্গা, রসুলপুর এবং ইমামপুর মৌজার এলাকা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীর তীরে রসুলপুর এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ১টি কমার্শিয়াল বিল্ডিং ভাড়ায় চালিত দোতলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর অফিস সহ প্রায় ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
গত (৭ ফেব্রুয়ারী) বুধবার সকালে ১০ টা থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় অভিযান শেষ হয়। অভিযানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র মেঘনাঘাট নদীবন্দরের উপ-পরিচালক শরীফুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
রসুলপুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু"র একটি কমার্শিয়াল বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হয়।
এসময় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু বিআইডব্লিউটিএ’র কর্তৃপক্ষ সিএস রেকর্ড এবং যৌথ জরিপে তারা তাদের অভিযান পরিচালনা করছে তাই আমি নিজে কর্তৃপক্ষ কে অভিযান কাজে সহায়তা করছি।
রসুলপুর বাজারে নিজ দায়িত্বে ছোট ছোট অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাম্মৎ তাসলিমা আক্তার বলেন, আমরা শুধু মেঘনা নদী নয় সমস্ত নদীর চারপাশে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো উচ্ছেদ করছি। আজকে আমাদের অভিযান সকাল থেকে এই পর্যন্ত প্রায় বিশ টির অধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এবং বিকাল পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে আগামী সপ্তাহে আমরা এখানে আসব আর প্রতিদিনই আমাদের কোথাও না কোথাও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে থাকি।
তিনি আরো বলেন পৈত্রিক সম্পত্তি হলে তাদের রেকর্ডের নাম থাকতো। আমরা এখানে সিএস রেকর্ড অনুযায়ী যৌথ জরিপের মাধ্যমে আমাদের নদীর সেই সীমানার পিলার অনেক আগেই এখানে স্থাপনা করে গিয়েছি। এবং একাধিক বার তাদেরকে বলা হয়েছে এখানে অবৈধ স্থাপনা তৈরি না করার জন্য। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি দখলদাররা আইন অমান্য করে এই কাজটা করে থাকে। এখানেও বলা হয়েছে যার কারণে নিজ উদ্যোগে কিছু কিছু দোকানপাট তারা সরিয়ে নিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের অভিযান সিএস রেকর্ড অনুযায়ী হচ্ছে সিএস রেকর্ড এর উপরে আর কোন রেকর্ড নেই। সিএস রেকর্ডে সবসময় লেখা আছে এটা নদীর জমি।
তিনি আরো বলেন রাজনৈতিক ছত্রছায়া বলতে আমরা সবসময় অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকি তিনি যত শক্তিশালী হোক না কেন আমাদের অভিযান চলবে এবং অব্যাহত থাকবে। এবং আমি মনে করি প্রত্যেকের উচিত এগিয়ে আসা সরকারি কাজে সাহায্য করতে। তবেই আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই নদীর যে প্রবাহমান গতির দ্বারা সেটা অব্যাহত রাখা।
গজারিয়ায় নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযানে ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
গজারিয়ায় নদীর তীরে উচ্ছেদ অভিযানে ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
গজারিয়া প্রতিনিধি: গজারিয়ায় মেঘনা নদীর সীমানাবর্তী ফুলদী নদীর চর সাহেবানী, মাথাভাঙ্গা, রসুলপুর এবং ইমামপুর মৌজার এলাকা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া নদীর তীরে রসুলপুর এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ১টি কমার্শিয়াল বিল্ডিং ভাড়ায় চালিত দোতলায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর অফিস সহ প্রায় ২৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গত (৭ ফেব্রুয়ারী) বুধবার সকালে ১০ টা থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাছলিমা আক্তারের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় অভিযান শেষ হয়। অভিযানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র মেঘনাঘাট নদীবন্দরের উপ-পরিচালক শরীফুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।রসুলপুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সময় ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুজ্জামান খাঁন জিতু"র একটি কমার্শিয়াল বিল্ডিং উচ্ছেদ করা হয়। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু বিআইডব্লিউটিএ’র কর্তৃপক্ষ সিএস রেকর্ড এবং যৌথ জরিপে তারা তাদের অভিযান পরিচালনা করছে
তাই আমি নিজে কর্তৃপক্ষ কে অভিযান কাজে সহায়তা করছি।রসুলপুর বাজারে নিজ দায়িত্বে ছোট ছোট অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাম্মৎ তাসলিমা আক্তার বলেন, আমরা শুধু মেঘনা নদী নয় সমস্ত নদীর চারপাশে যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো উচ্ছেদ করছি। আজকে আমাদের অভিযান সকাল থেকে এই পর্যন্ত প্রায় বিশ টির অধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এবং বিকাল পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে আগামী সপ্তাহে আমরা এখানে আসব আর প্রতিদিনই আমাদের কোথাও না কোথাও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে থাকি। তিনি আরো বলেন পৈত্রিক সম্পত্তি হলে তাদের রেকর্ডের নাম থাকতো। আমরা এখানে সিএস রেকর্ড অনুযায়ী যৌথ জরিপের মাধ্যমে আমাদের নদীর সেই সীমানার পিলার অনেক আগেই এখানে স্থাপনা করে গিয়েছি। এবং একাধিক বার তাদেরকে বলা
হয়েছে এখানে অবৈধ স্থাপনা তৈরি না করার জন্য। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি দখলদাররা আইন অমান্য করে এই কাজটা করে থাকে। এখানেও বলা হয়েছে যার কারণে নিজ উদ্যোগে কিছু কিছু দোকানপাট তারা সরিয়ে নিয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের অভিযান সিএস রেকর্ড অনুযায়ী হচ্ছে সিএস রেকর্ড এর উপরে আর কোন রেকর্ড নেই। সিএস রেকর্ডে সবসময় লেখা আছে এটা নদীর জমি। তিনি আরো বলেন রাজনৈতিক ছত্রছায়া বলতে আমরা সবসময় অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে থাকি তিনি যত শক্তিশালী হোক না কেন আমাদের অভিযান চলবে এবং অব্যাহত থাকবে। এবং আমি মনে করি প্রত্যেকের উচিত এগিয়ে আসা সরকারি কাজে সাহায্য করতে। তবেই আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে এই নদীর যে প্রবাহমান গতির দ্বারা সেটা অব্যাহত রাখা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত