শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর গজারিয়ায় যুব সমাজকে নামাজের প্রতি উৎসাহিত করার প্রত্যয়ে ব‍্যতিক্রমী উদ্যোগ

গজারিয়ায় যুব সমাজকে নামাজের প্রতি উৎসাহিত করার প্রত্যয়ে ব‍্যতিক্রমী উদ্যোগ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর মধ্যপাড়া দারুস সালাম জামে মসজিদ কমিটি ও পেশ ইমামের উদ্যোগে যুব সমাজ কে নামাজের প্রতি উৎসাহিত করতে এক ব্যতিক্রমী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। একটানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে গত ১৬ মার্চ ২০২৬, সোমবার দিবাগত রাতে (২৬ রমজান, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে) বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

পবিত্র কুরআন মাজিদে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, "নিশ্চয় সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরয করা হয়েছে" (সূরা নিসা, আয়াত: ১০৩)।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায় তরুণ প্রজন্মের মাঝে নামাজের গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতেই এই আধ্যাত্মিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

এসময় লক্ষীপুর মধ্যপাড়া দারুস সালাম জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী দেওয়ান তার বক্তব্যে বলেন, "আজকের তরুণরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের নৈতিক চরিত্র গঠন এবং মসজিদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা চাই আমাদের গ্রামের প্রতিটি যুবক যেন ইসলামের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে অভ্যস্ত হয়। ইনশাআল্লাহ, আমাদের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।"

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভবেরচর ওয়াজীর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল হাছান। তিনি এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, "লক্ষ্মীপুর মধ্যপাড়া মসজিদের এই উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও অনুকরণীয়। এই চমৎকার কার্যক্রম দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ভবেরচর এলাকার অন্যান্য মসজিদগুলোও যদি এমন উদ্যোগ নেয়, তবে আমাদের পুরো সমাজ ব্যবস্থায় এক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এটি কিশোরদের বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে।"

পুরস্কার বিতরণী এই অনুষ্ঠানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. বাচ্চু মিয়া প্রধান, কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভবেরচর ইউপি সদস্য মো. আশ্রাফ আলী দেওয়ান, গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুলের শিক্ষক মো. শরিফ হোসেন সহ এলাকার সাধারণ মুসল্লিগণ।

লাইলাতুল কদরের এই বরকতময় রাতে বিজয়ীদের হাতে আকর্ষণীয় উপহার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। এলাকার সুধীজনরা মনে করছেন, এমন প্রতিযোগিতার ফলে মসজিদের কাতারগুলোতে মুসল্লিদের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি যুবসমাজের মাঝে ধর্মীয় শৃঙ্খলাও ফিরে আসছে।

খুঁজুন