গজারিয়া প্রতিনিধি :
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বৈদ্যারগাও গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকাকে অনশনে দেখা গেছে। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এ রিপোর্ট লেখার সময় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন প্রেমিকা।
এর আগে সোমবার রাত ৯টা থেকে গজারিয়া উপজেলার বৈদ্যারগাও গ্রামের দক্ষিণপাড়া প্রেমিক নাঈম এর বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই প্রেমিকা।
জানা যায়, ছয় মাস পূর্বে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় নাঈমের সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। ইতোমধ্যে বিয়ের প্রলোবন দেখিয়ে ঢাকার একটি হোটেলে শারীরিক সম্পর্ক করে একাধিকবার হয় বলে দাবি করেন প্রেমিকা।
নাঈম ছুটিতে এসে প্রেমিকাকে জানায় আমার পরিবার আমাকে অন্যত্র বিয়ে দেবে, তোমাকে আমি বিয়ে করতে পারব না। এই সংবাদ শুনে প্রেমিকা ঢাকা হতে গজারিয়ায় চলে আসে। কিন্তু সম্পর্কের বিষয়টি নাঈমের পরিবার মেনে না নেওয়ায় অনশন শুরু করেছেন প্রেমিকা। এদিকে প্রেমিকা আসার পর নাঈম বাড়ি থেকে পালিয়েছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা নাঈমের পরিবারের সাথে।
জন প্রতিনিধি আল আমিন জানান সোমবার দিন থানা থেকে আমাকে ফোনে জানানো হয় উক্ত বিষয়টি এবং ভুক্তভোগী নিজেও আমার সাথে ফোনে কথা বলে প্রেমিক নাঈমের স্থায়ী ঠিকানা অবগত হন এবং রাত আটটার দিকে আমার বাড়িতে এসে উপস্থিত হন নাঈমের প্রেমিকা। রাতে নাঈমকে ডেকে সম্পর্কের বিষয়টি অবগত করলে নাঈম অপকটে শিকার করে সম্পর্কের কথা।
নাঈম বৈদ্যারগাও গ্রামের শফিউদ্দিন সরকারের ছেলে বলে জানা গেছে। সে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে কর্মরত। ছুটিতে এসে বাড়িতে অবস্থান করছে বলে জানায় নাঈম।
টেঙ্গারচর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজি বলেন ছেলের বাড়িতে আছে মেয়েটি। সমঝোতা না হলে আইনের আশ্রয় নিতে পারবে মেয়ে।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব খান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন
গজারিয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন
গজারিয়া প্রতিনিধি :মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বৈদ্যারগাও গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকাকে অনশনে দেখা গেছে। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এ রিপোর্ট লেখার সময় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন প্রেমিকা।এর আগে সোমবার রাত ৯টা থেকে গজারিয়া উপজেলার বৈদ্যারগাও গ্রামের দক্ষিণপাড়া প্রেমিক নাঈম এর বাড়িতে অনশন শুরু করেন ওই প্রেমিকা।জানা যায়, ছয় মাস পূর্বে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় নাঈমের সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। ইতোমধ্যে বিয়ের প্রলোবন দেখিয়ে ঢাকার একটি হোটেলে শারীরিক সম্পর্ক করে একাধিকবার হয় বলে দাবি করেন প্রেমিকা।নাঈম ছুটিতে এসে প্রেমিকাকে জানায় আমার পরিবার আমাকে অন্যত্র বিয়ে
দেবে, তোমাকে আমি বিয়ে করতে পারব না। এই সংবাদ শুনে প্রেমিকা ঢাকা হতে গজারিয়ায় চলে আসে। কিন্তু সম্পর্কের বিষয়টি নাঈমের পরিবার মেনে না নেওয়ায় অনশন শুরু করেছেন প্রেমিকা। এদিকে প্রেমিকা আসার পর নাঈম বাড়ি থেকে পালিয়েছেন।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তারা নাঈমের পরিবারের সাথে।জন প্রতিনিধি আল আমিন জানান সোমবার দিন থানা থেকে আমাকে ফোনে জানানো হয় উক্ত বিষয়টি এবং ভুক্তভোগী নিজেও আমার সাথে ফোনে কথা বলে প্রেমিক নাঈমের স্থায়ী ঠিকানা অবগত হন এবং রাত আটটার দিকে আমার বাড়িতে এসে উপস্থিত
হন নাঈমের প্রেমিকা। রাতে নাঈমকে ডেকে সম্পর্কের বিষয়টি অবগত করলে নাঈম অপকটে শিকার করে সম্পর্কের কথা। নাঈম বৈদ্যারগাও গ্রামের শফিউদ্দিন সরকারের ছেলে বলে জানা গেছে। সে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে কর্মরত। ছুটিতে এসে বাড়িতে অবস্থান করছে বলে জানায় নাঈম। টেঙ্গারচর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজি বলেন ছেলের বাড়িতে আছে মেয়েটি। সমঝোতা না হলে আইনের আশ্রয় নিতে পারবে মেয়ে।গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব খান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত