দেশের অন্যতম প্রধান গরু পালনের এলাকা পাবনার বেড়া-সাঁথিয়া উপজেলায় গো-খাদ্যের দাম পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। গো-খাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে দুই উপজেলার সব গরু পালনকারীই এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গো-খাদ্যের দাম নাগালের বাইরে গেলেও দুধের দাম বাড়েনি। এর ওপর অগ্নিমূল্যের গোখাদ্যে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভেজাল দেওয়ার পাশাপাশি ওজনেও কম দিচ্ছেন। এ অবস্থায় দিশেহারা খামারিরা বাধ্য হয়ে গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।
খামারি ও গোখাদ্য ব্যবসায়ীরা জানান, দিন দশেকের ব্যবধানে ৪০ টাকা কেজি দরের গম ও অ্যাংকর ডালের ভুসি ৫৭ টাকা, ৪৫ টাকা কজি দরের খেসারির ভুসি ৫৫ টাকা, ৩৪ টাকা কেজি দরের মশুরির ভুসি ৪২ টাকা, ১১ টাকা কেজি দরের ধানের গুড়া ১৫ টাকা হয়ে গেছে। গরু পালনকারীরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন মূল গোখাদ্য খড় কিনতে গিয়ে। কয়েকদিন আগেও ৩৫০ টাকা মণ দরে খড় বিক্রি হতো। এখন সেই খড়ের দাম হয়েছে ৫০০ টাকা। তা-ও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না।
খামারিরা অভিযোগ করে জানান, প্রতি বস্তায় ৩৭ কেজি করে ভুসি থাকার কথা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা দুই থেকে তিন কেজি করে ভুসি কম দিচ্ছে। এসব ব্যবসায়ী বস্তা থেকে দুই থেকে তিন কেজি ভুসি বের করে তা নতুন করে সেলাই করে দেন। আবার কোনো কোনো ব্যবসায়ী ওজন সঠিক দেখানোর জন্য বের করে নেওয়া ভুসির পরিবর্তে তুষ, পচা আটা, ধানের গুড়াসহ বিভিন্ন ধরনের ভেজাল মিশিয়ে দিয়ে থাকেন। খামারিরা বস্তাগুলোতে নিখুঁত সেলাই ও লেবেল দেখে তা ভালো ভুসি মনে করে কিনে নিয়ে যান।
ঈদের আগে এক কেজি গমের ভুসির দাম ছিল ৩৫ টাকা। ঈদের তিন-চার দিন পর সেই ভুসির দাম হয়ে গেল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।
গো-খাদ্যের দামে দিশেহারা খামারিরা
গো-খাদ্যের দামে দিশেহারা খামারিরা
দেশের অন্যতম প্রধান গরু পালনের এলাকা পাবনার বেড়া-সাঁথিয়া উপজেলায় গো-খাদ্যের দাম পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। গো-খাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে দুই উপজেলার সব গরু পালনকারীই এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। গো-খাদ্যের দাম নাগালের বাইরে গেলেও দুধের দাম বাড়েনি। এর ওপর অগ্নিমূল্যের গোখাদ্যে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভেজাল দেওয়ার পাশাপাশি ওজনেও কম দিচ্ছেন। এ অবস্থায় দিশেহারা খামারিরা বাধ্য হয়ে গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন।খামারি ও গোখাদ্য ব্যবসায়ীরা জানান, দিন দশেকের ব্যবধানে ৪০ টাকা কেজি দরের গম ও অ্যাংকর ডালের ভুসি ৫৭ টাকা, ৪৫ টাকা কজি
দরের খেসারির ভুসি ৫৫ টাকা, ৩৪ টাকা কেজি দরের মশুরির ভুসি ৪২ টাকা, ১১ টাকা কেজি দরের ধানের গুড়া ১৫ টাকা হয়ে গেছে। গরু পালনকারীরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন মূল গোখাদ্য খড় কিনতে গিয়ে। কয়েকদিন আগেও ৩৫০ টাকা মণ দরে খড় বিক্রি হতো। এখন সেই খড়ের দাম হয়েছে ৫০০ টাকা। তা-ও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না।খামারিরা অভিযোগ করে জানান, প্রতি বস্তায় ৩৭ কেজি করে ভুসি থাকার কথা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা দুই থেকে তিন কেজি করে ভুসি কম দিচ্ছে। এসব ব্যবসায়ী
বস্তা থেকে দুই থেকে তিন কেজি ভুসি বের করে তা নতুন করে সেলাই করে দেন। আবার কোনো কোনো ব্যবসায়ী ওজন সঠিক দেখানোর জন্য বের করে নেওয়া ভুসির পরিবর্তে তুষ, পচা আটা, ধানের গুড়াসহ বিভিন্ন ধরনের ভেজাল মিশিয়ে দিয়ে থাকেন। খামারিরা বস্তাগুলোতে নিখুঁত সেলাই ও লেবেল দেখে তা ভালো ভুসি মনে করে কিনে নিয়ে যান।ঈদের আগে এক কেজি গমের ভুসির দাম ছিল ৩৫ টাকা। ঈদের তিন-চার দিন পর সেই ভুসির দাম হয়ে গেল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত