মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জ ঃ
গত কয়েক দিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জের হাওরের জনজীবন। প্রখর রোদের পাশাপাশি ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি মিলেছে না কোথাও। ফলে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।
১২ ই জুলাই ঢাকা,কিশোরগঞ্জে এলাকায় তাপমাত্রার পরিমাণ ছিল সকাল ১২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ২৮ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে অতি গরমে স্বাভাবিকভাবে মাছ ধরতে পারছেন না হাওরের জেলেরা। এছাড়া কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠান্ডা, ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীও বেড়েছে। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ওষুধের দোকানে বিড় জমাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
হাওরের বিভিন্ন এলাকায় খুজ নিয়ে জানা গেছে, সকালের দিকে মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দুপুরের প্রখর রোদে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। একটু প্রশান্তির আশায় মানুষকে গাছের ছায়ায় কিংবা শীতল কোনো স্থানে বসে থাকতে দেখা গেছে। গরমে অনেকেই পুকুর কিংবা নদীতে নেমে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন।
ইটনা মৃগা ইউনিয়নের আনন্দ বাজারের ২ বছরের শিশু নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা আলী হোসেন বলেন, আমার মেয়ের গত ৩ দিন ধরেই ছেড়ে ছেড়ে জ্বর আসে। সব প্রকারের ওষুধ খাওয়ানোর পরও কিছুতেই জ্বর কমছে না।
ইটনা সদরের ওষুধ ব্যবসায়ী বিজয় রায় জানান, আমাদের দোকানে কিছুদিন ধরে বেশি রোগীই জ্বরের ওষুধের জন্য আসিতেছে। জ্বরের ওষুধের চাহিদা বেশি।
আনন্দ বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী আলমগীর ফরিদ বলেন, গত কিছুদিন ধরেই অতি গরমে জ্বর আক্রান্ত রোগীও সংখ্যা বেড়েছে। আমরা রোগীদের বয়স অনুযায়ী জ্বর ছাড়ার ওষুধ দিচ্ছি এবং ঠান্ডা জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ অতিশ দাস রাজিব বলেন, কিছুদিন ধরেই হাসপাতালে জ্বর আক্রান্ত রোগী সেবা নিতে আসিতেছে। তিনি আরও বলেন, এটা অতি গরমের জন্য হচ্ছে। গরমে বাহিরে গেলে মাস্ক, ছাতা এবং বেশি বেশি ঠান্ডা জাতীয় কমল পানিও খাওয়ার পরামর্শ দেন। জ্বরে বাচ্চা-বড় মানুষ মোটামুটি সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। এটা মৌসুমী রোগ ওষুধ খেলে ভালো হয়ে উঠবে।
গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বেড়েছে জ্বর আক্রান্ত রোগী
গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বেড়েছে জ্বর আক্রান্ত রোগী
মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জ ঃগত কয়েক দিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জের হাওরের জনজীবন। প্রখর রোদের পাশাপাশি ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি মিলেছে না কোথাও। ফলে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। ১২ ই জুলাই ঢাকা,কিশোরগঞ্জে এলাকায় তাপমাত্রার পরিমাণ ছিল সকাল ১২ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ২৮ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে অতি গরমে স্বাভাবিকভাবে মাছ ধরতে পারছেন না হাওরের জেলেরা। এছাড়া কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ঠান্ডা, ডায়রিয়াসহ গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীও বেড়েছে। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ওষুধের দোকানে বিড় জমাচ্ছে সাধারণ মানুষ। হাওরের বিভিন্ন এলাকায় খুজ নিয়ে জানা গেছে, সকালের
দিকে মানুষ কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও দুপুরের প্রখর রোদে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন। একটু প্রশান্তির আশায় মানুষকে গাছের ছায়ায় কিংবা শীতল কোনো স্থানে বসে থাকতে দেখা গেছে। গরমে অনেকেই পুকুর কিংবা নদীতে নেমে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন।ইটনা মৃগা ইউনিয়নের আনন্দ বাজারের ২ বছরের শিশু নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা আলী হোসেন বলেন, আমার মেয়ের গত ৩ দিন ধরেই ছেড়ে ছেড়ে জ্বর আসে। সব প্রকারের ওষুধ খাওয়ানোর পরও কিছুতেই জ্বর কমছে না। ইটনা সদরের ওষুধ ব্যবসায়ী বিজয় রায় জানান, আমাদের দোকানে কিছুদিন ধরে বেশি রোগীই জ্বরের ওষুধের জন্য আসিতেছে। জ্বরের ওষুধের চাহিদা বেশি। আনন্দ বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী
আলমগীর ফরিদ বলেন, গত কিছুদিন ধরেই অতি গরমে জ্বর আক্রান্ত রোগীও সংখ্যা বেড়েছে। আমরা রোগীদের বয়স অনুযায়ী জ্বর ছাড়ার ওষুধ দিচ্ছি এবং ঠান্ডা জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ অতিশ দাস রাজিব বলেন, কিছুদিন ধরেই হাসপাতালে জ্বর আক্রান্ত রোগী সেবা নিতে আসিতেছে। তিনি আরও বলেন, এটা অতি গরমের জন্য হচ্ছে। গরমে বাহিরে গেলে মাস্ক, ছাতা এবং বেশি বেশি ঠান্ডা জাতীয় কমল পানিও খাওয়ার পরামর্শ দেন। জ্বরে বাচ্চা-বড় মানুষ মোটামুটি সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। এটা মৌসুমী রোগ ওষুধ খেলে ভালো হয়ে উঠবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত