হাসিবুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
ঝালকাঠি সদর উপজেলার কেওড়া ইউনিয়নের তারুলী গ্রামে মাছ ও সবজির খামারে গরু প্রবেশ করায় পাঁচটি গরুর শরীরে বিষাক্ত ভিক্সল জাতীয় রাসায়নিক স্প্রে করে চামড়া ঝলসে দিয়েছে স্থানীয় এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর কর্মচারীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী গরুর মালিক আ. হালিম ও মাইনুল ইসলাম জানান, “আমরা গরিব মানুষ, কিছু বলতে ভয় লাগে। টাকা-পয়সার জোরে আমাদের আরও ক্ষতি করবে বলেই আমরা চুপ থাকি। আল্লাহ ছাড়া বিচার চাওয়ার জায়গা নেই।
জানা গেছে, ঢাকার বনশ্রীতে বসবাসরত ব্যবসায়ী জাফর আহমেদ তার নিজ গ্রাম পূর্ব তারুলীতে সুউচ্চ প্রাচীরঘেরা বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়িতে মাছ ও সবজির খামার পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি তার খামারে স্থানীয় কয়েকটি গরু প্রবেশ করলে খামারের কর্মচারী এতোয়ার ও রিমন গরুগুলোর গায়ে বিষাক্ত ভিক্সল স্প্রে করে। এতে গরুগুলোর শরীর থেকে চামড়া খসে পড়ে এবং তারা যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে।
এতোয়ার ও রিমন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “গরু ছেড়ে দিয়ে ঘাস খাওয়ানো নিষেধ করার পরও গরুগুলো ঘেরে প্রবেশ করে ফসলের ক্ষতি করেছে। তাই আমরা ভিক্সল স্প্রে করেছি। এতে গরুর চামড়া ছিলে গেছে। এটা আমাদের ভুল হয়েছে।
খামারটির কেয়ারটেকার আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, “অনেকবার নিষেধ করার পরও গরু খামারে ঢুকেছে। তাই আমরা ভিক্সল স্প্রে করেছি।” তবে খামারের মালিক জাফর আহমেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বাবু জানান, তিনি অপরিচিত কারো সাথে কথা বলেন না এবং সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন, “নিরীহ পশুর উপর এমন অমানবিকতা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। গরুগুলোর বোবা কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল।
এলাকার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম বলেন, “এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও অমানবিক ঘটনা। যারা এ কাজ করেছে, তারা বড় অপরাধ করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।
কেওড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হেমায়েত উদ্দিন হিমু বলেন, “এ ধরণের অমানবিক আচরণকারীদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে যেন ভুক্তভোগীরা সুবিচার পায়, সেই আহ্বান জানাই।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন জানান, “বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গরুর গায়ে বিষাক্ত স্প্রে ! খামারে প্রবেশ করায় গবাদিপশুর সাথে অমানবিকতা
গরুর গায়ে বিষাক্ত স্প্রে ! খামারে প্রবেশ করায় গবাদিপশুর সাথে অমানবিকতা
হাসিবুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি :ঝালকাঠি সদর উপজেলার কেওড়া ইউনিয়নের তারুলী গ্রামে মাছ ও সবজির খামারে গরু প্রবেশ করায় পাঁচটি গরুর শরীরে বিষাক্ত ভিক্সল জাতীয় রাসায়নিক স্প্রে করে চামড়া ঝলসে দিয়েছে স্থানীয় এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ীর কর্মচারীরা। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী গরুর মালিক আ. হালিম ও মাইনুল ইসলাম জানান, “আমরা গরিব মানুষ, কিছু বলতে ভয় লাগে। টাকা-পয়সার জোরে আমাদের আরও ক্ষতি করবে বলেই আমরা চুপ থাকি। আল্লাহ ছাড়া বিচার চাওয়ার জায়গা নেই।জানা গেছে, ঢাকার বনশ্রীতে বসবাসরত ব্যবসায়ী জাফর আহমেদ তার নিজ গ্রাম পূর্ব তারুলীতে সুউচ্চ প্রাচীরঘেরা বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়িতে মাছ ও সবজির খামার পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি তার খামারে স্থানীয় কয়েকটি গরু প্রবেশ করলে
খামারের কর্মচারী এতোয়ার ও রিমন গরুগুলোর গায়ে বিষাক্ত ভিক্সল স্প্রে করে। এতে গরুগুলোর শরীর থেকে চামড়া খসে পড়ে এবং তারা যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে।এতোয়ার ও রিমন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “গরু ছেড়ে দিয়ে ঘাস খাওয়ানো নিষেধ করার পরও গরুগুলো ঘেরে প্রবেশ করে ফসলের ক্ষতি করেছে। তাই আমরা ভিক্সল স্প্রে করেছি। এতে গরুর চামড়া ছিলে গেছে। এটা আমাদের ভুল হয়েছে।খামারটির কেয়ারটেকার আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, “অনেকবার নিষেধ করার পরও গরু খামারে ঢুকেছে। তাই আমরা ভিক্সল স্প্রে করেছি।” তবে খামারের মালিক জাফর আহমেদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বাবু জানান, তিনি অপরিচিত কারো সাথে কথা বলেন না এবং সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার নির্দেশ দেন।এ ঘটনায় এলাকাবাসীর
মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা বলেন, “নিরীহ পশুর উপর এমন অমানবিকতা সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না। গরুগুলোর বোবা কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল।এলাকার ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম বলেন, “এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও অমানবিক ঘটনা। যারা এ কাজ করেছে, তারা বড় অপরাধ করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।কেওড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হেমায়েত উদ্দিন হিমু বলেন, “এ ধরণের অমানবিক আচরণকারীদের কোনভাবেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে যেন ভুক্তভোগীরা সুবিচার পায়, সেই আহ্বান জানাই।এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন জানান, “বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত