রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য গত বছরটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। আর ২০২৬ সালেও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই—এমনটাই জানিয়েছে জাতিসংঘ। চলতি মাসের শুরুর দিকে একটি জাহাজডুবিতে শত শত মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।
জেনেভায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র বাবর বালুচ বলেন, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী মারা গেছেন। জাতিসংঘের শরণার্থীর তথ্য অনুযায়ী এটি ওই অঞ্চলের জন্য ‘রেকর্ডে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর’।
বালুচ আরো জানান, গত বছর ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রার চেষ্টা করেছিলেন, যাদের মধ্যে ‘প্রতি সাতজনের একজন নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন।’
তিনি বলেন, এটি ‘বিশ্বব্যাপী শরণার্থী ও অভিবাসীদের প্রধান সমুদ্রপথগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যুহার।’
রোহিঙ্গারা মূলত বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিশাল শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে যাত্রা শুরু করেন, যেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থী অমানবিক পরিবেশে বসবাস করছেন।
রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে সামরিক বাহিনী ও জাতিগত সংখ্যালঘু বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে।
গত বছর সাগরে ডুবে মারা গেছেন ৯০০ রোহিঙ্গা
গত বছর সাগরে ডুবে মারা গেছেন ৯০০ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য গত বছরটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। আর ২০২৬ সালেও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই—এমনটাই জানিয়েছে জাতিসংঘ। চলতি মাসের শুরুর দিকে একটি জাহাজডুবিতে শত শত মানুষ নিখোঁজ হওয়ার পর শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।জেনেভায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র বাবর বালুচ বলেন, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর
ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী মারা গেছেন। জাতিসংঘের শরণার্থীর তথ্য অনুযায়ী এটি ওই অঞ্চলের জন্য ‘রেকর্ডে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর’।বালুচ আরো জানান, গত বছর ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রার চেষ্টা করেছিলেন, যাদের মধ্যে ‘প্রতি সাতজনের একজন নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন।’তিনি বলেন, এটি ‘বিশ্বব্যাপী শরণার্থী ও
অভিবাসীদের প্রধান সমুদ্রপথগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যুহার।’রোহিঙ্গারা মূলত বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিশাল শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে যাত্রা শুরু করেন, যেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থী অমানবিক পরিবেশে বসবাস করছেন।রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে সামরিক বাহিনী ও জাতিগত সংখ্যালঘু বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত