কুতুব মিনার থেকে উচু ভারতের উত্তর প্রদেশের নয়ডার সুপারটেক টুইন টাওয়ার গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জলপ্রপাত বিস্ফোরণ কৌশল ব্যবহার করে এটি ধ্বংস করা হয়। ব্যবহার করা হয় তিন হাজার ৭০০ কেজি বিস্ফোরক।
রোববার স্থানীয় সময় আড়াইটায় টুইন টাওয়ারে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মাত্র ৯ সেকেন্ডে একশো এবং ৯৭ মিটার উচ্চতার ভবন দুটি গুড়িয়ে দেয়া হয়। এসময় পুরো এলাকা ধোয়ায় ঢেকে যায়। বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ২০১২ সালে নয়তলার অনুমোদন নিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নকশা পাল্টে করা হয় ৪০ তলা। বাসিন্দাদের আপত্তি না মানায় তারা যান আদালতে। ৯ বছরের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ আদলত থেকে ভবন ভাঙার রায় পান তারা। এদিন নিজ খরচে সুপারটেক টুইন টাওয়ার ভাঙে মালিক কর্তৃপক্ষ। টাওয়ার দুটি থেকে ৫৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি হতে পারে। যা সরাতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে।
গুড়িয়ে দেয়া হলো ভারতের টুইন টাওয়ার
গুড়িয়ে দেয়া হলো ভারতের টুইন টাওয়ার
কুতুব মিনার থেকে উচু ভারতের উত্তর প্রদেশের নয়ডার সুপারটেক টুইন টাওয়ার গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। জলপ্রপাত বিস্ফোরণ কৌশল ব্যবহার করে এটি ধ্বংস করা হয়। ব্যবহার করা হয় তিন হাজার ৭০০ কেজি বিস্ফোরক।রোববার স্থানীয় সময় আড়াইটায় টুইন টাওয়ারে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মাত্র ৯ সেকেন্ডে
একশো এবং ৯৭ মিটার উচ্চতার ভবন দুটি গুড়িয়ে দেয়া হয়। এসময় পুরো এলাকা ধোয়ায় ঢেকে যায়। বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ২০১২ সালে নয়তলার অনুমোদন নিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নকশা পাল্টে করা হয় ৪০ তলা। বাসিন্দাদের আপত্তি না মানায় তারা
যান আদালতে। ৯ বছরের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ আদলত থেকে ভবন ভাঙার রায় পান তারা। এদিন নিজ খরচে সুপারটেক টুইন টাওয়ার ভাঙে মালিক কর্তৃপক্ষ। টাওয়ার দুটি থেকে ৫৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার টন ধ্বংসাবশেষ তৈরি হতে পারে। যা সরাতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত