স্টাফ রিপোর্টারঃ অবশেষে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী গতকাল পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। গতকাল বেলা ১১ টায় হাসপাতাল ২ নং গেট ইংলিশ রোডের পাশে ইছামতি নদীর মধ্যে বসবাসকারী আইনজীবী নাজমুল হোসেন শাহিনের দ্বিতল ভবনসহ তিনটি পাকা ভবন ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ এপ্রিল মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী জেলা পানি ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ অভিযানের ছবি ফেজবুকে আপলোড হলে তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই বলেন, দীর্ঘ ২ বছর এই আইনজীবীর মামলার কারনে ইছামতি নদী খনন কাজ বিলম্ব ঘটেছে।
এ ব্যাপারে শহরের সচেতন মহল মনে করেন, অবৈধ বসতিতের আর কোন সময় দেওয়া ঠিক হবে না। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সি এস ম্যাপ অনুসরণ করে ইছামতি নদী পুনুরুজ্জীবীত করতে হবে।
উল্লেখ্য নদী পাড়ের কতিপয় ভুমিদস্যু ২০০৯ সালে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। যার নং ৩৫০৩। এ মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ৪ জানুয়ারি ২০২২ শোনানী শেষ হয়। ২৪ এপ্রিল মহামান্য হাইকোর্টর বিজ্ঞ বিচারক মো. মজিবুর রহমান মিঞা এবং মো. কামরুল হাসান মোল্লা যৌথ ব্রেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে বলা হয়েছে ইছামতি নদী পুনুরুজ্জীবীত করার ক্ষেত্রে আর কোন বাধা নেই। এ রায় অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান এর নেতৃত্বে বাপাউবোর নিবার্হী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহীন রেজা, সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান শাহিন, সার্ভেয়ার রাসেল হোসেন সহ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এ ব্যাপারে মহামান্য হার্কোটের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের এ রায়ের পর নিম্ন আদালতের সকল নিদের্শনার কার্যকর থাকার কোন সুযোগ নেই।
হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করায় শেষ রক্ষ হলো নদী পাড়ের অবৈধ স্থাপনা
হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করায় শেষ রক্ষ হলো নদী পাড়ের অবৈধ স্থাপনা
স্টাফ রিপোর্টারঃ অবশেষে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী গতকাল পুনরায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। গতকাল বেলা ১১ টায় হাসপাতাল ২ নং গেট ইংলিশ রোডের পাশে ইছামতি নদীর মধ্যে বসবাসকারী আইনজীবী নাজমুল হোসেন শাহিনের দ্বিতল ভবনসহ তিনটি পাকা ভবন ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।গত ২৪ এপ্রিল মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী জেলা পানি ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ অভিযানের ছবি ফেজবুকে আপলোড হলে তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই বলেন, দীর্ঘ ২ বছর এই আইনজীবীর মামলার কারনে ইছামতি নদী খনন
কাজ বিলম্ব ঘটেছে। এ ব্যাপারে শহরের সচেতন মহল মনে করেন, অবৈধ বসতিতের আর কোন সময় দেওয়া ঠিক হবে না। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী সি এস ম্যাপ অনুসরণ করে ইছামতি নদী পুনুরুজ্জীবীত করতে হবে। উল্লেখ্য নদী পাড়ের কতিপয় ভুমিদস্যু ২০০৯ সালে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। যার নং ৩৫০৩। এ মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ৪ জানুয়ারি ২০২২ শোনানী শেষ হয়। ২৪ এপ্রিল মহামান্য হাইকোর্টর বিজ্ঞ বিচারক মো. মজিবুর রহমান মিঞা এবং মো. কামরুল হাসান মোল্লা যৌথ ব্রেঞ্চ এ রায়
ঘোষণা করেন।রায়ে বলা হয়েছে ইছামতি নদী পুনুরুজ্জীবীত করার ক্ষেত্রে আর কোন বাধা নেই। এ রায় অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান এর নেতৃত্বে বাপাউবোর নিবার্হী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শাহীন রেজা, সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিনুর রহমান শাহিন, সার্ভেয়ার রাসেল হোসেন সহ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।এ ব্যাপারে মহামান্য হার্কোটের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের এ রায়ের পর নিম্ন আদালতের সকল নিদের্শনার কার্যকর থাকার কোন সুযোগ নেই।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত