নিজস্ব সংবাদদাতা ,তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মুদি দোকানে হাল খাতার খাবার খেয়ে অন্ততঃ পক্ষে নারী ও শিশুসহ ২৫ জন অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ্য ১০ জনকে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে, তাড়াশ সদর ইউনিয়নের কৃষ্ণাদিঘী বাজারে।
বিষয়টি তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মো. রুম্মান খান নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার তাড়াশ সদর ইউনিয়নের কৃষ্ণাদিঘী বাজারের মুদি দোকানী মো. শাহাবুদ্দিন তার দোকানে বার্ষিক হাল খাতার আয়োজন করেন। আর সকাল থেকেই মুদি দোকানী মো. শাহাবুদ্দিন তার নিজ বাড়িতে হাল খাতা করতে আসা গ্রাহকদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন। হাল খাতার খাবার তালিকায় ছিল মাংস খিচুরী ও সালাত।
এ দিকে বিকেলের দিকে ওই হাল খাতা করতে আসা লোকজন কেউ সেখানে বসে ওই খাবার খান আবার অনেকেই প্যাকেটে করে সে খাবার বাড়িতে নিয়ে যান এবং স্বজনদের খাওয়ান। পরে হাল খাতার দোকানে যারা বিকেলের দিকে খাবার খেয়েছেন এবং স্বজরদের খাইয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই গভীর রাতে তীব্র পেট ব্যথার পাশাপাশি পাতলা পায়খানার সাথে বমিও করতে থাকেন। এতে তারা রাতেই অসুস্থ্য হয়ে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকদের চিকিৎসা নিলেও তাদের উন্নতি না হওয়ায় তারা সকাল থেকে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হতে থাকেন।
বর্তমানে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাল খাতার খাবার খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়া বোয়ালিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪০), ছেলের বউ লাবনী খাতুন (২২), নাতনী মর্শিদা(২) একই গ্রামের কয়েটি পরিবারের ফাতেমা (১৬), মিলন আকন্দ ( ২২), রিতা পারভীন (২০), শাহ আলম (২৫), জিহাদ প্রামানিক (১০), জয়ান সরকার (৩০)সহ ১০ জন তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন এবং আরো ১৫ জন স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় ভাবে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত রোগী মর্জিনা বেগম জানান, হাল খাতার খাবার খাওয়ার পর আমাদের পরিবারের তিন জন সদস্য তীব্র পেট ব্যথার পাশাপাশি পাতলা পায়খানার সাথে বমি করে অসুস্থ্য হয়ে পড়ি। বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ্য বোধ করছি।
অবশ্য মুদি দোকানী শাহাবুদ্দিন বলেন, আমার দোকানে ১২৪ জন লোক হাল খাতার খাবার খেয়েছেন। জানতে পেরেছি কয়েকজন অসুস্থ্য হয়েছেন। কিন্তু খাবারের সমস্য থাকলে সবারই অসুস্থ্য হওয়ার কথা। কিন্তু তাতো হয়নি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডা. মো. মনোয়ার হোসেন জানান, খাবারে বিষক্রিয়ার কারনে অসুস্থ্য হয়ে ১০ জন ভর্তি হয়েছেন। তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাল খাতার খাবারে বিষ ক্রিয়ায় তাড়াশে কমপক্ষে ২৫ জন অসুস্থ্য
হাল খাতার খাবারে বিষ ক্রিয়ায় তাড়াশে কমপক্ষে ২৫ জন অসুস্থ্য
নিজস্ব সংবাদদাতা ,তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মুদি দোকানে হাল খাতার খাবার খেয়ে অন্ততঃ পক্ষে নারী ও শিশুসহ ২৫ জন অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ্য ১০ জনকে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে, তাড়াশ সদর ইউনিয়নের কৃষ্ণাদিঘী বাজারে।বিষয়টি তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মো. রুম্মান খান নিশ্চিত করেছেন।জানা গেছে, গত শুক্রবার তাড়াশ সদর ইউনিয়নের কৃষ্ণাদিঘী বাজারের মুদি দোকানী মো. শাহাবুদ্দিন তার দোকানে বার্ষিক হাল খাতার আয়োজন করেন। আর সকাল থেকেই মুদি দোকানী মো. শাহাবুদ্দিন তার নিজ বাড়িতে হাল খাতা করতে আসা গ্রাহকদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেন। হাল খাতার খাবার তালিকায় ছিল মাংস খিচুরী ও সালাত। এ দিকে বিকেলের দিকে ওই হাল খাতা করতে আসা লোকজন কেউ সেখানে বসে ওই খাবার খান আবার
অনেকেই প্যাকেটে করে সে খাবার বাড়িতে নিয়ে যান এবং স্বজনদের খাওয়ান। পরে হাল খাতার দোকানে যারা বিকেলের দিকে খাবার খেয়েছেন এবং স্বজরদের খাইয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই গভীর রাতে তীব্র পেট ব্যথার পাশাপাশি পাতলা পায়খানার সাথে বমিও করতে থাকেন। এতে তারা রাতেই অসুস্থ্য হয়ে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকদের চিকিৎসা নিলেও তাদের উন্নতি না হওয়ায় তারা সকাল থেকে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হতে থাকেন।বর্তমানে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাল খাতার খাবার খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়া বোয়ালিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪০), ছেলের বউ লাবনী খাতুন (২২), নাতনী মর্শিদা(২) একই গ্রামের কয়েটি পরিবারের ফাতেমা (১৬), মিলন আকন্দ ( ২২), রিতা পারভীন (২০), শাহ আলম (২৫), জিহাদ প্রামানিক (১০), জয়ান সরকার (৩০)সহ ১০ জন তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন এবং আরো ১৫ জন স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় ভাবে জানা গেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত রোগী মর্জিনা বেগম জানান, হাল খাতার খাবার খাওয়ার পর আমাদের পরিবারের তিন জন সদস্য তীব্র পেট ব্যথার পাশাপাশি পাতলা পায়খানার সাথে বমি করে অসুস্থ্য হয়ে পড়ি। বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ্য বোধ করছি। অবশ্য মুদি দোকানী শাহাবুদ্দিন বলেন, আমার দোকানে ১২৪ জন লোক হাল খাতার খাবার খেয়েছেন। জানতে পেরেছি কয়েকজন অসুস্থ্য হয়েছেন। কিন্তু খাবারের সমস্য থাকলে সবারই অসুস্থ্য হওয়ার কথা। কিন্তু তাতো হয়নি। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডা. মো. মনোয়ার হোসেন জানান, খাবারে বিষক্রিয়ার কারনে অসুস্থ্য হয়ে ১০ জন ভর্তি হয়েছেন। তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত