সারাদেশে হামের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলয়া হয়, মৃত ৮ জনের মধ্যে ২ জন সরাসরি হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চের পর থেকে দেশে হাম পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৪ জন। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭২ জনে। এছাড়া গত এক মাসে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৫ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৩৫২ জন।
হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৪৯৬ জন। তবে এখনো বিশাল সংখ্যক রোগী হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
সারাদেশে হামের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে দেওয়া নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলয়া হয়, মৃত ৮ জনের মধ্যে ২ জন সরাসরি হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বাকি ৬ জনের
মৃত্যু হয়েছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চের পর থেকে দেশে হাম পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৪ জন। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭২ জনে। এছাড়া গত এক মাসে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৫ জন।
একই সময়ে সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৩৫২ জন।হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৪৯৬ জন। তবে এখনো বিশাল সংখ্যক রোগী হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত