নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও টানা বর্ষণে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পানির তোড়ে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ৩১০০ জন কৃষক। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বোরো চাষিরা, যাদের বছরের প্রধান ফসল এখন পানির নিচে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ দুর্যোগে প্রায় ৩৭৫ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণ বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৫.৭ হেক্টর জমির সবজি, ৫.৫ হেক্টর জমির পাট এবং ০.৩৪ হেক্টর জমির বীজতলাও পানিতে তলিয়ে গেছে।
হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে দেখা গেছে, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। সবুজ ধানের ক্ষেত এখন পরিণত হয়েছে অথই জলে। কৃষকের যত্নে লালিত স্বপ্নগুলো যেন মুহূর্তেই বিলীন হয়ে গেছে প্রকৃতির নির্মম আঘাতে।
মোজাফফরপুর জালিয়ার হাওরের চাষি চারিতলা গ্রামের কৃষক লিটন মিয়া বলেন, “সারাবছর কষ্ট করে চাষাবাদ করি, এই বোরো ধানই ছিল আমাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু হঠাৎ বন্যায় সব শেষ হয়ে গেল। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব, সেটাই বড় চিন্তা।”
এদিকে প্রান্তিক ও কৃষিনির্ভর মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন, ফলে ফসলহানির কারণে তাদের আর্থিক সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রকৃতির এই আকস্মিক আঘাতে হাওরপাড়ের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে এক গভীর মানবিক সংকট। চোখে হতাশা, বুকে কষ্ট আর সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ এভাবেই দিন কাটছে কেন্দুয়ার হাজারো কৃষক পরিবারের। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসন, যাতে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারেন তারা।
হাওরে আকস্মিক বন্যায় পানির নিচে স্বপ্নের ফসল
হাওরে আকস্মিক বন্যায় পানির নিচে স্বপ্নের ফসল
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও টানা বর্ষণে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পানির তোড়ে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ৩১০০ জন কৃষক। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বোরো চাষিরা, যাদের বছরের প্রধান ফসল এখন পানির নিচে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ দুর্যোগে প্রায় ৩৭৫ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণ বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৫.৭ হেক্টর জমির সবজি, ৫.৫ হেক্টর জমির পাট এবং ০.৩৪ হেক্টর জমির বীজতলাও পানিতে তলিয়ে গেছে।হাওরাঞ্চলের
বিভিন্ন গ্রামে সরেজমিনে দেখা গেছে, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। সবুজ ধানের ক্ষেত এখন পরিণত হয়েছে অথই জলে। কৃষকের যত্নে লালিত স্বপ্নগুলো যেন মুহূর্তেই বিলীন হয়ে গেছে প্রকৃতির নির্মম আঘাতে।মোজাফফরপুর জালিয়ার হাওরের চাষি চারিতলা গ্রামের কৃষক লিটন মিয়া বলেন, “সারাবছর কষ্ট করে চাষাবাদ করি, এই বোরো ধানই ছিল আমাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু হঠাৎ বন্যায় সব শেষ হয়ে গেল। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে চলব, সেটাই বড় চিন্তা।”এদিকে প্রান্তিক ও কৃষিনির্ভর মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। অনেকেই ঋণ
নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন, ফলে ফসলহানির কারণে তাদের আর্থিক সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।প্রকৃতির এই আকস্মিক আঘাতে হাওরপাড়ের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে এক গভীর মানবিক সংকট। চোখে হতাশা, বুকে কষ্ট আর সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ এভাবেই দিন কাটছে কেন্দুয়ার হাজারো কৃষক পরিবারের। এখন তাদের একটাই প্রত্যাশা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসন, যাতে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারেন তারা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত