ভারতের হিমালয়ে ভয়াবহ ভূমিধসের পর মঙ্গলবার আরও তিনটি
মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় রাজ্যটিতে মৃতের সংখ্যা
বেড়ে হয়েছে ৫৫। কর্মকর্তারা বলছেন, ১০ জন এখনও নিখোঁজ আছেন।
কয়েক বছর ধরে ভারত এবং প্রতিবেশী পাকিস্তান ও নেপালের
পাহাড়ে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের কারণ এই প্রবল বৃষ্টি। এর জন্য জলবায়ু
পরিবর্তনকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
হিমাচল প্রদেশে ভূমিধসের ধ্বংসযজ্ঞটি মারাত্মক ছিল। ধসের পর
পাথর ও গাছের নিচে চাপা পড়ে বাড়ি-ঘর, রাস্তায় ধরে ফাটল, ভেঙে
পড়ে বিদ্যুৎ ও রেলওয়ে নেটওয়ার্ক।
রাজ্যের রাজধানী সিমলায় মঙ্গলবার ভূমিধসের পর ভেঙে পড়া
একটি মন্দির থেকে আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিমলায় বৃষ্টি-সম্পর্কিত
ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রবীণ
ভরদ্বাজ।
ভরদ্বাজ বলেন, দুর্যোগের কারণে রাজ্যে কয়েকদিনে অন্তত ৫৫
জন মারা গেছেন। প্রতিবেশী উত্তরাখণ্ডেও বৃষ্টিজনিত ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।
হিমাচল প্রদেশ এবং প্রতিবেশী উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশে বুধবার
পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। অবিরাম বৃষ্টির কারণে দুই রাজ্যই গত
মাসে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
১ জুন থেকে শুরু হওয়া এই বর্ষা মৌসুমে হিমাচলে স্বাভাবিকের
চেয়ে ৪৫ শতাংশ এবং উত্তরাখণ্ডে ১৮ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। সূত্র:
এনডিটিভি
হিমাচলে বন্যা ও ভূমিধস, নিহত ৫৫
হিমাচলে বন্যা ও ভূমিধস, নিহত ৫৫
ভারতের হিমালয়ে ভয়াবহ ভূমিধসের পর মঙ্গলবার আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় রাজ্যটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৫। কর্মকর্তারা বলছেন, ১০ জন এখনও নিখোঁজ আছেন।কয়েক বছর ধরে ভারত এবং প্রতিবেশী পাকিস্তান ও নেপালের পাহাড়ে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের কারণ এই প্রবল বৃষ্টি। এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।হিমাচল প্রদেশে ভূমিধসের ধ্বংসযজ্ঞটি মারাত্মক
ছিল। ধসের পর পাথর ও গাছের নিচে চাপা পড়ে বাড়ি-ঘর, রাস্তায় ধরে ফাটল, ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ ও রেলওয়ে নেটওয়ার্ক।রাজ্যের রাজধানী সিমলায় মঙ্গলবার ভূমিধসের পর ভেঙে পড়া একটি মন্দির থেকে আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সিমলায় বৃষ্টি-সম্পর্কিত ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রবীণ ভরদ্বাজ।ভরদ্বাজ বলেন, দুর্যোগের কারণে রাজ্যে কয়েকদিনে অন্তত ৫৫ জন
মারা গেছেন। প্রতিবেশী উত্তরাখণ্ডেও বৃষ্টিজনিত ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।হিমাচল প্রদেশ এবং প্রতিবেশী উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশে বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। অবিরাম বৃষ্টির কারণে দুই রাজ্যই গত মাসে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ১ জুন থেকে শুরু হওয়া এই বর্ষা মৌসুমে হিমাচলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৫ শতাংশ এবং উত্তরাখণ্ডে ১৮ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। সূত্র: এনডিটিভি
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত