রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জাতীয় হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন হবে ঢাকায়

হজযাত্রীদের ইমিগ্রেশন হবে ঢাকায়

হজযাত্রীদের শতভাগ ইমিগ্রেশন ও লাগেজ তল্লাশির কাজ ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে। এ ছাড়া সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুদেশের চুক্তি সই হয়েছে।

বাংলাদেশ সফররত সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী নাসের বিন আবদুল আজিজ আল দাউদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এ চুক্তি সই হয়। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নেতৃত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনার পর আমরা দুটি এমওইউ সই করেছি। একটি হলো নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি, আরেকটি হলো রুট-টু-মক্কা সার্ভিস এগ্রিমেন্ট।

তিনি বলেন, প্রথমটিতে দুদেশের নিরাপত্তা আরো কীভাবে উন্নতি করা যায়, সে বিষয়টি মাথায় আছে। প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় এর মধ্যে রয়েছে। রুট-টু-মক্কার মধ্যে রয়েছে আমাদের হজযাত্রীদের আরো কীভাবে সহযোগিতা দেওয়া যায়। এখান থেকে ইমিগ্রেশন ও সবকিছু ঠিকঠাক করে তারা উড়োজাহাজে উঠে যাবে। এ সুবিধাগুলো আগে পরীক্ষামূলকভাবে ছিল।

মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে ইমিগ্রেশন, ব্যাগেজ চেকিং সবকিছু বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে হয়ে যাবে। এটাই হলো রুট-টু-মক্কা সার্ভিস এগ্রিমেন্টের বিষয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া আরো অনেক বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যু আলোচনায় এসেছে। আমাদের দুদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে প্রশিক্ষণ এবং পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান। ভাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ, দুদেশের সম্পর্ক আরো উন্নত করা যায়, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের যে শ্রমিকরা যেখানে যাচ্ছে, দক্ষ শ্রমিকদের সেখানে পাঠানোর জন্য তারা অনুরোধ জানিয়েছেন। দক্ষ শ্রমিক পাঠালে তারা আরো ভালো সুবিধা পাবেন বলে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আরো বলেছি, কীভাবে ভিসা আরো সহজ করা যায়। বাংলাদেশ থেকে প্রচুর হজ ও ওমরাহযাত্রী, ব্যবসায় ও চাকরির জন্য প্রতিনিয়ত সৌদি আরব যাচ্ছেন। তারা যে স্কলারশিপ দিচ্ছেন, সেটা আরো কীভাবে সহজ করা যায় সেটা নিয়ে এবং বিজনেস ভিসাটা আরো কীভাবে সহজ করা যায় সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে।

নতুন করে শ্রমিক নেওয়া ও সৌদি আরব থেকে এলএনজি আনার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, এলএনজির কোনো বিষয় আলোচনায় আসেনি। শ্রমিকদের ই-পাসপোর্ট তাড়াতাড়ি দেওয়ার বিষয়ে তারা অনুরোধ করেছেন। আমরা বলেছি আমরা তাড়াতাড়িই করব, কিন্তু প্র্যাকটিক্যালি এ অসুবিধাগুলো আছে।

খুঁজুন