কয়েক সপ্তাহ কাঁচামরিচের দাম নিয়ে বাজারে অস্থিরতা চললেও এবার সেই অস্থিরতা ছড়িয়েছে পেঁয়াজের বাজারে।রাজধানী ঢাকায় বর্তমানে দেশি পেঁয়াজের দাম মান ও আকারভেদে প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারিতে দাম কমলেও সরবরাহ সংকট থাকায় খুচরায় দাম ধরে রাখতে হচ্ছে।
পাইকাররা বলছেন, দেশে প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিল নাগাদ মৌসুমি পেঁয়াজ বাজারে আসে। কয়েক মাস পর কৃষকের মজুত কমতে থাকায় মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এর প্রভাবে পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যায়, যা খুচরা বাজারেও প্রভাব ফেলে।
কারওয়ান বাজারের এক আড়তদার জানান, গত তিন সপ্তাহ ধরে যথেষ্ট পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। আগে প্রতিদিন ট্রাকে ট্রাকে পেঁয়াজ আসতো, এখন অনেক দিন একটিও ট্রাক আসে না। ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ায় চাপ পড়েছে স্থানীয় বাজারে, অথচ কৃষকের ঘরে থাকা মজুত দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়।
আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী হাশেম আলী বলেন, আগে যেখানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১২০০-১৪০০ টাকায় কেনা যেত, এখন তা বেড়ে ২২০০-২৫০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অনেক খুচরা বিক্রেতা পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন। মূল সমস্যা সরবরাহে, সরকার দ্রুত আমদানি নিশ্চিত না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
মনিরুল ইসলাম নামের আরেক পাইকার বলেন, এখন বাজারে চাহিদা আছে, কিন্তু জোগান নেই। সীমান্ত দিয়ে অল্প পরিমাণে আসা পেঁয়াজ বাজার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নয়। ফলে দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে ভোক্তাদের অভিযোগ, হঠাৎ করেই কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। তাদের দাবি, সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থির করছেন।
শুধু পেঁয়াজ নয়, কাঁচামরিচের দামও ভোক্তাদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। রাজধানীর কাঁচাবাজারে এখন প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের দাবি, মৌসুমি সরবরাহ কম থাকায় দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।
গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, এক মাস আগেও পেঁয়াজ কিনেছেন ৬৫ টাকায়, এখন দিতে হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকা। কাঁচামরিচ তো একেবারেই নাগালের বাইরে চলে গেছে।
ক্রেতা মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। মনে হয় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। সরকার দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে না আনলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার অস্থির
হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার অস্থির
কয়েক সপ্তাহ কাঁচামরিচের দাম নিয়ে বাজারে অস্থিরতা চললেও এবার সেই অস্থিরতা ছড়িয়েছে পেঁয়াজের বাজারে।রাজধানী ঢাকায় বর্তমানে দেশি পেঁয়াজের দাম মান ও আকারভেদে প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারিতে দাম কমলেও সরবরাহ সংকট থাকায় খুচরায় দাম ধরে রাখতে হচ্ছে।পাইকাররা বলছেন, দেশে প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিল নাগাদ মৌসুমি পেঁয়াজ বাজারে আসে। কয়েক মাস পর কৃষকের মজুত কমতে থাকায় মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এর প্রভাবে পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যায়, যা খুচরা বাজারেও প্রভাব ফেলে।কারওয়ান বাজারের এক আড়তদার জানান, গত তিন সপ্তাহ ধরে যথেষ্ট পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। আগে প্রতিদিন ট্রাকে ট্রাকে পেঁয়াজ আসতো,
এখন অনেক দিন একটিও ট্রাক আসে না। ভারত থেকে আমদানি কমে যাওয়ায় চাপ পড়েছে স্থানীয় বাজারে, অথচ কৃষকের ঘরে থাকা মজুত দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়।আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী হাশেম আলী বলেন, আগে যেখানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ১২০০-১৪০০ টাকায় কেনা যেত, এখন তা বেড়ে ২২০০-২৫০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অনেক খুচরা বিক্রেতা পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন। মূল সমস্যা সরবরাহে, সরকার দ্রুত আমদানি নিশ্চিত না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।মনিরুল ইসলাম নামের আরেক পাইকার বলেন, এখন বাজারে চাহিদা আছে, কিন্তু জোগান নেই। সীমান্ত দিয়ে অল্প পরিমাণে আসা পেঁয়াজ বাজার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট নয়। ফলে দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।অন্যদিকে ভোক্তাদের
অভিযোগ, হঠাৎ করেই কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। তাদের দাবি, সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থির করছেন।শুধু পেঁয়াজ নয়, কাঁচামরিচের দামও ভোক্তাদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। রাজধানীর কাঁচাবাজারে এখন প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের দাবি, মৌসুমি সরবরাহ কম থাকায় দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, এক মাস আগেও পেঁয়াজ কিনেছেন ৬৫ টাকায়, এখন দিতে হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকা। কাঁচামরিচ তো একেবারেই নাগালের বাইরে চলে গেছে।ক্রেতা মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, হঠাৎ দাম বাড়ানো অযৌক্তিক। মনে হয় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। সরকার দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে না আনলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত