উত্তম কুমার মোহন্ত কুড়িগ্রাম ঃ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর মৌজার বাকুয়ার ভিটা গ্রামের আব্দুল মজিদ পাগলা (৬৫)কে হুইলচেয়ার সহ-নগদ অর্থ প্রদান করেন হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন।১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে সহায়তা প্রদান করেন হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোঃ হাছেন আলী (চেয়ারম্যান) নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ও সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন।
সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন পোর্টাল বিডি- টুডেজ,ও নগর বার্তা লাইভ টিভিসহ-বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন্মগত শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন আব্দুল মজিদ পাগলার শেষ আশ্রয়স্থল বিধবা দুই বোনের সংসার। এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল, সেই প্রকাশিত প্রতিবেদনে মজিদ পাগলার জীবনের অসহায়ত্বের ঘটনার বর্ণনা নজরে আসে হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের। পরবর্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তার বাড়িতে গিয়ে সহায়তা প্রদান করেন।
হুইল চেয়ারের পেয়ে আবেগ আল্পুত হয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে যায় মজিদ পাগলার দু নয়ন। তিনি বলেন আমি খুব অসহায় জন্মগত ভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন হত্তয়ায় হাঁটাচলা করতে পারিনা।আর আমাকে সবসময় বন্ধ ঘরে সুইয়ে,থাকতে হবে না এখন হুইলচেয়ারে বসে বাহিরে চলাফেরা করতে পারব। স্ত্রী সন্তান কেউ না থাকায় শেষ বয়সে এসে বিধবা দুটি ছোট বোনের অভাবের সংসারে এসে তিন ভাইবোনে খুব কষ্ট করে দিনযাপন করছি। আমার জন্য ছোট বোনদের ও খুব কষ্ট হচ্ছে।এই বোন দুইটি ছাড়া পৃথিবীতে আপনজন বলতে আর কেউ নেই। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেন যারা আমাকে এই হুইল চেয়ারটি সহায়তা করলো তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে হাজার, হাজার শুকরিয়া।
মজিদ পাগলার বিধবা দুই বোন,জমিলা বেওয়া ছালেহা বেওয়া বলেন,এতদিন আমরা দুইবোন মিলে খুব কষ্টে পাগলা ভাইটাকে ঘরবাহির করতাম। ভাইটা বন্ধ ঘরে থাকতে থাকতে কান্নাকাটি করত বাহিরে আসার জন্য আমারা সময় মতো তাকে বাহির করতে পারতাম না, কারণ আমাদের ও অনেক বয়স হয়েছে, দুই বোনের খুব কষ্ট হয়েছে, এখন হুইলচেয়ারে বসে পাগলা ভাইটা বাহিরে চলাফেরা করতে আর কষ্ট হবে না।তাতে আমার দুই বোনের ও কিছুটা কষ্ট লাঘব হলো।যারা আমার ভাই ও আমাদের সহায়তা করলো আল্লাহ যেন তার ভালো করে।
হুইলচেয়ার প্রদান কালে আরো উপস্থিত ছিলেন
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, উত্তম কুমার মোহন্ত, প্রচার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরনবী মিয়া, স্থানীয় সমাজকর্মী এরশাদুল হক চৌধুরী,পল্লি চিকিৎসক, জাহাঙ্গীর আলম, কিন্ডার গার্ডেন পরিচালক, আব্দুল জব্বার, সমাজ সেবক,শাহ আলম মিয়া সহ আরো অনেক।
হুইলচেয়ার পেলেন,মজিদ পাগলা
হুইলচেয়ার পেলেন,মজিদ পাগলা
উত্তম কুমার মোহন্ত কুড়িগ্রাম ঃকুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর মৌজার বাকুয়ার ভিটা গ্রামের আব্দুল মজিদ পাগলা (৬৫)কে হুইলচেয়ার সহ-নগদ অর্থ প্রদান করেন হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন।১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে তার বাড়িতে গিয়ে সহায়তা প্রদান করেন হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোঃ হাছেন আলী (চেয়ারম্যান) নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ ও সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন।সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন পোর্টাল বিডি- টুডেজ,ও নগর বার্তা লাইভ টিভিসহ-বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জন্মগত শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন আব্দুল মজিদ পাগলার শেষ আশ্রয়স্থল বিধবা দুই বোনের সংসার। এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল, সেই প্রকাশিত প্রতিবেদনে মজিদ পাগলার জীবনের অসহায়ত্বের ঘটনার বর্ণনা নজরে আসে হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের। পরবর্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে হাছেন আলী ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের
উদ্যোগে তার বাড়িতে গিয়ে সহায়তা প্রদান করেন।হুইল চেয়ারের পেয়ে আবেগ আল্পুত হয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে যায় মজিদ পাগলার দু নয়ন। তিনি বলেন আমি খুব অসহায় জন্মগত ভাবে শারীরিক অক্ষমতা সম্পন্ন হত্তয়ায় হাঁটাচলা করতে পারিনা।আর আমাকে সবসময় বন্ধ ঘরে সুইয়ে,থাকতে হবে না এখন হুইলচেয়ারে বসে বাহিরে চলাফেরা করতে পারব। স্ত্রী সন্তান কেউ না থাকায় শেষ বয়সে এসে বিধবা দুটি ছোট বোনের অভাবের সংসারে এসে তিন ভাইবোনে খুব কষ্ট করে দিনযাপন করছি। আমার জন্য ছোট বোনদের ও খুব কষ্ট হচ্ছে।এই বোন দুইটি ছাড়া পৃথিবীতে আপনজন বলতে আর কেউ নেই। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেন যারা আমাকে এই হুইল চেয়ারটি সহায়তা করলো তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে হাজার, হাজার শুকরিয়া।মজিদ পাগলার বিধবা দুই বোন,জমিলা বেওয়া ছালেহা বেওয়া
বলেন,এতদিন আমরা দুইবোন মিলে খুব কষ্টে পাগলা ভাইটাকে ঘরবাহির করতাম। ভাইটা বন্ধ ঘরে থাকতে থাকতে কান্নাকাটি করত বাহিরে আসার জন্য আমারা সময় মতো তাকে বাহির করতে পারতাম না, কারণ আমাদের ও অনেক বয়স হয়েছে, দুই বোনের খুব কষ্ট হয়েছে, এখন হুইলচেয়ারে বসে পাগলা ভাইটা বাহিরে চলাফেরা করতে আর কষ্ট হবে না।তাতে আমার দুই বোনের ও কিছুটা কষ্ট লাঘব হলো।যারা আমার ভাই ও আমাদের সহায়তা করলো আল্লাহ যেন তার ভালো করে।হুইলচেয়ার প্রদান কালে আরো উপস্থিত ছিলেনফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি, উত্তম কুমার মোহন্ত, প্রচার ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুরনবী মিয়া, স্থানীয় সমাজকর্মী এরশাদুল হক চৌধুরী,পল্লি চিকিৎসক, জাহাঙ্গীর আলম, কিন্ডার গার্ডেন পরিচালক, আব্দুল জব্বার, সমাজ সেবক,শাহ আলম মিয়া সহ আরো অনেক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত