আমি ১০০% নিশ্চিত যদি সরকার হতে কেবল হুজুরদের উপর ৫ বছর শরিয়াহ আইন পরীক্ষামূলক ভাবে জারি করার চেষ্টা করা হয় তবে হুজুররাই শরিয়াহ আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় আন্দোলনে নামবে।
আফগানিস্তানে হানাফি তালেবানরা ক্ষমতায় এসেই শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করে প্রথমেই সালাফি আকিদার কয়েক শত মসজিদ ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে। সালাফি আকিদার মানুষদের মসজিদে নামাজ পড়তে দিচ্ছে না, হত্যা করেছে প্রায় ছয় শত সালাফি আলেমকে। বাংলাদেশে আবার সালাফিরা হানাফি মসজিদে হামলা চালিয়ে ফ্যান, এসি, টাইলস খুলে নিয়ে গেছে।
এক মসজিদের ইমাম, যিনি হানাফি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন, তাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরেই ফেলা হয়েছে। ধর্ম উপদেষ্টা আহলে হাদীস-সালাফি, প্রশাসনেও এখন প্রচুর ওহাবি রয়েছে। তাই ওই মসজিদের ইমাম হত্যায় থানায় মামলা পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। কেন মামলা নেওয়া হচ্ছে না—এই অভিযোগে সুন্নিরা সড়ক অবরোধ করতে এলে তাদের পুলিশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে আহলে হাদীস মাদ্রাসার ছাত্ররাও।
যে কোনো এক আকিদার হুজুরেরা যদি ক্ষমতায় যায়, তাহলে শরিয়াহর মাধ্যমে অন্য সব আকিদার মুসলিমদের ‘কাফের’ ঘোষণা করে কচুকাটা করবে। এদের নিজেদের মধ্যেই যে কী পরিমাণ অন্তঃকোন্দল, তা যারা ইসলামের ইতিহাস পড়েনি তারা জানে না। তাই হুজুররা চায় না, তাদের উপর গণতান্ত্রিক সরকার পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচ বছরের জন্য শরিয়াহ আইন জারি রাখুক। কারণ, এরা নিজেরাও শরিয়াহ চায় না—এরা চায় শরিয়াহর নামে অবাধ ক্ষমতা।
হুজুরদের উপর ৫ বছর শরিয়াহ আইন জারি করা হউক
হুজুরদের উপর ৫ বছর শরিয়াহ আইন জারি করা হউক
আমি ১০০% নিশ্চিত যদি সরকার হতে কেবল হুজুরদের উপর ৫ বছর শরিয়াহ আইন পরীক্ষামূলক ভাবে জারি করার চেষ্টা করা হয় তবে হুজুররাই শরিয়াহ আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় আন্দোলনে নামবে।আফগানিস্তানে হানাফি তালেবানরা ক্ষমতায় এসেই শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা করে প্রথমেই সালাফি আকিদার কয়েক শত মসজিদ ও মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছে। সালাফি আকিদার মানুষদের মসজিদে নামাজ পড়তে দিচ্ছে না, হত্যা করেছে প্রায় ছয় শত সালাফি আলেমকে। বাংলাদেশে আবার সালাফিরা
হানাফি মসজিদে হামলা চালিয়ে ফ্যান, এসি, টাইলস খুলে নিয়ে গেছে। এক মসজিদের ইমাম, যিনি হানাফি মাজহাবের অনুসারী ছিলেন, তাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরেই ফেলা হয়েছে। ধর্ম উপদেষ্টা আহলে হাদীস-সালাফি, প্রশাসনেও এখন প্রচুর ওহাবি রয়েছে। তাই ওই মসজিদের ইমাম হত্যায় থানায় মামলা পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। কেন মামলা নেওয়া হচ্ছে না—এই অভিযোগে সুন্নিরা সড়ক অবরোধ করতে এলে তাদের পুলিশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে আহলে হাদীস
মাদ্রাসার ছাত্ররাও।যে কোনো এক আকিদার হুজুরেরা যদি ক্ষমতায় যায়, তাহলে শরিয়াহর মাধ্যমে অন্য সব আকিদার মুসলিমদের ‘কাফের’ ঘোষণা করে কচুকাটা করবে। এদের নিজেদের মধ্যেই যে কী পরিমাণ অন্তঃকোন্দল, তা যারা ইসলামের ইতিহাস পড়েনি তারা জানে না। তাই হুজুররা চায় না, তাদের উপর গণতান্ত্রিক সরকার পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচ বছরের জন্য শরিয়াহ আইন জারি রাখুক। কারণ, এরা নিজেরাও শরিয়াহ চায় না—এরা চায় শরিয়াহর নামে অবাধ ক্ষমতা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত