ইতালি ব্যুরো : রোববার বিকেলে যুদ্ধ ও বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের ব্যানারে ইতালির ভেনিসের স্ত্রাদা নুওভায় অনুষ্ঠিত হয় এক বিক্ষোভ সমাবেশ। গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসন, রুদ্ধ মানবিক সাহায্য প্রবাহ এবং দুর্ভিক্ষে শিশুদের করুণ মৃত্যুর প্রতিবাদে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে স্থানীয় বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, শান্তিকামী নাগরিক এবং অভিবাসী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, আমরা লজ্জিত- ২০২৫ সালের এই আধুনিক সভ্যতায় এমন বর্বরতা চলছে, যেখানে শিশুরা খাবার না পেয়ে মরছে, আর বিশ্ব বসে বসে দেখছে!
বক্তারা বলেন, আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যার সরকার ইসরাইলের উপর কোনো কার্যকর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে না। নাগরিক হিসেবে এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক।
সমাবেশ থেকে বক্তারা জানান, ইসরাইলের বিরুদ্ধে যতই প্রতিবাদ হোক, যতই কথা বলা হোক- ইউরোপের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো নীরব। এই নীরবতা শুধু হতাশাজনক নয়, এটি মানবতা বিরোধীও বটে।
বিক্ষোভ থেকে ইসরাইলি সকল পণ্য এবং যুদ্ধ অর্থায়নে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পন্য বয়কটের ডাক দেয়া হয়। উপস্থিত মানুষের মাঝে বয়কট আই.ও (Boycott.io) নামের একটি অ্যাপের লিফলেট বিতরণ করা হয়, যা থেকে ইসরাইলি পণ্য ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা যায়।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট করে দেন- যতদিন গাজায় আগ্রাসন চলবে, যতদিন একটি শিশুও ক্ষুধায় মারা যাবে, ততদিন এই বিক্ষোভ থামবে না।
সমাবেশে উপস্থিত বহু মানুষ প্যালেস্টাইনের পতাকা হাতে, গলায় ঐতিহ্যবাহী কুফিয়া রুমাল বেঁধে সংহতি প্রকাশ করেন। কারও হাতে ছিলো গাজার ধ্বংসস্তূপের ছবি। মৃতপ্রায় শিশুর ছবি। যা যেকোনো সচেতন মানুষের হৃদয়ে না দেয়।
উল্লেখযোগ্য ছিলো শত শত পর্যটকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। তারা করতালি দিয়ে সংহতি জানান।
সমাবেশের আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যত বিক্ষোভের সময় ও স্থান জানতে আন্দোলনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
গাজার দিকে বাড়ানো প্রতিটি করতালি, প্রতিটি পোস্টার, প্রতিটি অশ্রু যেন পৃথিবীর বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়ার এক নীরব চিৎকার। ভেনিসের বাতাসে রোববার বিকেলে যেন ভেসে বেড়াচ্ছিল গাজার শিশুদের কান্না- আর তার জবাবে একদল মানুষের প্রতিজ্ঞা, আমরা নীরব থাকবো না।
সমাবেশে স্থানীয় বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, শান্তিকামী নাগরিক এবং অভিবাসী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, আমরা লজ্জিত- ২০২৫ সালের এই আধুনিক সভ্যতায় এমন বর্বরতা চলছে, যেখানে শিশুরা খাবার না পেয়ে মরছে, আর বিশ্ব বসে বসে দেখছে!
বক্তারা বলেন, আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যার সরকার ইসরাইলের উপর কোনো কার্যকর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে না। নাগরিক হিসেবে এটি আমাদের জন্য লজ্জাজনক।
সমাবেশ থেকে বক্তারা জানান, ইসরাইলের বিরুদ্ধে যতই প্রতিবাদ হোক, যতই কথা বলা হোক- ইউরোপের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো নীরব। এই নীরবতা শুধু হতাশাজনক নয়, এটি মানবতা বিরোধীও বটে।
বিক্ষোভ থেকে ইসরাইলি সকল পণ্য এবং যুদ্ধ অর্থায়নে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পন্য বয়কটের ডাক দেয়া হয়। উপস্থিত মানুষের মাঝে বয়কট আই.ও (Boycott.io) নামের একটি অ্যাপের লিফলেট বিতরণ করা হয়, যা থেকে ইসরাইলি পণ্য ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা যায়।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট করে দেন- যতদিন গাজায় আগ্রাসন চলবে, যতদিন একটি শিশুও ক্ষুধায় মারা যাবে, ততদিন এই বিক্ষোভ থামবে না।
সমাবেশে উপস্থিত বহু মানুষ প্যালেস্টাইনের পতাকা হাতে, গলায় ঐতিহ্যবাহী কুফিয়া রুমাল বেঁধে সংহতি প্রকাশ করেন। কারও হাতে ছিলো গাজার ধ্বংসস্তূপের ছবি। মৃতপ্রায় শিশুর ছবি। যা যেকোনো সচেতন মানুষের হৃদয়ে না দেয়।
উল্লেখযোগ্য ছিলো শত শত পর্যটকের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। তারা করতালি দিয়ে সংহতি জানান।
সমাবেশের আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যত বিক্ষোভের সময় ও স্থান জানতে আন্দোলনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ অনুসরণ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।
গাজার দিকে বাড়ানো প্রতিটি করতালি, প্রতিটি পোস্টার, প্রতিটি অশ্রু যেন পৃথিবীর বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়ার এক নীরব চিৎকার। ভেনিসের বাতাসে রোববার বিকেলে যেন ভেসে বেড়াচ্ছিল গাজার শিশুদের কান্না- আর তার জবাবে একদল মানুষের প্রতিজ্ঞা, আমরা নীরব থাকবো না।