পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)।
মঙ্গলবার নির্বাচনী সংস্থা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) অবমাননার মামলায় তার বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা জারি করা হয়। একই মামলায় পাকিস্তানের সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। খবর ডন নিউজের
গত বছর দেশটির নির্বাচন কমিশন ও সিইসির বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে পিটিআই প্রধানসহ দলটির সাবেক মহাসচিব আসাদ উমর ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করে ইসিপি।
পরে ইসিপি সদস্য নিসার দুররানির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের বেঞ্চে হাজির হয়ে ইমরান খান ও অন্যদের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পিটিআই নেতারা ইসিপির বেঞ্চে হাজির হননি। উল্টো উচ্চ আদালতে নির্বাচন আইন-২০১৭ এর ১০ ধারার আওতায় ইসিপির অবমাননার মামলা করার ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করেন পিটিআই নেতারা।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইমরান খান, ফাওয়াদ ও উমরের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইসিপিকে অনুমতি দেন সুপ্রিম কোর্ট।
পরে গত ২১ জুন নির্বাচন কমিশন ও সিইসিকে অবমাননার মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলার কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন পেলেও ইসিপিকে চূড়ান্ত রায় ঘোষণার ক্ষমতা দেননি দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।
এদিন শুনানিতে ইমরান, ফাওয়াদ ও উমরকে তলব করা হলেও তারা কমিশনের সামনে হাজির হননি।
উমরের আইনজীবীর সহকারী ইসিপিকে জানান, উমরকে আরও একটি মামলায় অংশ নিতে হবে ও একটি মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট রয়েছে- এ জন্য ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি চান তিনি। নির্বাচন কমিশন আবেদন গ্রহণ করে আইনজীবীকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরে ইসিপি ফাওয়াদ ও ইমরানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং মামলার শুনানি ২৫ জুলাই পর্যন্ত মূলতবি ঘোষণা করেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে হাইকোর্টের সমপরিমাণ ক্ষমতা দেওয়া হয় পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনকে। এতে যেকোনো রাজনৈতিক নেতা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা পায় নির্বাচন কমিশন।
ইমরানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা
ইমরানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)।মঙ্গলবার নির্বাচনী সংস্থা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) অবমাননার মামলায় তার বিরুদ্ধে এ পরোয়ানা জারি করা হয়। একই মামলায় পাকিস্তানের সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। খবর ডন নিউজেরগত বছর দেশটির নির্বাচন কমিশন ও সিইসির বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে পিটিআই প্রধানসহ দলটির সাবেক মহাসচিব আসাদ উমর ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাওয়াদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করে ইসিপি।পরে ইসিপি সদস্য নিসার দুররানির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের বেঞ্চে হাজির হয়ে ইমরান খান ও অন্যদের অভিযোগের
বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পিটিআই নেতারা ইসিপির বেঞ্চে হাজির হননি। উল্টো উচ্চ আদালতে নির্বাচন আইন-২০১৭ এর ১০ ধারার আওতায় ইসিপির অবমাননার মামলা করার ক্ষমতা চ্যালেঞ্জ করেন পিটিআই নেতারা।চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইমরান খান, ফাওয়াদ ও উমরের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইসিপিকে অনুমতি দেন সুপ্রিম কোর্ট।পরে গত ২১ জুন নির্বাচন কমিশন ও সিইসিকে অবমাননার মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলার কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন পেলেও ইসিপিকে চূড়ান্ত রায় ঘোষণার ক্ষমতা দেননি দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।এদিন শুনানিতে ইমরান, ফাওয়াদ ও উমরকে তলব করা হলেও তারা কমিশনের সামনে
হাজির হননি।উমরের আইনজীবীর সহকারী ইসিপিকে জানান, উমরকে আরও একটি মামলায় অংশ নিতে হবে ও একটি মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট রয়েছে- এ জন্য ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি চান তিনি। নির্বাচন কমিশন আবেদন গ্রহণ করে আইনজীবীকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।পরে ইসিপি ফাওয়াদ ও ইমরানের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং মামলার শুনানি ২৫ জুলাই পর্যন্ত মূলতবি ঘোষণা করেন।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে হাইকোর্টের সমপরিমাণ ক্ষমতা দেওয়া হয় পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনকে। এতে যেকোনো রাজনৈতিক নেতা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা পায় নির্বাচন কমিশন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত