রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জাতীয় ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বেনাপোল স্থল বন্দরে রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ১৫০ কোটি টাকা

ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বেনাপোল স্থল বন্দরে রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ১৫০ কোটি টাকা

আনোয়ার হোসেন - নিজস্ব প্রতিনিধি::


ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে গত পাঁচ দিনে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এর ফলে এই বেনাপোল স্থলবন্দরে রাজস্ব ঘাটতি হতেপারে  ১৫০ কোটি টাকা।সার্ভার বিকল থাকায় ২০গত শে জুলাই থেকে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় বাংলাদেশ  ভারত সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে আটকে পড়েছিল শত শত পণ্যবাহী ট্রাক।

গতকাল রবিবার (২৮শে জুলাই) বেনাপোল সি এন্ড এফ এজেন্ট এ্যসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু এ তথ্য জানান।

গত বৃহস্পতিবার (২৫শে জুলাই) ইন্টারনেট সেবা চালু হলে ভারতের পেট্রাপোল  বন্দর থেকে পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করতে শুরু করে।যাহার ফলে বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু হয়েছে। 

ভারত থেকে পণ্য নিয়ে আসা ট্রাকচালক শ্রী তপন কুমার বিস্বাষ বলেন, ‘ইন্টারনেট চালু হওয়ায় বেনাপোল স্হল বন্দরে পণ্য নিয়ে প্রবেশ করতে পেরেছি। গত পাঁচ দিনে এই বেনাপোল বন্দরে আসার অপেক্ষায় কয়েক হাজার হাজার ট্রাক ওপারে পেট্রাপোল বন্দরে দাঁড়িয়ে ছিল।

বেনাপোল সি এন্ড এফ ব্যবসায়ীরা জানান, সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট সচল হওয়ায় আটকে থাকা পণ্য বন্দর থেকে খালাস হতে শুরু করেছে। তবে কাজে খুব ধীরগতি। ইন্টারনেট স্বাভাবিক না হলে বাণিজ্য পুরোদমে চালু হওয়ার কোন সুযোগ নাই।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মতিয়ার রহমান জানান, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৫০০থেকে ৬০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি এবং ২০০ ট্রাক পণ্য ভারতে রফতানি হয়ে থাকে। আমদানি পণ্য থেকে দিনে সরকারের রাজস্ব আসে ৩০ কোটি টাকার মতো। গত পাঁচ দিন আমদানি বন্ধ থাকায় প্রায় ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার।


আমদানিকারক রুনা জানান, গত পাঁচ দিনে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। জরুরি কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ থাকায় শিল্প কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। বেকার হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। অনেকের ধারণা, এতে ক্ষতি ১০০ কোটির বেশি হবে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় সার্ভার বিকল ছিলো বলে। এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। এতে বন্দরের স্বাভাবিক বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছিল। ইন্টারনেট চালু হওয়ায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানান

খুঁজুন