ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য খোরাসানে একটি কয়লার খনিতে
গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন।
স্থানীয় সময় শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, রাজধানী তেহরান থেকে ৫৪০ কিলোমিটার
দূরত্বের এই খনিতে বিস্ফোরণের সময় ৬৯ জন কর্মী কাজ করছিলেন। শনিবার স্থানীয় সময়
রাত ৯টার দিকে ওই খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
খনির বি এবং সি ব্লকে মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণের ঘটনা
ঘটেছে। খনিটি মাদানজু কোম্পানি পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে। খনির ভেতরে এখনো বেশ
কয়েকজন শ্রমিক আটকে আছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ঘটনাস্থল পরিদর্শন
করেছেন। তিনি আটকে পড়াদের উদ্ধার ও তাদের পরিবারকে সহায়তার জন্য সব ধরনের
প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
ইরানের খনিগুলো থেকে প্রতি বছর
১৮ লাখ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু খনি এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও
জরুরি পরিষেবা না থাকায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে। ২০১৩ সালে দুটি পৃথক
খনি দুর্ঘটনায় ১১ জন শ্রমিক নিহত হন। ২০০৯ সালে বিভিন্ন ঘটনায় ২০ জন শ্রমিক নিহত
হন। ২০১৭ সালে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছিল।
ইরানের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩০ শ্রমিক নিহত
ইরানের কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩০ শ্রমিক নিহত
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য খোরাসানে একটি কয়লার খনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন।স্থানীয় সময় শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।খবরে বলা হয়, রাজধানী তেহরান থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দূরত্বের এই খনিতে বিস্ফোরণের সময় ৬৯ জন কর্মী কাজ করছিলেন। শনিবার স্থানীয় সময় রাত
৯টার দিকে ওই খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।খনির বি এবং সি ব্লকে মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। খনিটি মাদানজু কোম্পানি পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে। খনির ভেতরে এখনো বেশ কয়েকজন শ্রমিক আটকে আছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি আটকে পড়াদের উদ্ধার ও তাদের পরিবারকে সহায়তার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের খনিগুলো
থেকে প্রতি বছর ১৮ লাখ টন কয়লা উত্তোলন করা হয়। কিন্তু খনি এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবা না থাকায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে। ২০১৩ সালে দুটি পৃথক খনি দুর্ঘটনায় ১১ জন শ্রমিক নিহত হন। ২০০৯ সালে বিভিন্ন ঘটনায় ২০ জন শ্রমিক নিহত হন। ২০১৭ সালে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে অন্তত ৪২ জন নিহত হয়েছিল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত