গাজায় চলমান
ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে জাতিসংঘের অন্তত ২৯ জন কর্মী নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি
শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) স্থানীয় সময়
রোববার এই তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স(সাবেক টুইটার)-এ
বলেছেন, ‘গত ৭ অক্টোবর
থেকে গাজায় আমাদের ২৯ সহকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি এখন নিশ্চিত।
আরো বলা
হয়, ‘আমরা শোকাহত এবং শোকে আছি। আমরা একে অপরের পাশে আছি এবং পরিবারগুলোর
সঙ্গে আমরাও শোকাহত।’ হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর সংঘাত
শুরু হয়। আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিশোধ
হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে হামাস জানিয়েছিল।
এরপর
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে অপারেশন ‘সোর্ডস
অব আয়রন’ শুরু করে। ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং অবরোধের কারণে গাজায়
সংঘাত শুরু হয়েছিল। এই সংঘাতে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এক হাজার ৮৭৩ শিশু এবং এক হাজার
২৩ জন নারীসহ কমপক্ষে ৪ হাজার ৬৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ইসরায়েলে এক হাজার
৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে।
জাতিসংঘের
সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের স্কুলে হামলা চালিয়ে ১২ জন বেসামরিক এবং বাস্তুচ্যুত
মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এছাড়া হামলায় ইউএনআরডব্লিউএ এর ৩৮টি স্থাপনা
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউএনআরডব্লিউএ
সতর্ক করেছে যে, গাজায় তাদের জ্বালানি সরবরাহ তিন দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।
ইউএনআরডব্লি
উএ প্রধান ফিলিপ লাজারিনি বলেন, 'জ্বালানি ছাড়া পানি থাকবে না, কোনো কার্যকরী
হাসপাতাল ও বেকারি থাকবে না। জ্বালানি ছাড়া মারাত্মক সংকটে থাকা হাজার হাজার
মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছাবে না। জ্বালানি ছাড়া, কোন মানবিক সহায়তা দেওয়া যাবে
না।
সংস্থাটি
জানিয়েছে, রাফাহ ক্রসিং পয়েন্টে একটি টার্মিনাল থেকে ছয় ট্রাক জ্বালানি সংগ্রহ
করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু সেটি গাজার প্রায় ২৪ লাখ বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চাহিদা
মেটানোর জন্য খুবই কম।
রোববার
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলের হামলার ফলে গাজায় অন্তত ৪,৭৪১
জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ১৫ হাজার ৮৯৮ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় জাতিসংঘের ২৯ কর্মী নিহত
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় জাতিসংঘের ২৯ কর্মী নিহত
গাজায় চলমান ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে জাতিসংঘের অন্তত ২৯ জন কর্মী নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) স্থানীয় সময় রোববার এই তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স(সাবেক টুইটার)-এ বলেছেন, ‘গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় আমাদের ২৯ সহকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি এখন নিশ্চিত।আরো বলা হয়, ‘আমরা শোকাহত এবং শোকে আছি। আমরা একে অপরের পাশে আছি এবং পরিবারগুলোর সঙ্গে আমরাও শোকাহত।’ হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর সংঘাত শুরু হয়। আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে হামাস জানিয়েছিল।এরপর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী
গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুগুলোর বিরুদ্ধে অপারেশন ‘সোর্ডস অব আয়রন’ শুরু করে। ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং অবরোধের কারণে গাজায় সংঘাত শুরু হয়েছিল। এই সংঘাতে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এক হাজার ৮৭৩ শিশু এবং এক হাজার ২৩ জন নারীসহ কমপক্ষে ৪ হাজার ৬৫১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং ইসরায়েলে এক হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে।জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের স্কুলে হামলা চালিয়ে ১২ জন বেসামরিক এবং বাস্তুচ্যুত মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এছাড়া হামলায় ইউএনআরডব্লিউএ এর ৩৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ইউএনআরডব্লিউএ সতর্ক করেছে যে, গাজায় তাদের জ্বালানি সরবরাহ তিন দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।ইউএনআরডব্লি উএ প্রধান
ফিলিপ লাজারিনি বলেন, 'জ্বালানি ছাড়া পানি থাকবে না, কোনো কার্যকরী হাসপাতাল ও বেকারি থাকবে না। জ্বালানি ছাড়া মারাত্মক সংকটে থাকা হাজার হাজার মানুষের কাছে সাহায্য পৌঁছাবে না। জ্বালানি ছাড়া, কোন মানবিক সহায়তা দেওয়া যাবে না।সংস্থাটি জানিয়েছে, রাফাহ ক্রসিং পয়েন্টে একটি টার্মিনাল থেকে ছয় ট্রাক জ্বালানি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু সেটি গাজার প্রায় ২৪ লাখ বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য খুবই কম। রোববার ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলের হামলার ফলে গাজায় অন্তত ৪,৭৪১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ১৫ হাজার ৮৯৮ জন আহত হয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত