মোঃ মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জঃ
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় এলংজুরী ইউনিয়নে প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৭ আগস্ট) আনুমানিক সারে বারোটা দিকে উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.বি.এম রবিউল্লাহ উপর হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলার অভিযোগ উঠেছে এলংজুরী ইউনিয়নের মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে আবদুল হায়ের ছোট ভাই রাসেল(২৭) মিয়ার উপর।
প্রধান শিক্ষক এ.বি.এম রবিউল্লাহ জানান, আনুমানিক সারে বারোটা দিকে একটি ছেলে টেটা নিয়ে দৌড়ে এসে অতর্কিতভাবে আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তিনি হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে বাম হাতে জখম হয়েছেন। প্রধান শিক্ষকের চিৎকার চেঁচামেচি শব্দ শুনে স্কুলের সহঃ শিক্ষক বৃন্দ এসে রাসেল মিয়া কে সরিয়ে নেন।
রাসের মিয়ার বড় ভাই আব্দুল হায়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার ছোট ভাই রাসেলের একটু মানসিক সমস্যা আছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট করে ড্রেজারের দুইজন লোককে ধরে নিয়ে গেলে রাসেল একটু চিল্লাচিল্লি শুরু করে। তখন আমরা তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে দৌড়ানি দেই। রাসেল দৌড়ে স্কুলের মাঠে গেলে প্রধান শিক্ষক তার হাতে থাকা টেটাটি নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে, তখন হয়তো অসাবধানবশত জঘম হতে পারে। ঘটনার পর পুলিশ আসলে আমরা থাকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেই।
থানায় যোগাযোগ করলে জানানো হয়, শিক্ষক হামলার ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইটনায় প্রধান শিক্ষকের উপর হামলার অভিযোগ
ইটনায় প্রধান শিক্ষকের উপর হামলার অভিযোগ
মোঃ মুজাহিদ সরকার কিশোরগঞ্জঃকিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় এলংজুরী ইউনিয়নে প্রধান শিক্ষকের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৭ আগস্ট) আনুমানিক সারে বারোটা দিকে উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.বি.এম রবিউল্লাহ উপর হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলার অভিযোগ উঠেছে এলংজুরী ইউনিয়নের মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে আবদুল হায়ের ছোট ভাই রাসেল(২৭) মিয়ার উপর। প্রধান শিক্ষক এ.বি.এম রবিউল্লাহ জানান, আনুমানিক সারে বারোটা দিকে একটি ছেলে টেটা নিয়ে দৌড়ে
এসে অতর্কিতভাবে আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তিনি হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে বাম হাতে জখম হয়েছেন। প্রধান শিক্ষকের চিৎকার চেঁচামেচি শব্দ শুনে স্কুলের সহঃ শিক্ষক বৃন্দ এসে রাসেল মিয়া কে সরিয়ে নেন। রাসের মিয়ার বড় ভাই আব্দুল হায়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার ছোট ভাই রাসেলের একটু মানসিক সমস্যা আছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন মোবাইল কোর্ট করে ড্রেজারের দুইজন লোককে ধরে নিয়ে গেলে রাসেল
একটু চিল্লাচিল্লি শুরু করে। তখন আমরা তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে দৌড়ানি দেই। রাসেল দৌড়ে স্কুলের মাঠে গেলে প্রধান শিক্ষক তার হাতে থাকা টেটাটি নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে, তখন হয়তো অসাবধানবশত জঘম হতে পারে। ঘটনার পর পুলিশ আসলে আমরা থাকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেই। থানায় যোগাযোগ করলে জানানো হয়, শিক্ষক হামলার ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত