মুজাহিদ সরকারঃ
অবিরাম বর্ষন আর উজানের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরের নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি প্রবেশ করছে প্রায়ই চার থেকে পাঁচ হাজার ঘরে। তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, নলকূপগুলো তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট এরিমধ্য দেখা দিয়েছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায় ৯ টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া গ্রামের মানুষ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী গ্রামের উচ্চ স্থানে এবং স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাইমারি বিদ্যালয়ে।
ইটনা উপজেলার ৩ নং মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দারুল ইসলাম কে দেখা গিয়েছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের জন্য নিজ অর্থায়নে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন।
আজ ২০ জুন রোজ সোমবার লাইমপাশা পূর্ব গ্রাম থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের মধ্যে তিনি খাবার বিতরণ করেন। তখন উপস্থিত ছিলেন ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন, আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দারুল ইসলাম জানান, তিনি গত তিনদিন ধরে নিজ অর্থায়নে নৌকা করে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন এবং তাদেরকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও জানান, এই পর্যন্ত ৭০০ থেকে ৯০০ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করতে পেরেছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে সবাইকে সাহায্য করতে পারবেন।
ইটনায় শুকনা খাবার নিয়ে বন্যায় প্লাবিত বাড়িতে ইউপি চেয়ারম্যান
ইটনায় শুকনা খাবার নিয়ে বন্যায় প্লাবিত বাড়িতে ইউপি চেয়ারম্যান
মুজাহিদ সরকারঃ অবিরাম বর্ষন আর উজানের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরের নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যায় প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি প্রবেশ করছে প্রায়ই চার থেকে পাঁচ হাজার ঘরে। তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, নলকূপগুলো তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট এরিমধ্য দেখা দিয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলায় ৯ টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে যাওয়া গ্রামের মানুষ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী গ্রামের উচ্চ স্থানে এবং স্থানীয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং প্রাইমারি
বিদ্যালয়ে।ইটনা উপজেলার ৩ নং মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ দারুল ইসলাম কে দেখা গিয়েছে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের জন্য নিজ অর্থায়নে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন। আজ ২০ জুন রোজ সোমবার লাইমপাশা পূর্ব গ্রাম থেকে আনন্দবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের মধ্যে তিনি খাবার বিতরণ করেন। তখন উপস্থিত ছিলেন ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন
এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলী হোসেন, আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মৃগা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দারুল ইসলাম জানান, তিনি গত তিনদিন ধরে নিজ অর্থায়নে নৌকা করে বন্যায় তলিয়ে যাওয়া মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুকনা খাবার বিতরণ করছেন এবং তাদেরকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি আরও জানান, এই পর্যন্ত ৭০০ থেকে ৯০০ পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ করতে পেরেছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে সবাইকে সাহায্য করতে পারবেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত