‘মাত্রোস পোজনিখ’ নামে রাশিয়ার একটি জাহাজ সিরিয়ার লাটাকিয়া বন্দরে গেছে। স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে এমনটি দেখা গেছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
পশ্চিমা গণমাধ্যমটি বলছে, ধারণা করা হচ্ছে যে, ইউক্রেন থেকে ‘শস্য চুরি করে’ সেগুলো সিরিয়াতে নিয়ে গেছে রুশ জাহাজটি। কারণ ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, রাশিয়া তাদের ৪ লাখ টন শস্য চুরি করে নিয়ে গেছে।
গত চার সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মাত্রোস পোজনিখ সিরিয়াতে গেছে। মাত্রোস পোজনিখ অন্যতম একটি জাহাজ, যেটি ইউক্রেনে রামিয়া হামলা করার পর থেকে ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোল বন্দর থেকে শস্য বোঝাই করার কাজ করছে। এ জাহাজটি এক সঙ্গে ৩০ হাজার টন শস্য বহন করতে পারে।
সর্বশেষ জাহাজটিকে সেভাস্তোপোল বন্দরে দেখা যায় ১৯ মে। পরবর্তীতে এটিকে বসফরাস প্রণালী ও তুরস্কের দক্ষিণ দিক দিয়ে যেতে দেখা যায়।
মাত্রোস পোজনিখ জাহাজটির সঙ্গে আরও যে জাহাজগুলো আছে, সেগুলোও ইউক্রেন থেকে শস্য নেওয়ার কাজ করছে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, খামার ও শস্য ভাণ্ডার থেকে সারি সারি ট্রাক শস্য নিয়ে ক্রিমিয়ায় গেছে। রাশিয়ার জন্য শস্য একটি মূল্যবান জিনিস। বিশ্বে এখন প্রতি টন গমের মূল্য ৪০০ ডলার এবং এ বছর এটি আরও বেড়েছে।
ইউক্রেন থেকে ‘শস্য চুরি
ইউক্রেন থেকে ‘শস্য চুরি
‘মাত্রোস পোজনিখ’ নামে রাশিয়ার একটি জাহাজ সিরিয়ার লাটাকিয়া বন্দরে গেছে। স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে এমনটি দেখা গেছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।পশ্চিমা গণমাধ্যমটি বলছে, ধারণা করা হচ্ছে যে, ইউক্রেন থেকে ‘শস্য চুরি করে’ সেগুলো সিরিয়াতে নিয়ে গেছে রুশ জাহাজটি। কারণ ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, রাশিয়া তাদের ৪ লাখ টন শস্য চুরি করে নিয়ে
গেছে।গত চার সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মাত্রোস পোজনিখ সিরিয়াতে গেছে। মাত্রোস পোজনিখ অন্যতম একটি জাহাজ, যেটি ইউক্রেনে রামিয়া হামলা করার পর থেকে ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোল বন্দর থেকে শস্য বোঝাই করার কাজ করছে। এ জাহাজটি এক সঙ্গে ৩০ হাজার টন শস্য বহন করতে পারে।সর্বশেষ জাহাজটিকে সেভাস্তোপোল বন্দরে দেখা যায় ১৯ মে। পরবর্তীতে এটিকে বসফরাস প্রণালী ও তুরস্কের দক্ষিণ
দিক দিয়ে যেতে দেখা যায়।মাত্রোস পোজনিখ জাহাজটির সঙ্গে আরও যে জাহাজগুলো আছে, সেগুলোও ইউক্রেন থেকে শস্য নেওয়ার কাজ করছে।সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, খামার ও শস্য ভাণ্ডার থেকে সারি সারি ট্রাক শস্য নিয়ে ক্রিমিয়ায় গেছে। রাশিয়ার জন্য শস্য একটি মূল্যবান জিনিস। বিশ্বে এখন প্রতি টন গমের মূল্য ৪০০ ডলার এবং এ বছর এটি আরও বেড়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত