জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বুধবার
(২২ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন। দেশটিতে
মস্কোর হামলা বার্ষিকীর দুই দিন আগে সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশন চলাকালে
তিনি এ নিন্দা জানান। খবর এএফপি’র।
হামলার এ বার্ষিকীকে ‘ইউক্রেনের জনগণ এবং
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি ভয়ঙ্কর মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে
গুতেরেস বলেন, ‘রাশিয়ার এমন আগ্রাসন আমাদের সামষ্টিক বিবেকের প্রতি
অবমাননা।’
ইউক্রেনে যুদ্ধ চলতে থাকায় সাধারণ পরিষদ
কিয়েভ এবং তাদের মিত্রদের সমর্থনে একটি ‘ন্যায় ও স্থায়ী শান্তির’ আহ্বান
জানিয়ে প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরু করেছে। কয়েক ডজন দেশের পৃষ্টপোষকতায় এ
প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এতে জাতিসংঘ সনদের নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে
ইউক্রেনে যত দ্রুত সম্ভব বিস্তৃত, ন্যায্য এবং স্থায়ী শান্তিতে পৌঁছানোর
প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়া হয়েছে।
জাতিসংঘ ‘ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা,
ঐক্য এবং আঞ্চলিক অখ-তার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুন:নিশ্চিত করে অবিলম্বে
শত্রুতা বন্ধ করারও আহ্বান জানায়।
আন্তর্জাতিক এ সংস্থা রাশিয়াকে ‘অবিলম্বে,
সম্পূর্ণরূপে এবং নি:শর্তভাবে ইউক্রেনের ভূখ- থেকে সামরিক বাহিনী
প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
সূচনা বক্তব্যে গুতেরেস রাশিয়ার প্রতিবেশি
দেশ ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মস্কোর আক্রমণে সারাবিশ্বে যে
প্রভাব পড়ে তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ হামলায় প্রায় ৮০ লাখ মানুষ শরণার্থী
হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।
গুতেরেস বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকে বলছি যে
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা আমাদের বহুমাত্রিক ব্যবস্থার মূল নীতি এবং
মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
সূত্র: বাসস
ইউক্রেনে রাশিয়া আগ্রাসনে জাতিসংঘের নিন্দা
ইউক্রেনে রাশিয়া আগ্রাসনে জাতিসংঘের নিন্দা
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন। দেশটিতে মস্কোর হামলা বার্ষিকীর দুই দিন আগে সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশন চলাকালে তিনি এ নিন্দা জানান। খবর এএফপি’র। হামলার এ বার্ষিকীকে ‘ইউক্রেনের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি ভয়ঙ্কর মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে গুতেরেস বলেন, ‘রাশিয়ার এমন আগ্রাসন আমাদের সামষ্টিক বিবেকের প্রতি অবমাননা।’ ইউক্রেনে যুদ্ধ চলতে থাকায় সাধারণ পরিষদ কিয়েভ এবং তাদের মিত্রদের সমর্থনে একটি ‘ন্যায় ও স্থায়ী
শান্তির’ আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরু করেছে। কয়েক ডজন দেশের পৃষ্টপোষকতায় এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এতে জাতিসংঘ সনদের নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইউক্রেনে যত দ্রুত সম্ভব বিস্তৃত, ন্যায্য এবং স্থায়ী শান্তিতে পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়া হয়েছে। জাতিসংঘ ‘ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ঐক্য এবং আঞ্চলিক অখ-তার প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুন:নিশ্চিত করে অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধ করারও আহ্বান জানায়। আন্তর্জাতিক এ সংস্থা রাশিয়াকে ‘অবিলম্বে, সম্পূর্ণরূপে এবং নি:শর্তভাবে ইউক্রেনের ভূখ- থেকে সামরিক
বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সূচনা বক্তব্যে গুতেরেস রাশিয়ার প্রতিবেশি দেশ ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মস্কোর আক্রমণে সারাবিশ্বে যে প্রভাব পড়ে তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ হামলায় প্রায় ৮০ লাখ মানুষ শরণার্থী হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ক্ষতির মুখে পড়েছে। গুতেরেস বলেন, ‘আমি প্রথম দিন থেকে বলছি যে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা আমাদের বহুমাত্রিক ব্যবস্থার মূল নীতি এবং মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। সূত্র: বাসস
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত