স্টাফ রিপোর্টার: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের পাহাড় সমান দূর্নীতির পরও হাটুর জোড় কোথায়? বর্তমান সরকারের জাতীয় পরিচয় পত্র স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দূর্নীতির পাহাড় সমান অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নির্বাচন কমিশন অফিসের অফিস সহায়ক নুরুল ইসলামসহ এর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
২৪ ডিসেম্বর শনিবার টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন ভাটেরচর মাধ্যমিক স্কুলে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কালে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ আসতে থাকে। তার উপর ভিত্তি করে অনুসন্ধানে গেলে দেখতে পাই, নুরুল ইসলাম সাধারন মানুষ থেকে ৫০০/৪০০/৩৫০/৩০০/২০০/১০০ যার কাছ থেকে যত পারছে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
যেখানে সরকার কর্তৃক নির্দেশনা আছে যাদের কার্ড হারিয়ে গেছে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৪৫ টাকা জমা দিয়ে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করবে। সেখানে নুরুল ইসলাম কোনো প্রকার ব্যাংক রশিদ ছাড়াই মানুষের কাছ থেকে দূর্নীতির মাধ্যমে টাকা নিয়ে নিজেদের পকেট ভারি করছে। যার একাধিক প্রমাণও পেয়েছি,আর এ কাজে নুরুল ইসলাম গংদের সহায়তা করছে টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজির লোকজন। এক কথায় স্মার্ট কার্ড বিতরনে নির্বাচন কমিশন থেকে নুরুল ইসলাম সহ যারা আসছে তারা এবং চেয়ারম্যান এর সন্ত্রাসী লাঠিয়াল গ্রুপের যোগসাজশে এ দূর্নীতি হয়েছে।
দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এবং একুশে সংবাদ পত্রিকার গজারিয়া প্রতিনিধি মোঃ খায়রুল ইসলাম (হৃদয়) সেখানে উপস্থিত হয়ে গোপনে তথ্য সংগ্রহ কালে নুরুল ইসলাম এবং চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজির সন্ত্রাসী বাহিনী একপর্যায়ে সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম (হৃদয়) এর উপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করে। তার সাংবাদিকতায় ব্যবহৃত ফোনটি ভিডিও চলাকালীন সময় হাত থেকে টেনে নিয়ে যায় চেয়ারম্যান এর সন্ত্রাসী গ্রুপ। পাশের রুমে চেয়ারম্যান এর ভাই আজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলো সেখানে আজিম কে বলার সাথে সাথেই তারা ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ভাষায় বকাঝকা করে,শরীরে ও হাত তুলে, ফোনে থাকা কিছু ভিডিও তারা ডিলিট করে দিয়ে ফোনটি দিয়ে দেয়। যেখানে চেয়ারম্যান জড়িত এরকম বক্তব্যটি ছিলো নুরুল ইসলাম এর।
প্রায় একঘন্টা পর,আরো কিছু প্রমান এর জন্য সেখানে থেকে দুটি লাইভ করেন দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল ইসলাম (হৃদয়)। সেখানে দেখা যায় টেংগারচর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মিরেরগাঁও গ্রামের সাধারণ নাগরিক বয়স্ক মহিলা আমেনা বেগমের নিকট থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে,ভুক্তভোগী আমেনা বেগম জানায় তাকে কোন ব্যাংক রশিদ দেয়নি নুরুল ইসলাম।
আর এক ভোক্তভোগী মিরেরগাঁও গ্রামের নাছিমা আক্তার এর নিকট থেকেও ৩০০ নিয়েছে নুরুল ইসলাম। বাজার ভাটেরচর গ্রামের ওসমান এর নিকট থেকে ৩৫০ টাকা নিয়েছে তবে তাকে একটি সাদা খোলা কাগজে একটি ব্যাংক ছিল দিয়েছে, যাতে নেই কোনো ব্যাংকের রিসিট কপি। যদি ও ৩০০ টাকা করে নিয়ে থাকে তাহলে বাকি ৪৫ টাকা সরকারি রাজস্ব বঞ্চিত করার এখতেহার নির্বাচন কমিশনের অফিস সহায়ক নুরুল ইসলামের নেই।
সকাল থেকেই সেখানে নাসিম মেম্বার,মোকাম্মেল মেম্বার, স্বপা মেম্বার ছাড়াও টেংগাচর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক মেম্বার উপস্থিত ছিল। তাদের চোখের সামনেই দূর্নীতি চলছে তারা দেখেও যেন দেখছেনা। তবে মোকাম্মেল মেম্বার বলেছিলো সাংবাদিক তো ভালো কাজ করছে এমন কিছু হলে তাকে সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব।
গত ২১ ও ২২ ডিসেম্বর একই ভাবে লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নুরুল ইসলাম। শুধু টেংগারচর ইউনিয়ন নয় গজারিয়ার সকল ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে নুরুল ইসলামের এর সিন্ডিকেট লক্ষ লক্ষ টাকা স্মার্ট কার্ড বিতরন এর নামে হাতিয়ে নিয়েছে। টেংগারচর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের জাবেদ হোসেন এর নিকট থেকেও ৩৫০ টাকা নিয়েছে দেয়নি তাকে কোনো রশিদ। টেংগারচর ৩,নং ওয়ার্ড এর আরেক বৃদ্ধ মহিলার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে তাকে ৩ঘন্টা হয়রানি করে স্মার্ট কার্ড দিয়েছে। এমন করে গজারিয়া উপজেলার কয়েক শতাধিক মানুষের নিকট ব্যাংক রশিদ ছাড়াই নিজেরা দূর্নীতির মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
নুরুল ইসলাম সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম হৃদয় কে ডেকে নিয়ে ম্যানেজ করতে না পেরে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
সেখান থেকেই নির্বাচন কমিশনার লিটনকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তাকে লাইনে পাওয়া যায়নি এবং চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান তিনি সকালে সেখানে উপস্থিত ছিল তখন তিনি তেমন কিছুই দেখেনি।
তিনি আরও বলেন সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনা তদন্ত করে দেখা হবে।
ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন দ্বারা সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি
ইউপি চেয়ারম্যানের লোকজন দ্বারা সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি
স্টাফ রিপোর্টার: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের পাহাড় সমান দূর্নীতির পরও হাটুর জোড় কোথায়? বর্তমান সরকারের জাতীয় পরিচয় পত্র স্মার্ট আইডি কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দূর্নীতির পাহাড় সমান অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নির্বাচন কমিশন অফিসের অফিস সহায়ক নুরুল ইসলামসহ এর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ২৪ ডিসেম্বর শনিবার টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন ভাটেরচর মাধ্যমিক স্কুলে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কালে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ আসতে থাকে। তার উপর ভিত্তি করে অনুসন্ধানে গেলে দেখতে পাই, নুরুল ইসলাম সাধারন মানুষ থেকে ৫০০/৪০০/৩৫০/৩০০/২০০/১০০ যার কাছ থেকে যত পারছে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।যেখানে সরকার কর্তৃক নির্দেশনা আছে যাদের কার্ড হারিয়ে গেছে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৪৫ টাকা জমা দিয়ে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করবে। সেখানে নুরুল ইসলাম কোনো প্রকার ব্যাংক রশিদ ছাড়াই মানুষের কাছ থেকে দূর্নীতির মাধ্যমে টাকা নিয়ে নিজেদের পকেট ভারি করছে। যার একাধিক প্রমাণও পেয়েছি,আর এ কাজে নুরুল ইসলাম গংদের সহায়তা করছে টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজির লোকজন। এক কথায় স্মার্ট কার্ড বিতরনে নির্বাচন কমিশন থেকে নুরুল ইসলাম সহ যারা আসছে তারা এবং চেয়ারম্যান এর সন্ত্রাসী লাঠিয়াল গ্রুপের যোগসাজশে এ দূর্নীতি হয়েছে।দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এবং একুশে সংবাদ পত্রিকার গজারিয়া প্রতিনিধি মোঃ খায়রুল ইসলাম (হৃদয়) সেখানে উপস্থিত হয়ে গোপনে তথ্য সংগ্রহ কালে নুরুল ইসলাম এবং
চেয়ারম্যান কামরুল হাসান ফরাজির সন্ত্রাসী বাহিনী একপর্যায়ে সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম (হৃদয়) এর উপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করে। তার সাংবাদিকতায় ব্যবহৃত ফোনটি ভিডিও চলাকালীন সময় হাত থেকে টেনে নিয়ে যায় চেয়ারম্যান এর সন্ত্রাসী গ্রুপ। পাশের রুমে চেয়ারম্যান এর ভাই আজিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলো সেখানে আজিম কে বলার সাথে সাথেই তারা ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ভাষায় বকাঝকা করে,শরীরে ও হাত তুলে, ফোনে থাকা কিছু ভিডিও তারা ডিলিট করে দিয়ে ফোনটি দিয়ে দেয়। যেখানে চেয়ারম্যান জড়িত এরকম বক্তব্যটি ছিলো নুরুল ইসলাম এর।প্রায় একঘন্টা পর,আরো কিছু প্রমান এর জন্য সেখানে থেকে দুটি লাইভ করেন দৈনিক বর্তমান দেশবাংলা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল ইসলাম (হৃদয়)। সেখানে দেখা যায় টেংগারচর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মিরেরগাঁও গ্রামের সাধারণ নাগরিক বয়স্ক মহিলা আমেনা বেগমের নিকট থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে,ভুক্তভোগী আমেনা বেগম জানায় তাকে কোন ব্যাংক রশিদ দেয়নি নুরুল ইসলাম।আর এক ভোক্তভোগী মিরেরগাঁও গ্রামের নাছিমা আক্তার এর নিকট থেকেও ৩০০ নিয়েছে নুরুল ইসলাম। বাজার ভাটেরচর গ্রামের ওসমান এর নিকট থেকে ৩৫০ টাকা নিয়েছে তবে তাকে একটি সাদা খোলা কাগজে একটি ব্যাংক ছিল দিয়েছে, যাতে নেই কোনো ব্যাংকের রিসিট কপি। যদি ও ৩০০ টাকা করে নিয়ে থাকে তাহলে বাকি ৪৫ টাকা সরকারি রাজস্ব বঞ্চিত করার এখতেহার নির্বাচন কমিশনের অফিস সহায়ক নুরুল ইসলামের নেই।সকাল থেকেই সেখানে নাসিম
মেম্বার,মোকাম্মেল মেম্বার, স্বপা মেম্বার ছাড়াও টেংগাচর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক মেম্বার উপস্থিত ছিল। তাদের চোখের সামনেই দূর্নীতি চলছে তারা দেখেও যেন দেখছেনা। তবে মোকাম্মেল মেম্বার বলেছিলো সাংবাদিক তো ভালো কাজ করছে এমন কিছু হলে তাকে সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব।গত ২১ ও ২২ ডিসেম্বর একই ভাবে লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নুরুল ইসলাম। শুধু টেংগারচর ইউনিয়ন নয় গজারিয়ার সকল ইউনিয়ন পরিষদ গুলোতে নুরুল ইসলামের এর সিন্ডিকেট লক্ষ লক্ষ টাকা স্মার্ট কার্ড বিতরন এর নামে হাতিয়ে নিয়েছে। টেংগারচর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের জাবেদ হোসেন এর নিকট থেকেও ৩৫০ টাকা নিয়েছে দেয়নি তাকে কোনো রশিদ। টেংগারচর ৩,নং ওয়ার্ড এর আরেক বৃদ্ধ মহিলার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে তাকে ৩ঘন্টা হয়রানি করে স্মার্ট কার্ড দিয়েছে। এমন করে গজারিয়া উপজেলার কয়েক শতাধিক মানুষের নিকট ব্যাংক রশিদ ছাড়াই নিজেরা দূর্নীতির মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।নুরুল ইসলাম সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম হৃদয় কে ডেকে নিয়ে ম্যানেজ করতে না পেরে তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। সেখান থেকেই নির্বাচন কমিশনার লিটনকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও তাকে লাইনে পাওয়া যায়নি এবং চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান তিনি সকালে সেখানে উপস্থিত ছিল তখন তিনি তেমন কিছুই দেখেনি। তিনি আরও বলেন সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনা তদন্ত করে দেখা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত