কামরুজ্জামান বাঁধন,মির্জাগঞ্জ সংবাদদাতা,পটুয়াখালীঃ
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জেলেদের কাজ থেকে মাসোহারা নিয়ে পায়রা নদীতে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার করার সুযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কাকড়াবুনিয়া বাজার সংলগ্ন পায়রা নদী এবং এর আশে পাশে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে ডিমওয়ালা ও ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ রয়েছে। এদিকে মাসোহারার টাকা নিয়ে গত মঙ্গলবার ২৬ জুলাই উপজেলার কাকড়াবুনিয়া বাজারে জেলেদের সাথে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তার সাথে।
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাকড়াবুনিয়া এলাকার প্রায় ২০-২৫ জন জেলের কাছ থেকে মাসিক হারে জন প্রতি ৩ হাজার টাকা করে এ অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে এমন অভিযোগ স্থানীয় অন্য জেলেদের। মাসোহারা দেয়া জেলেদেরকে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে পায়রা নদীতে অবাধে মাছ শিকারের সুযোগ করে দিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তা। মাসিক টাকা উত্তোলনের সহযোগীতা করছেন স্থানীয় বেহুন্দির জালা পাতা আরেক জেলে মো. করিম। মাস শেষে তিনি বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরা জেলেদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করেন। অবৈধ জাল ফেলে ডিমওয়ালা মাছসহ ছোট-বড় মাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করছেন জেলেরা। কাকড়াবুনিয়া বাজারের সাহেব আলী নামে এক জেলে বলেন, করিম নামে এক জেলে টাকা উঠিয়ে অফিসে দেন। আমি দুই হাজার টাকা দেওয়াতে টাকা ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। পরে মৎস্য অফিসের লোকজন এনে আমার জালটা ধরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু যারা ৩ হাজার করে টাকা দিছে তাদের জাল ধরে নাই। মৎস্য অফিসার অভিযানে গেলে পুলিশের কোন লোকজন তার সাথে রাখেন না। এ ছাড়াও স্থাণীয় জেলে সালাম মোল্লাসহ একাধিক জেলে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা মাস শেষে কেউ ৩ হাজার বা কেউ ৩ হাজার ২শত করে টাকা দিলে নদীতে বেহন্দি জাল ফেলে মাছ শিকার করতে পারি।
এছাড়াও মাসুদ মৃধা ও আব্বাস আলী সিকদারসহ স্থানীয়রা বলেন, মৎস্য অফিসার এসে ঘোরাঘুরি করে চলে যায় কিন্তু অবৈধ জাল দেখেও কিছু বলেনা। যারা টাকা দিতে না পারে তাদের জাল নিয়ে যায়। অবৈধ জালের বিষয়ে অভিযোগ দিলেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেন না। জেলেদের কাছ থেকে শুনেছি মাসে তাদের কাছ থেকে টাকা নেন মৎস্য অফিসার।
কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ মাসকুর রহমান বলেন, অবৈধ জাল দিয়ে পায়রা নদীতে অবাধে মাছ শিকার করছে জেলেরা। কোন রকম আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করছে না মির্জাগঞ্জের মৎস্য বিভাগ। টাকা দিলে কোন বাঁধা ছাড়াই নদীতে বেহুন্দি জাল ফেলা যায় বলে তিনি জানান। টাকা উত্তোলনকারী জেলে করিমের সাথে কথা বললে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোন জেলের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করিনি। আমার নামে স্থানীয় কিছু জেলে মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমি কোন টাকা পয়সা নেইনি। তবে জেলেদের মধ্যে কিছু ফাঁক-জোঁক আছে। কোন ভাবে পায়রা নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করতে দেওয়া হবে না। এজন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলেদের কাছ থেকে মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ
জেলেদের কাছ থেকে মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ
কামরুজ্জামান বাঁধন,মির্জাগঞ্জ সংবাদদাতা,পটুয়াখালীঃপটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জেলেদের কাজ থেকে মাসোহারা নিয়ে পায়রা নদীতে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার করার সুযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কাকড়াবুনিয়া বাজার সংলগ্ন পায়রা নদী এবং এর আশে পাশে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে ডিমওয়ালা ও ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ রয়েছে। এদিকে মাসোহারার টাকা নিয়ে গত মঙ্গলবার ২৬ জুলাই উপজেলার কাকড়াবুনিয়া বাজারে জেলেদের সাথে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তার সাথে। সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাকড়াবুনিয়া এলাকার প্রায় ২০-২৫ জন জেলের কাছ থেকে মাসিক হারে জন প্রতি ৩ হাজার টাকা করে এ অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে এমন অভিযোগ স্থানীয় অন্য জেলেদের। মাসোহারা দেয়া জেলেদেরকে অবৈধ বেহুন্দি জাল দিয়ে পায়রা নদীতে অবাধে মাছ শিকারের সুযোগ করে দিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তা। মাসিক টাকা উত্তোলনের সহযোগীতা করছেন স্থানীয় বেহুন্দির জালা পাতা আরেক জেলে মো. করিম। মাস শেষে তিনি বেহুন্দি জাল দিয়ে মাছ ধরা জেলেদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করেন।
অবৈধ জাল ফেলে ডিমওয়ালা মাছসহ ছোট-বড় মাছ সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধন করছেন জেলেরা। কাকড়াবুনিয়া বাজারের সাহেব আলী নামে এক জেলে বলেন, করিম নামে এক জেলে টাকা উঠিয়ে অফিসে দেন। আমি দুই হাজার টাকা দেওয়াতে টাকা ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। পরে মৎস্য অফিসের লোকজন এনে আমার জালটা ধরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু যারা ৩ হাজার করে টাকা দিছে তাদের জাল ধরে নাই। মৎস্য অফিসার অভিযানে গেলে পুলিশের কোন লোকজন তার সাথে রাখেন না। এ ছাড়াও স্থাণীয় জেলে সালাম মোল্লাসহ একাধিক জেলে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা মাস শেষে কেউ ৩ হাজার বা কেউ ৩ হাজার ২শত করে টাকা দিলে নদীতে বেহন্দি জাল ফেলে মাছ শিকার করতে পারি।এছাড়াও মাসুদ মৃধা ও আব্বাস আলী সিকদারসহ স্থানীয়রা বলেন, মৎস্য অফিসার এসে ঘোরাঘুরি করে চলে যায় কিন্তু অবৈধ জাল দেখেও কিছু বলেনা। যারা টাকা দিতে না পারে তাদের জাল নিয়ে যায়। অবৈধ জালের বিষয়ে অভিযোগ দিলেও তিনি কোন ব্যবস্থা নেন না। জেলেদের
কাছ থেকে শুনেছি মাসে তাদের কাছ থেকে টাকা নেন মৎস্য অফিসার।কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ মাসকুর রহমান বলেন, অবৈধ জাল দিয়ে পায়রা নদীতে অবাধে মাছ শিকার করছে জেলেরা। কোন রকম আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করছে না মির্জাগঞ্জের মৎস্য বিভাগ। টাকা দিলে কোন বাঁধা ছাড়াই নদীতে বেহুন্দি জাল ফেলা যায় বলে তিনি জানান। টাকা উত্তোলনকারী জেলে করিমের সাথে কথা বললে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোন জেলের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করিনি। আমার নামে স্থানীয় কিছু জেলে মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছে।এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমি কোন টাকা পয়সা নেইনি। তবে জেলেদের মধ্যে কিছু ফাঁক-জোঁক আছে। কোন ভাবে পায়রা নদীতে অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার করতে দেওয়া হবে না। এজন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত