ঝালকাঠিতে শামিম হোসেন জয় (৩৭) নামে এক আইনজীবী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিরকুট লিখে রেখে যান, যেখানে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।
২০ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠি এলাকার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
নিহত শামিম হোসেন জয় নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দুধারিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হক মোল্লার ছেলে। তিনি ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন।
চিরকুটে জয় লিখেছেন— “আমার শরীরে যে রোগ বাসা বেঁধেছে তাতে মৃত্যু অনিবার্য। শরীরের কষ্ট, মানসিক চাপ আমি আর নিতে পারছি না। তাই সব কিছু ভেবে চিন্তে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি আমার ভুলগুলো বুঝতে পেরেছি এবং অনুতপ্ত। আমাকে ভুল বুঝবেন না, পারলে ক্ষমা করে দেবেন।”
ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে চিরকুটও জব্দ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্য আবু হায়দার ডলার জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। আসরের পর জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
২০ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠি এলাকার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
নিহত শামিম হোসেন জয় নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দুধারিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হক মোল্লার ছেলে। তিনি ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন।
চিরকুটে জয় লিখেছেন— “আমার শরীরে যে রোগ বাসা বেঁধেছে তাতে মৃত্যু অনিবার্য। শরীরের কষ্ট, মানসিক চাপ আমি আর নিতে পারছি না। তাই সব কিছু ভেবে চিন্তে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি আমার ভুলগুলো বুঝতে পেরেছি এবং অনুতপ্ত। আমাকে ভুল বুঝবেন না, পারলে ক্ষমা করে দেবেন।”
ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে চিরকুটও জব্দ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্য আবু হায়দার ডলার জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। আসরের পর জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।