আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল- ফিটনেসবিহীন কোনো গাড়ি দূরপাল্লায় যেতে পারবে না।
তবে ফিটনেস তো দূরের কথা, ঢাকার মধ্যেই চলা লক্কড়-ঝক্কড় বাসও ঘরমুখো মানুষদের নিয়ে
ছুটছে দূরপাল্লায়। ঈদে ফাঁকা ঢাকায় যাত্রী সংকটের কথা চিন্তা করেই ঝুঁকি নিয়ে
ঈদযাত্রার কাতারে এসব বাস। এতে মহাসড়কে অন্য যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে
গিয়ে ঝুঁকিও বাড়ছে এসব পরিবহনে গ্রামের পানে ছুটে যাওয়া মানুষদের।
সায়দাবাদ
থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকার মধ্যে চলা অনেক বাস যাচ্ছে ফরিদপুর, মাদারীপুর,
গোপালগঞ্জের দিকে। আবার উত্তরের দিকের সড়ক দিয়ে ময়মনসিংহ, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ
এমনকি রংপুর পর্যন্তও রিজার্ভ যাচ্ছে এসব বাস।
এদিকে, বাসগুলো
বেশিরভাগ রিজার্ভে ঢাকার বাইরে যাওয়ায় ঢাকার ভেতরে পরিবহন সংকটও দেখা দিয়েছে।
ভিক্টোরিয়া
পার্ক থেকে সাভার রুটে চলা সাভার পরিবহনের এক চালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
একটা রিজার্ভ ট্রিপ পেয়েছি। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) সাভারের ব্যাংক কলোনি থেকে রংপুর
যাব। আট হাজার টাকা রিজার্ভ। যাত্রী নামিয়ে দিয়ে আবার খালি চলে আসতে হবে।
পথে
কোথাও সমস্যা হবে না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আট হাজার টাকা ভাড়ার কয়েক হাজার খরচ
হবে রাস্তায়। এখানে-ওখানে ম্যানেজ করাইয়া যাইতে হইবে। গতবছরও গেছিলাম।
এভাবে
মহাসড়কে বাস চালালে ঝুঁকি আছে- বিষয়টি স্বীকার করে এই চালক বলেন, সবাই তো চায়
নিরাপদে যাইতে। তারপরও বিপদ হয়ে গেলে কিছু করার নেই। কিন্তু ঈদে তো ঢাকায় কোনো
যাত্রী পাব না। আমাদেরও তো ঈদ করতে হবে।
এদিকে,
শুধু বাসই নয়; অনেকে ছোট পিকআপ ভাড়া করেও ঢাকার বাইরে ছুটছেন মানুষ। পরিবার-পরিজন
কিংবা একই এলাকার অনেকে মিলে একসঙ্গে রিজার্ভ করে পিকআপে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার
রাতে সেগুনবাগিচা থেকে একটি পিকআপে শিশুসহ প্রায় ২০ জন রওনা হন জামালপুরে। সেখানে
থাকা একজন বলেন, বাসের চেয়ে খরচ বেশি। অন্যসময় সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা হলেও ঈদের
জন্য ১৬ হাজার টাকা ভাড়া নিচ্ছে। তারপরও সবাই মিলে বাড়ি যেতে পারছি। এ সময়
যাত্রীভর্তি পিকআপের ছবি না তোলার অনুরোধও জানান তিনি।
একই সময়
পিকআপে রওয়ানা দেওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তেও এক যাত্রীকে বারবার চালককে সতর্কতার সঙ্গে
গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়।
এদিকে,
পদ্মা সেতু দিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকায় চলা তুরাগ পরিবহনের একটি বাস চলতে দেখা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাসের ছবিটিও ভাইরাল হয়েছে। ফলে এভাবে দূরপাল্লায় বাস চলার
কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন অনেকে।
বিষয়টিতে
কথা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো.
মুনিবুর রহমান বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত
আছে। এছাড়া মিনি বাসগুলো যাতে দূরপাল্লায় চলাচল না করে, সে জন্য আমাদের সর্বাত্মক
প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
ঝুঁকি নিয়ে রিজার্ভে দূরপাল্লায় ছোট বাস
ঝুঁকি নিয়ে রিজার্ভে দূরপাল্লায় ছোট বাস
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল- ফিটনেসবিহীন কোনো গাড়ি দূরপাল্লায় যেতে পারবে না। তবে ফিটনেস তো দূরের কথা, ঢাকার মধ্যেই চলা লক্কড়-ঝক্কড় বাসও ঘরমুখো মানুষদের নিয়ে ছুটছে দূরপাল্লায়। ঈদে ফাঁকা ঢাকায় যাত্রী সংকটের কথা চিন্তা করেই ঝুঁকি নিয়ে ঈদযাত্রার কাতারে এসব বাস। এতে মহাসড়কে অন্য যানবাহনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে গিয়ে ঝুঁকিও বাড়ছে এসব পরিবহনে গ্রামের পানে ছুটে যাওয়া মানুষদের।সায়দাবাদ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকার মধ্যে চলা অনেক বাস যাচ্ছে ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জের দিকে। আবার উত্তরের দিকের সড়ক দিয়ে ময়মনসিংহ, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ এমনকি রংপুর পর্যন্তও রিজার্ভ যাচ্ছে এসব বাস।এদিকে, বাসগুলো বেশিরভাগ রিজার্ভে ঢাকার বাইরে যাওয়ায় ঢাকার ভেতরে পরিবহন সংকটও দেখা দিয়েছে।ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে সাভার রুটে চলা সাভার পরিবহনের এক চালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একটা রিজার্ভ ট্রিপ পেয়েছি। শুক্রবার (২১ এপ্রিল)
সাভারের ব্যাংক কলোনি থেকে রংপুর যাব। আট হাজার টাকা রিজার্ভ। যাত্রী নামিয়ে দিয়ে আবার খালি চলে আসতে হবে।পথে কোথাও সমস্যা হবে না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আট হাজার টাকা ভাড়ার কয়েক হাজার খরচ হবে রাস্তায়। এখানে-ওখানে ম্যানেজ করাইয়া যাইতে হইবে। গতবছরও গেছিলাম।এভাবে মহাসড়কে বাস চালালে ঝুঁকি আছে- বিষয়টি স্বীকার করে এই চালক বলেন, সবাই তো চায় নিরাপদে যাইতে। তারপরও বিপদ হয়ে গেলে কিছু করার নেই। কিন্তু ঈদে তো ঢাকায় কোনো যাত্রী পাব না। আমাদেরও তো ঈদ করতে হবে।এদিকে, শুধু বাসই নয়; অনেকে ছোট পিকআপ ভাড়া করেও ঢাকার বাইরে ছুটছেন মানুষ। পরিবার-পরিজন কিংবা একই এলাকার অনেকে মিলে একসঙ্গে রিজার্ভ করে পিকআপে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।বৃহস্পতিবার রাতে সেগুনবাগিচা থেকে একটি পিকআপে শিশুসহ প্রায় ২০ জন রওনা হন জামালপুরে। সেখানে থাকা একজন বলেন, বাসের চেয়ে খরচ বেশি।
অন্যসময় সর্বোচ্চ ১২ হাজার টাকা হলেও ঈদের জন্য ১৬ হাজার টাকা ভাড়া নিচ্ছে। তারপরও সবাই মিলে বাড়ি যেতে পারছি। এ সময় যাত্রীভর্তি পিকআপের ছবি না তোলার অনুরোধও জানান তিনি।একই সময় পিকআপে রওয়ানা দেওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তেও এক যাত্রীকে বারবার চালককে সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়।এদিকে, পদ্মা সেতু দিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকায় চলা তুরাগ পরিবহনের একটি বাস চলতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাসের ছবিটিও ভাইরাল হয়েছে। ফলে এভাবে দূরপাল্লায় বাস চলার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন অনেকে। বিষয়টিতে কথা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। এছাড়া মিনি বাসগুলো যাতে দূরপাল্লায় চলাচল না করে, সে জন্য আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত