অস্ত্র মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার সাতজন দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ২০১৯ সালে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম তার কোন মামলার রায় হলো। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় দেন।
এর আগে সকালে, রায় ঘোষণার জন্য জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় সাজা পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।
জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন
জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন
অস্ত্র মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার সাতজন দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ২০১৯ সালে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় গ্রেপ্তারের পর এই প্রথম তার কোন মামলার রায় হলো। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ
রায় দেন।এর আগে সকালে, রায় ঘোষণার জন্য জি কে শামীমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় সাজা পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন ও মুরাদ হোসেন। তারা সবাই জি কে শামীমের দেহরক্ষী।
২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত