৪ বছরেও চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অগ্রগতি নেই , প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ৭০ শতাংশ।
চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বড় প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার এই প্রকল্পে এখন খরচ হবে ৯ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ একলাফে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ৭০ শতাংশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
ঠিকভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা, ভুল নকশা এবং মহাপরিকল্পনা অনুসরণ না করার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে এই বিপুল অঙ্কের বাড়তি টাকা খরচ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঠপর্যায়ে সঠিকভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই করে নকশা করা হলে এভাবে প্রকল্প ব্যয় বাড়ত না। তা ছাড়া নকশার কারণে কাজে বারবার হোঁচট খাওয়ায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজের গতি থেমে যায়। সেসব খাতেও ব্যয় বেড়েছে।
এখন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৬২ শতাংশ। খরচ হয়েছে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের আগস্টে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সিডিএ বাস্তবায়নকারী সংস্থা হলেও নির্মাণকাজ করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।
সিডিএ ১০ হাজার ৪২০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে সংশোধিত ডিপিপি তৈরি করেছিল। কিন্তু গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ব্যয়ের যৌক্তিকতা নির্ণয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি চার দফা বৈঠক করে প্রকল্প ব্যয় ৯ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। সংশোধিত প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দীন।
চট্টগ্রাম নগরের ৩৬টি খালের দুই পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধদেয়াল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। কিন্তু এখন খরচ হবে ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। খালের পাড়ে প্রতিরোধদেয়াল নির্মাণের প্রস্তাব থাকলেও ভবন ও রাস্তা রক্ষার বিষয়ে মূল নকশায় কোনো পরিকল্পনা ছিল না সিডিএর। কিন্তু মাঠপর্যায়ে কাজ করার সময় খালের পাশে থাকা বহুতল ভবন ও রাস্তার সুরক্ষার জন্য অস্থায়ী শিট পাইল (লোহার পাতের নিরাপত্তাবেষ্টনী) স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। শিট পাইল স্থাপন করে কাজ করতে গিয়ে ব্যয় বেড়েছে।
মূল ডিপিপিতে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার নালা নির্মাণের প্রস্তাব থাকলেও বাস্তবে তা অপর্যাপ্ত। এখন ৩৫৮ কোটি টাকায় ৯০ কিলোমিটার নালা নির্মাণ করতে হচ্ছে। অর্থাৎ খরচ বেড়েছে ৩৫৪ কোটি টাকা।
জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বড় প্রকল্পে নকশার ভুল
জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বড় প্রকল্পে নকশার ভুল
৪ বছরেও চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অগ্রগতি নেই , প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ৭০ শতাংশ। চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান বড় প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার এই প্রকল্পে এখন খরচ হবে ৯ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ একলাফে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে ৭০ শতাংশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।ঠিকভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা, ভুল নকশা এবং মহাপরিকল্পনা অনুসরণ না করার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে এই বিপুল অঙ্কের বাড়তি টাকা খরচ হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঠপর্যায়ে সঠিকভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই করে নকশা করা হলে এভাবে প্রকল্প ব্যয় বাড়ত না। তা ছাড়া নকশার কারণে কাজে বারবার হোঁচট খাওয়ায় কিছু
কিছু ক্ষেত্রে কাজের গতি থেমে যায়। সেসব খাতেও ব্যয় বেড়েছে।এখন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৬২ শতাংশ। খরচ হয়েছে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের আগস্টে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সিডিএ বাস্তবায়নকারী সংস্থা হলেও নির্মাণকাজ করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।সিডিএ ১০ হাজার ৪২০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে সংশোধিত ডিপিপি তৈরি করেছিল। কিন্তু গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ব্যয়ের যৌক্তিকতা নির্ণয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি চার দফা বৈঠক করে প্রকল্প ব্যয় ৯ হাজার ৫২৬ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। সংশোধিত প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মঈনুদ্দীন।চট্টগ্রাম নগরের ৩৬টি খালের দুই
পাশে ১৭৬ কিলোমিটার প্রতিরোধদেয়াল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। কিন্তু এখন খরচ হবে ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা। খালের পাড়ে প্রতিরোধদেয়াল নির্মাণের প্রস্তাব থাকলেও ভবন ও রাস্তা রক্ষার বিষয়ে মূল নকশায় কোনো পরিকল্পনা ছিল না সিডিএর। কিন্তু মাঠপর্যায়ে কাজ করার সময় খালের পাশে থাকা বহুতল ভবন ও রাস্তার সুরক্ষার জন্য অস্থায়ী শিট পাইল (লোহার পাতের নিরাপত্তাবেষ্টনী) স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। শিট পাইল স্থাপন করে কাজ করতে গিয়ে ব্যয় বেড়েছে।মূল ডিপিপিতে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার নালা নির্মাণের প্রস্তাব থাকলেও বাস্তবে তা অপর্যাপ্ত। এখন ৩৫৮ কোটি টাকায় ৯০ কিলোমিটার নালা নির্মাণ করতে হচ্ছে। অর্থাৎ খরচ বেড়েছে ৩৫৪ কোটি টাকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত