সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন,‘ কোনো মানুষ যদি মনে করে তার মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত হচ্ছে না, সেটা মানবধিকারের চরম লঙ্ঘন। এ দেশ হবে সাম্যের দেশ, না হলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। দেশ হবে ন্যায় বিচারের এবং মানবিক মর্যাদার দেশ। কোনো দেশে জনগণ যদি শঙ্কায় বাস করে, সেটা চরম মানবধিকার লঙ্ঘন হয়।
সোমবার দুপুরে নাটোর জেলা পরিষদ অডিটেরিয়ামে আয়োজিত ‘সমতল আদিবাসী’ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতানা কামাল বলেন, ‘সরকার কেন ভুলে যান, তারা দেশের মালিক নন। দেশের মালিক হলো জনগণ। জনগণকে হেফাজত করতেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ক্ষমতায় বসায়। একটি রাষ্ট্র জনগোষ্ঠী তৈরি করে না, জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রকে পরিচয় দেয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করে। তারা অন্যায়ভাবে বলার চেষ্টা করেন, তুমি বা সে। তুমি সে ওই এসব বলার অধিকার কিন্তু রাষ্ট্রের নেই।’
ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকেকে নিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, ‘যদি আপনাকে কেউ বলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এটা অন্যায়ভাবে বলেন এবং তাদের এটা বলার কোনো অধিকার নেই। আপনারা যেভাবে যুগ যুগ ধরে পরিচয় দিয়ে এসেছেন জন্মগতভাবে সেভাবেই পরিচয় দেবেন। ক্ষুদ্র একটি আপেক্ষিক শব্দ। এটা কোনো মানুষের পরিচয় হতে পারে না। যারা সংবিধান রচনা করেন তারা তো অনেক উচ্চ ব্যক্তি। তারা কিভাবে সংবিধানে এ ক্রুটিগুলো লিখেন। যত দিন সংশোধন না হয়, সংবিধানে কোনো ব্যক্তি বা কোনো জনগোষ্ঠীর নামে বৈষম্য থাকা যাবে না। আমরা ত্রুটি সংশোধনের দাবি জানাই।’
সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’-এর প্রধান নির্বাহী জিন্নাত আরা হক, ক্রিশ্চিয়ান এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর নুজহাত জাবিন, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নীলা হাফিয়া, পিকেএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ডেইজি আহমেদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের নেতা আশিকচন্দ্র বানিয়াজ, আদিবাসী কমিউনিটি সদস্য লাবনী এক্কা, মাধবী রাণী প্রমুখ।
জনগণ যদি শঙ্কায় বাস করে, সেটা চরম মানবধিকার লঙ্ঘন
জনগণ যদি শঙ্কায় বাস করে, সেটা চরম মানবধিকার লঙ্ঘন
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন,‘ কোনো মানুষ যদি মনে করে তার মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত হচ্ছে না, সেটা মানবধিকারের চরম লঙ্ঘন। এ দেশ হবে সাম্যের দেশ, না হলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। দেশ হবে ন্যায় বিচারের এবং মানবিক মর্যাদার দেশ। কোনো দেশে জনগণ যদি শঙ্কায় বাস করে, সেটা চরম মানবধিকার লঙ্ঘন হয়।সোমবার দুপুরে নাটোর জেলা পরিষদ অডিটেরিয়ামে আয়োজিত ‘সমতল আদিবাসী’ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সুলতানা কামাল বলেন, ‘সরকার কেন ভুলে যান, তারা দেশের মালিক নন। দেশের মালিক হলো জনগণ। জনগণকে
হেফাজত করতেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ক্ষমতায় বসায়। একটি রাষ্ট্র জনগোষ্ঠী তৈরি করে না, জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রকে পরিচয় দেয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করে। তারা অন্যায়ভাবে বলার চেষ্টা করেন, তুমি বা সে। তুমি সে ওই এসব বলার অধিকার কিন্তু রাষ্ট্রের নেই।’ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকেকে নিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, ‘যদি আপনাকে কেউ বলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এটা অন্যায়ভাবে বলেন এবং তাদের এটা বলার কোনো অধিকার নেই। আপনারা যেভাবে যুগ যুগ ধরে পরিচয় দিয়ে এসেছেন জন্মগতভাবে সেভাবেই পরিচয় দেবেন। ক্ষুদ্র একটি আপেক্ষিক শব্দ। এটা কোনো মানুষের পরিচয় হতে পারে না।
যারা সংবিধান রচনা করেন তারা তো অনেক উচ্চ ব্যক্তি। তারা কিভাবে সংবিধানে এ ক্রুটিগুলো লিখেন। যত দিন সংশোধন না হয়, সংবিধানে কোনো ব্যক্তি বা কোনো জনগোষ্ঠীর নামে বৈষম্য থাকা যাবে না। আমরা ত্রুটি সংশোধনের দাবি জানাই।’সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’-এর প্রধান নির্বাহী জিন্নাত আরা হক, ক্রিশ্চিয়ান এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর নুজহাত জাবিন, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নীলা হাফিয়া, পিকেএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ডেইজি আহমেদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের নেতা আশিকচন্দ্র বানিয়াজ, আদিবাসী কমিউনিটি সদস্য লাবনী এক্কা, মাধবী রাণী প্রমুখ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত