ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সময় যত গড়াচ্ছে, পরিস্থিতি ততই জটিল হয়ে উঠছে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় ঢাকার অনেক পাম্পে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যেসব পাম্পে তেল সরবরাহ চালু রয়েছে, সেগুলোতেও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগে থাকছে। প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে এই লাইন।
গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে। বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন, আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশন এবং সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বড় অংশ জুড়ে তেল নিতে আসা যানবাহনগুলোর দীর্ঘ সারি।
ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনের সামনে থেকে মহাখালীমুখী সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন দেখা যায়। চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দেখা যায়, তীব্র রোদে মোটরসাইকেল চালকরা অনেকেই যানবাহন লাইনে রেখে আশপাশের ছায়াযুক্ত স্থানে অপেক্ষা করছেন।
আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও প্রকট। দেখা যায়, পাম্পের সামনে থেকে শুরু হওয়া যানবাহনের লাইন জিয়া উদ্যান ঘুরে বিজয় সরণির মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। একইভাবে সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকেও মোহাম্মদপুর টাউন হলমুখী সড়কে দীর্ঘ যানজট।
ভোগান্তির কথা জানিয়ে তালুকদার ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো সাইফুল মুন্সী জানান, সকাল ৮টা থেকে অপেক্ষা করেও এখনও তেল পাননি। কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে, আদৌ তেল পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়েও তিনি অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
একই স্টেশনের সামনে থাকা মোটরসাইকেলচালক মহসিন জানান, প্রতিদিন এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহের কারণে দুই থেকে তিন দিন পরপরই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনে অপেক্ষারত আরেকজন চালক মিনহাজ জানান, আগের দিন ভিড় দেখে ফিরে গিয়েছিলেন। ছুটির দিনের ভিড় ভেবে পরদিন এলেও একই পরিস্থিতি দেখতে পান। বাধ্য হয়ে এবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন।
দেখা গেছে, আসাদ গেটের তালুকদার পাম্পে অকটেনের জন্য লাইনে দাঁড়ানো প্রাইভেটকারের সারি জিয়া উদ্যান পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। চালকরা সবাই মিলে গল্প করে সময় পার করছেন, তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে অপেক্ষা করেও পাচ্ছেন না জ্বালানি।
সামগ্রিকভাবে জ্বালানি তেলের এই সংকট চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
জ্বালানি সংকটে নাজেহাল রাজধানীবাসী
জ্বালানি সংকটে নাজেহাল রাজধানীবাসী
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সময় যত গড়াচ্ছে, পরিস্থিতি ততই জটিল হয়ে উঠছে।জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় ঢাকার অনেক পাম্পে সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যেসব পাম্পে তেল সরবরাহ চালু রয়েছে, সেগুলোতেও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লেগে থাকছে। প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে এই লাইন।গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে। বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশন, আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশন এবং সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বড় অংশ জুড়ে তেল নিতে আসা যানবাহনগুলোর দীর্ঘ সারি।ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনের সামনে থেকে মহাখালীমুখী সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন দেখা
যায়। চালকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দেখা যায়, তীব্র রোদে মোটরসাইকেল চালকরা অনেকেই যানবাহন লাইনে রেখে আশপাশের ছায়াযুক্ত স্থানে অপেক্ষা করছেন।আসাদগেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও প্রকট। দেখা যায়, পাম্পের সামনে থেকে শুরু হওয়া যানবাহনের লাইন জিয়া উদ্যান ঘুরে বিজয় সরণির মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। একইভাবে সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকেও মোহাম্মদপুর টাউন হলমুখী সড়কে দীর্ঘ যানজট।ভোগান্তির কথা জানিয়ে তালুকদার ফিলিং স্টেশনে লাইনে দাঁড়ানো সাইফুল মুন্সী জানান, সকাল ৮টা থেকে অপেক্ষা করেও এখনও তেল পাননি। কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে, আদৌ তেল পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়েও তিনি অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।একই স্টেশনের সামনে থাকা মোটরসাইকেলচালক মহসিন জানান, প্রতিদিন এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সীমিত পরিমাণে
তেল সরবরাহের কারণে দুই থেকে তিন দিন পরপরই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।ট্রাস্ট ফুয়েল স্টেশনে অপেক্ষারত আরেকজন চালক মিনহাজ জানান, আগের দিন ভিড় দেখে ফিরে গিয়েছিলেন। ছুটির দিনের ভিড় ভেবে পরদিন এলেও একই পরিস্থিতি দেখতে পান। বাধ্য হয়ে এবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন।দেখা গেছে, আসাদ গেটের তালুকদার পাম্পে অকটেনের জন্য লাইনে দাঁড়ানো প্রাইভেটকারের সারি জিয়া উদ্যান পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। চালকরা সবাই মিলে গল্প করে সময় পার করছেন, তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে অপেক্ষা করেও পাচ্ছেন না জ্বালানি।সামগ্রিকভাবে জ্বালানি তেলের এই সংকট চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত