লালমনিরহাট কালীগঞ্জে ৫ পরিবারের লোকজনের বাড়ী থেকে বেড়ানোর রাস্তা বন্ধ করায় দেড় বছর যাবৎ গৃহ বন্দি আবেদন দিয়ে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছেন না অভিযোগ ভুক্তভোগী কৃষকদের , ইউএনও আব্দুল মান্নান বিষয়টি দেখবেন মর্মে জানান।
আবেদন সূত্রে জানা গেছে , সতীশ চন্দ্র লালমনিরহাট জেলা কালিগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়নের গ্রামের আদি এবং স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি যে জায়গাটি তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ি করে আছেন ওই দাগের জমি প্রতিবেশীর কাছে বিক্রি করেন তার কাছে বিক্রেতা জমির মালিক। তিনি যে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতেন উক্ত রাস্তাটি পরবর্তী ক্রেতা জলধর এর নামে দলিল হয়। সেখানে সরকারি একটি ঘর বরাদ্দ হলে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ঘরটি নির্মাণ না করে ফেরত আসে সরকারি কর্তৃপক্ষ। পরে জলধর কয়েকজনের শলাপরামর্শ হিটস পরিবার সহ পরিবারের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের রাস্তা টি বন্ধ করে দিলে পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে চলাচলের রাস্তা না পাওয়ায়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সহকারী রাস্তা থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত যে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে তার মধ্য থেকে চলাচলের রাস্তার জন্য সরকারের নিকট বন্দোবস্তের আবেদন করেন। তাতে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচিত সাংসদ বর্তমান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এর সুপারিশকৃত একটি আবেদন উপজেলা নির্বাহী নিকট জমা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহি অফিসার সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় উক্ত জমি দিয়ে চলাচলের রাস্তা দেয়ার জন্য সরেজমিনে যান এবং রাস্তা প্রদান করেন। কিন্তু তাতেও বাধা দেয় প্রতিবেশী আরো দুইজন। পুনরায় বন্ধ হয়ে যায় চলাচলের রাস্তা বিগত ১০ বছর যাবৎ বাড়ি থেকে বের হবার রাস্তা না পাওয়ায় বাজারের ভিতরে দিয়ে অন্যের উপর সরকারি রাস্তায় কোনরকমে উঠে তারা জীবন-যাপন করছেন মানবেতরভাবে। উল্লেখিত ইউএনও পদোন্নতি জনিত কারণে অন্যত্র চলে গেলে ওনার স্থলাভিষিক্ত হন বর্তমান ইউএনও আব্দুল মান্নান। তিনি কয়েক দফায় বর্তমান এসিলেন্ট কে দায়িত্ব দিলে সরেজমিনে তদন্ত জান এবং রাস্তার বিষয়টি তদন্ত করে আসেন। এসিলেন্ট যেদিন ঘটনাস্থলে তদন্ত চান ঐদিন হাতীবান্ধা স্কুল এন্ড কলেজের কর্মরত শিক্ষক ওনার সঙ্গে অসৎ ব্যবহার করলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।পরে রহস্যজনক কারণে এ সংবাদ দেখা পর্যন্ত মানবতার জীবনযাপনকারী পরিবারের আবেদন নিয়ে আর কখনো কোন সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়নি। এর আগে একাধিকবার আজ শনিবার মোবাইল ফোনে কোন আব্দুল মান্নান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বিষয়টি জানেন কিন্তু স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলেছেন মর্মে জানা ন। এদিকে এ বিষয়ে লালমনিহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর এর সাথে কথা হলে তিনি পুনরায় একটি আবেদন দেয়ার কথা বলেন।
কালীগঞ্জে ৫ পরিবারের লোকজনের বাড়ী থেকে বেড়ানোর রাস্তা বন্ধ
কালীগঞ্জে ৫ পরিবারের লোকজনের বাড়ী থেকে বেড়ানোর রাস্তা বন্ধ
লালমনিরহাট কালীগঞ্জে ৫ পরিবারের লোকজনের বাড়ী থেকে বেড়ানোর রাস্তা বন্ধ করায় দেড় বছর যাবৎ গৃহ বন্দি আবেদন দিয়ে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছেন না অভিযোগ ভুক্তভোগী কৃষকদের , ইউএনও আব্দুল মান্নান বিষয়টি দেখবেন মর্মে জানান। আবেদন সূত্রে জানা গেছে , সতীশ চন্দ্র লালমনিরহাট জেলা কালিগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়নের গ্রামের আদি এবং স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি যে জায়গাটি তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ি করে আছেন ওই দাগের জমি প্রতিবেশীর কাছে বিক্রি করেন তার কাছে বিক্রেতা জমির মালিক। তিনি যে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতেন উক্ত রাস্তাটি পরবর্তী ক্রেতা জলধর এর নামে দলিল হয়। সেখানে সরকারি একটি ঘর বরাদ্দ হলে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ঘরটি নির্মাণ না করে ফেরত আসে সরকারি কর্তৃপক্ষ। পরে জলধর কয়েকজনের শলাপরামর্শ হিটস পরিবার সহ পরিবারের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের রাস্তা টি বন্ধ করে দিলে পরিবার
মানবেতর জীবনযাপন করছে চলাচলের রাস্তা না পাওয়ায়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সহকারী রাস্তা থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত যে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে তার মধ্য থেকে চলাচলের রাস্তার জন্য সরকারের নিকট বন্দোবস্তের আবেদন করেন। তাতে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচিত সাংসদ বর্তমান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এর সুপারিশকৃত একটি আবেদন উপজেলা নির্বাহী নিকট জমা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহি অফিসার সংশ্লিষ্ট উপজেলা ভূমি অফিসের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় উক্ত জমি দিয়ে চলাচলের রাস্তা দেয়ার জন্য সরেজমিনে যান এবং রাস্তা প্রদান করেন। কিন্তু তাতেও বাধা দেয় প্রতিবেশী আরো দুইজন। পুনরায় বন্ধ হয়ে যায় চলাচলের রাস্তা বিগত ১০ বছর যাবৎ বাড়ি থেকে বের হবার রাস্তা না পাওয়ায় বাজারের ভিতরে দিয়ে অন্যের উপর সরকারি রাস্তায় কোনরকমে উঠে তারা জীবন-যাপন করছেন মানবেতরভাবে। উল্লেখিত ইউএনও পদোন্নতি
জনিত কারণে অন্যত্র চলে গেলে ওনার স্থলাভিষিক্ত হন বর্তমান ইউএনও আব্দুল মান্নান। তিনি কয়েক দফায় বর্তমান এসিলেন্ট কে দায়িত্ব দিলে সরেজমিনে তদন্ত জান এবং রাস্তার বিষয়টি তদন্ত করে আসেন। এসিলেন্ট যেদিন ঘটনাস্থলে তদন্ত চান ঐদিন হাতীবান্ধা স্কুল এন্ড কলেজের কর্মরত শিক্ষক ওনার সঙ্গে অসৎ ব্যবহার করলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।পরে রহস্যজনক কারণে এ সংবাদ দেখা পর্যন্ত মানবতার জীবনযাপনকারী পরিবারের আবেদন নিয়ে আর কখনো কোন সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায়নি। এর আগে একাধিকবার আজ শনিবার মোবাইল ফোনে কোন আব্দুল মান্নান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বিষয়টি জানেন কিন্তু স্থানীয় ভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলেছেন মর্মে জানা ন। এদিকে এ বিষয়ে লালমনিহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর এর সাথে কথা হলে তিনি পুনরায় একটি আবেদন দেয়ার কথা বলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত