আন্তার্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট::
আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে জো বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই বিশ্ব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যাচ্ছে বলে প্রশংসা নিজ দল ডেমোক্রেটিক শিবিরে। অবশ্য কয়েকটি ইস্যু সামনে এনে হ্যারিসকে আক্রমণ করতে পরিকল্পনা আঁটছে ট্রাম্প শিবির।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে বাজিমাত করছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। নিজ দল ডেমোক্রেটিক শিবিরের নেতাকর্মীদের সমর্থনসহ ভোটারদের মন জয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি সারছেন কামালা।
দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে সমর্থন পেয়ে অনেকটাই চূড়ান্ত তার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মনোনয়ন। এরইমধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন কামালা হ্যারিস। এই যখন অবস্থা, তখন রীতিমতো বিশ্ব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি। এমনকি আলোচনায় উঠছে, কেমন হবে কামালার ভবিষ্যত রাজনৈতিক পথচলা?
রাজনীতিতে কামালার চলমান এ ভালো সময় পার করাকে নামও দিতে শুরু করেছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি একে ‘হ্যারিস হানিমুন পর্ব’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিরোধী রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার জরিপ বিশ্লেষক টনি ফেব্রিজিও।
মূলত হানিমুন শব্দটি টনি ব্যবহার করেছেন ‘ক্ষণস্থায়ী সুন্দর সময়’ অর্থে। অবশ্য কামালা হ্যারিসকে আক্রমণ করতে পরিকল্পনা আঁটছে ট্রাম্প শিবির এমনটাও দাবি করেন তিনি। এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণও উল্লেখ করেছেন টনি ফেব্রিজিও।
তিনি বলেন, মূলত একের পর এক কড়া সমালোচনা করে কামালার সুসময়কে দীর্ঘস্থায়ী হতে দিচ্ছেন না শক্তিশালী বিরোধী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরমধ্যে সম্প্রতি কামালাকে ‘উগ্র' বামপন্থি হিসেবে ট্রাম্পের আখ্যা দেয়া অন্যতম। এমনকি জো বাইডেনের নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কামালার সম্পৃক্ততা নিয়ে সমালোচনা করেন ট্রাম্প।
টনি ফেব্রিজিওর মতে, বাইডেনের অভিবাসন সংক্রান্ত নীতিমালাগুলো জনপ্রিয়তা পায়নি নাগরিকদের মধ্যে। কামালা হ্যারিস যেহেতু বর্তমান প্রশাসনেরই ভাইস প্রেসিডেন্ট, সেক্ষেত্রে ডেমোক্রেট সরকারের কর্মকাণ্ডের দায় কামালার ওপরও বর্তায় বলে মনে করেন টনি। সবশেষ, আদালতের আইনপ্রণেতার দায়িত্বে থাকাকালে কামালার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন ট্রাম্প। এসব বিষয় জনসমর্থনের জন্য বেশ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন টনি ফেব্রিজিও।
এ অবস্থায় কামালা হ্যারিস বিরোধী শিবিরের আক্রমণ সামলে কিভাবে ভোটারদের সমর্থন যোগাবেন, তা ঠিক করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
সূত্র: বিবিসি
কামালা হ্যারিসকে মোকাবিলায় যে পরিকল্পনা আঁটছে ট্রাম্প শিবির
কামালা হ্যারিসকে মোকাবিলায় যে পরিকল্পনা আঁটছে ট্রাম্প শিবির
আন্তার্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট::আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে জো বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই বিশ্ব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যাচ্ছে বলে প্রশংসা নিজ দল ডেমোক্রেটিক শিবিরে। অবশ্য কয়েকটি ইস্যু সামনে এনে হ্যারিসকে আক্রমণ করতে পরিকল্পনা আঁটছে ট্রাম্প শিবির।মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে বাজিমাত করছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। নিজ দল ডেমোক্রেটিক শিবিরের নেতাকর্মীদের সমর্থনসহ ভোটারদের মন জয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি সারছেন কামালা।দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে সমর্থন পেয়ে অনেকটাই চূড়ান্ত তার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মনোনয়ন। এরইমধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন কামালা হ্যারিস।
এই যখন অবস্থা, তখন রীতিমতো বিশ্ব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি। এমনকি আলোচনায় উঠছে, কেমন হবে কামালার ভবিষ্যত রাজনৈতিক পথচলা? রাজনীতিতে কামালার চলমান এ ভালো সময় পার করাকে নামও দিতে শুরু করেছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি একে ‘হ্যারিস হানিমুন পর্ব’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিরোধী রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার জরিপ বিশ্লেষক টনি ফেব্রিজিও।মূলত হানিমুন শব্দটি টনি ব্যবহার করেছেন ‘ক্ষণস্থায়ী সুন্দর সময়’ অর্থে। অবশ্য কামালা হ্যারিসকে আক্রমণ করতে পরিকল্পনা আঁটছে ট্রাম্প শিবির এমনটাও দাবি করেন তিনি। এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণও উল্লেখ করেছেন টনি ফেব্রিজিও। তিনি বলেন, মূলত একের পর এক কড়া সমালোচনা করে কামালার সুসময়কে দীর্ঘস্থায়ী হতে দিচ্ছেন না শক্তিশালী বিরোধী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এরমধ্যে সম্প্রতি কামালাকে ‘উগ্র' বামপন্থি হিসেবে ট্রাম্পের আখ্যা দেয়া অন্যতম। এমনকি জো বাইডেনের নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কামালার সম্পৃক্ততা নিয়ে সমালোচনা করেন ট্রাম্প। টনি ফেব্রিজিওর মতে, বাইডেনের অভিবাসন সংক্রান্ত নীতিমালাগুলো জনপ্রিয়তা পায়নি নাগরিকদের মধ্যে। কামালা হ্যারিস যেহেতু বর্তমান প্রশাসনেরই ভাইস প্রেসিডেন্ট, সেক্ষেত্রে ডেমোক্রেট সরকারের কর্মকাণ্ডের দায় কামালার ওপরও বর্তায় বলে মনে করেন টনি। সবশেষ, আদালতের আইনপ্রণেতার দায়িত্বে থাকাকালে কামালার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন ট্রাম্প। এসব বিষয় জনসমর্থনের জন্য বেশ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন টনি ফেব্রিজিও। এ অবস্থায় কামালা হ্যারিস বিরোধী শিবিরের আক্রমণ সামলে কিভাবে ভোটারদের সমর্থন যোগাবেন, তা ঠিক করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।সূত্র: বিবিসি
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত