আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্টেশনের কাউন্টার এবং অনলাইন থেকে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। টিকিট পেতে অনেকেই রাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, একেকটি টিকিট কিনতে প্রায় পাঁচ মিনিট সময় লাগছে। এনআইডি বা জন্মসনদ দেখিয়ে টিকিট নিতে হচ্ছে।
কেন এত দেরি জানতে চাইলে তিন নম্বর কাউন্টারের বিক্রয়কর্মী জানান, সার্ভারে বেশি চাপ পড়ার কারণে একটু সময় লাগছে। তারপরও পর্যাপ্ত টিকিট রয়েছে। সবাই শৃঙ্খলা মেনে থাকলে টিকিট পাবেন।
দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলেন, লোকজন অনেক ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন। তেমন কোনো হৈচৈ করছেন না। তবে টিকিট পেতে তাদের সময় লাগছে। কিন্তু এবারে কোনো কালোবাজারি হচ্ছে না।
আগাম টিকিটসহ সার্বিক বিষয়ে কমলাপুর রেল স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার বলেন, আজ কাউন্টারগুলোতে টিকিটপ্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক বেশি। আজ ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, তাই ভিড় বেশি। তবে অগ্রিম টিকিট বিক্রির সব প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আশা করছি সুষ্ঠু, সুন্দর পরিবেশে ও সুশৃঙ্খলভাবে টিকিট বিক্রি করতে পারব। অনলাইনের পাশাপাশি কাউন্টারে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে।
জানা গেছে, অনলাইনে ই-টিকিটিংয়ের মাধ্যমে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। এ ছাড়া কাউন্টারে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এক টানা অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে। প্রতিটি টিকিট বিক্রয় কেন্দ্রে একটি করে নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য কাউন্টার থাকবে। একজন যাত্রী এক সঙ্গে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। বিক্রি করা ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না। স্পেশাল ট্রেনের কোনো টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র স্টেশন কাউন্টারে বিক্রি করা হবে।
কাউন্টারে ধীরগতি ৬ ঘণ্টা দাঁড়িয়েও মিলছে না টিকিট
কাউন্টারে ধীরগতি ৬ ঘণ্টা দাঁড়িয়েও মিলছে না টিকিট
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে স্টেশনের কাউন্টার এবং অনলাইন থেকে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। টিকিট পেতে অনেকেই রাত থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।যাত্রীদের অভিযোগ, একেকটি টিকিট কিনতে প্রায় পাঁচ মিনিট সময় লাগছে। এনআইডি বা জন্মসনদ দেখিয়ে টিকিট নিতে হচ্ছে।কেন এত দেরি জানতে চাইলে তিন নম্বর কাউন্টারের বিক্রয়কর্মী জানান, সার্ভারে বেশি চাপ পড়ার কারণে একটু সময় লাগছে। তারপরও পর্যাপ্ত টিকিট রয়েছে। সবাই শৃঙ্খলা মেনে থাকলে
টিকিট পাবেন।দায়িত্বরত একজন আনসার সদস্য বলেন, লোকজন অনেক ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন। তেমন কোনো হৈচৈ করছেন না। তবে টিকিট পেতে তাদের সময় লাগছে। কিন্তু এবারে কোনো কালোবাজারি হচ্ছে না।আগাম টিকিটসহ সার্বিক বিষয়ে কমলাপুর রেল স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার বলেন, আজ কাউন্টারগুলোতে টিকিটপ্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক বেশি। আজ ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, তাই ভিড় বেশি। তবে অগ্রিম টিকিট বিক্রির সব প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আশা করছি সুষ্ঠু, সুন্দর পরিবেশে ও সুশৃঙ্খলভাবে টিকিট বিক্রি করতে পারব। অনলাইনের পাশাপাশি কাউন্টারে ৫০
শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে।জানা গেছে, অনলাইনে ই-টিকিটিংয়ের মাধ্যমে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। এ ছাড়া কাউন্টারে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এক টানা অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে। প্রতিটি টিকিট বিক্রয় কেন্দ্রে একটি করে নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য কাউন্টার থাকবে। একজন যাত্রী এক সঙ্গে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। বিক্রি করা ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না। স্পেশাল ট্রেনের কোনো টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র স্টেশন কাউন্টারে বিক্রি করা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত