বাজারে আউশ ধান ওঠায়, ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকায় এবং আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে আনায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম। সপ্তাহখানেক আগে মোটা চাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন হচ্ছে ৫০ টাকায়। এ ছাড়া কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কমেছে মাঝারি ও সরু চালের দাম। ফলে কয়েক সপ্তাহ ধরে চালের দাম বাড়ার যে প্রবণতা চলছিল, তা কমে গেছে। নওগাঁ এবং দিনাজপুরে শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রকার ভেদে আমদানি করা চালের দামও কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা করে কমেছে।
দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস অধিদপ্তরের সহকারী কমিশনার মো. কামরুল হাসান জানান, পূর্বের নির্ধারিত কাস্টমস বিভাগের পরিপত্রে ভারত থেকে আমদানি করা চাল ২৫ শতাংশ কর বেঁধে দেওয়া ছিল। তবে মজুদদারদের কারণে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য অধিদপ্তর আমদানিকারকদের চাল আমদানি করার জন্য তাগিদ দেন এবং কর হ্রাস করা হবে বলে তাদের আস্বস্ত করেন।
শনিবার সকাল থেকে খালাস করা চাল দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাক যোগে পাইকারি বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে চালের বাজার কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা কমে গেছে। ফলে স্বর্ণা চাল ৫০ টাকা কেজিতে খুচরা বাজারেই পাওয়া যাচ্ছে। মিনিকেট চাল ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও তা ৬৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এভাবেই চালের প্রকার ভেদ অনুযায়ী কেজি ৫ থেকে ৭টা কমে বিক্রি হচ্ছে।
এর আগে গত আগস্ট মাসের শুরুর দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে সব ধরনের চালের দাম মানভেদে পাঁচ থেকে সাত টাকা বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। তবে ৩০ আগস্ট চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেওয়ায় ও গরিব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য বুধবার থেকে সরকার ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করায় চালের দাম কমতে শুরু করেছে।
এদিকে, নওগাঁর মিলমালিক ও চালের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ঘোষণার পর থেকেই মিলে উৎপাদিত চালের ফরমাশ কমতে শুরু করেছে। অনেকে আগের দেওয়া ফরমাশ বাতিল করেছেন। এ ছাড়া বুধবার থেকে সারা দেশে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কার্যক্রম চালু হওয়ায় খুচরা বাজারে চালের চাহিদা কমে গেছে। ফলে খুচরা চাল বিক্রেতারাও মোকাম থেকে চাল কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। আমদানি করা চাল এরই মধ্যে খোলাবাজারে আসতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে। শুল্ক কমায় চাল আমদানি বেড়েছে। এ ছাড়া ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এসব কারণে স্বাভাবিক কারণেই চালের বাজারে প্রভাব পড়েছে। মোকামে চাল বিক্রি কমে যাওয়ায় মিলাররা বাজার থেকে ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে বাজারে ধানের দাম প্রতি মণে ২০০ টাকা কমে গেছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল প্রতি লিটারে ৫ টাকা কমায় কিছুটা হলেও ধান-চালের পরিবহন খরচ কমেছে। এসব কারণে চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত কমেছে।
কেজিতে ৫-৭ টাকা কমল চালের দাম
কেজিতে ৫-৭ টাকা কমল চালের দাম
বাজারে আউশ ধান ওঠায়, ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকায় এবং আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে আনায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম। সপ্তাহখানেক আগে মোটা চাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন হচ্ছে ৫০ টাকায়। এ ছাড়া কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কমেছে মাঝারি ও সরু চালের দাম। ফলে কয়েক সপ্তাহ ধরে চালের দাম বাড়ার যে প্রবণতা চলছিল, তা কমে গেছে। নওগাঁ এবং দিনাজপুরে শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রকার ভেদে আমদানি করা চালের দামও কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা করে কমেছে।দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস অধিদপ্তরের সহকারী কমিশনার মো. কামরুল হাসান জানান, পূর্বের নির্ধারিত কাস্টমস বিভাগের পরিপত্রে ভারত থেকে আমদানি করা চাল ২৫ শতাংশ কর বেঁধে দেওয়া ছিল। তবে মজুদদারদের কারণে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খাদ্য অধিদপ্তর আমদানিকারকদের চাল আমদানি করার জন্য তাগিদ দেন এবং কর হ্রাস করা হবে বলে তাদের আস্বস্ত করেন।শনিবার সকাল থেকে খালাস করা চাল
দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাক যোগে পাইকারি বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে চালের বাজার কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা কমে গেছে। ফলে স্বর্ণা চাল ৫০ টাকা কেজিতে খুচরা বাজারেই পাওয়া যাচ্ছে। মিনিকেট চাল ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও তা ৬৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এভাবেই চালের প্রকার ভেদ অনুযায়ী কেজি ৫ থেকে ৭টা কমে বিক্রি হচ্ছে।এর আগে গত আগস্ট মাসের শুরুর দিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে সব ধরনের চালের দাম মানভেদে পাঁচ থেকে সাত টাকা বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। তবে ৩০ আগস্ট চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেওয়ায় ও গরিব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য বুধবার থেকে সরকার ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করায় চালের দাম কমতে শুরু করেছে।এদিকে, নওগাঁর মিলমালিক ও চালের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ঘোষণার পর থেকেই মিলে উৎপাদিত চালের ফরমাশ কমতে শুরু করেছে। অনেকে আগের
দেওয়া ফরমাশ বাতিল করেছেন। এ ছাড়া বুধবার থেকে সারা দেশে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কার্যক্রম চালু হওয়ায় খুচরা বাজারে চালের চাহিদা কমে গেছে। ফলে খুচরা চাল বিক্রেতারাও মোকাম থেকে চাল কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। আমদানি করা চাল এরই মধ্যে খোলাবাজারে আসতে শুরু করেছে।বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য আমদানি শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে। শুল্ক কমায় চাল আমদানি বেড়েছে। এ ছাড়া ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এসব কারণে স্বাভাবিক কারণেই চালের বাজারে প্রভাব পড়েছে। মোকামে চাল বিক্রি কমে যাওয়ায় মিলাররা বাজার থেকে ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে বাজারে ধানের দাম প্রতি মণে ২০০ টাকা কমে গেছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল প্রতি লিটারে ৫ টাকা কমায় কিছুটা হলেও ধান-চালের পরিবহন খরচ কমেছে। এসব কারণে চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত