তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহতার পর নতুন করে আলোচনায় ভূমিকম্প। গত সোমবার চার মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভারতের সিকিম ও আফগানিস্তানের ফায়জাবাদ। ভূ-প্রকৃতিগত অবস্থানের কারণেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে। কারণ, ইন্ডিয়া প্লেট ও ইউরেশিয়া প্লেটের বিস্তৃতি এই অঞ্চলে।
সাতটি আলাদা আলাদা টেকটোনিক প্লেট ও অসংখ্য সাব প্লেটের ওপর দাড়িয়ে আছে পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ। যা ভাসছে নানা রকম নরম পদার্থের ওপর।
প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী এসব প্লেট একটি আরেকটির খুব কাছে চলে আসে বা ধাক্কা দিচ্ছে। তৈরী হচ্ছে ফাটল। যাকে বলে ফল্ট লাইন। এই ফল্ট লাইনের কাছে থাকা দেশগুলোই বেশী ভূমিকম্প ঝুঁকিতে আছে।
দক্ষিণ এশিয়ার হিমালয় অঞ্চলে ১৫ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। অঞ্চলটির অবস্থান একটি সক্রিয় মেগাথ্রাস্ট ফল্টের উপর। এই ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যই বড় রকমের ভূমিকম্পের কারন। যেমনটা দেখা গেছে ২০১১ সালে জাপানে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের বেলায়।
ভূ-গর্ভে সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ ঘটে ইন্ডিয়া ও ইউরেশিয়া প্লেটের মধ্যে। যার বিস্তৃতি পশ্চিমে পাকিস্তান থেকে উত্তরে হিমালয় হয়ে পূর্বে ইন্দো-মিয়ানমার পর্যন্ত প্রায় চার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই প্লেটে প্রতিবছরই ৪ থেকে ৫ সেন্টিমিটার হারে সংঘর্ষ হচ্ছে।
কিন্তু এই অঞ্চলে বহু বছর ধরেই সাত মাত্রার কোন ভূমিকম্প হয়নি। ফলে প্লেটগুলোতে অনেক শক্তি জমা হয়েছে। যা ভবিষ্যতে বড় রকমের ভূমিকম্পের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে; বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
যে প্লেটের ওপরে নেপালের অবস্থান; তার ওপরেই ভারতের উত্তরাঞ্চল। ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের কর্মকর্তা রজার মুসনের মতে, এখানে বড় কোন ভূমিকম্প হলে তুরস্কের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয় হতে পারে।
২০১৫ সালে ইন্ডিয়ান প্লেট ও তিব্বত প্লেটের সংঘর্ষে নেপালে হওয়া ভূমিকম্পে ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের কাছে তিনটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে যে ট্রাই-জাংশন তৈরি হয়েছে; তা ভূমিকম্পের শঙ্কা বাড়িয়েছে।
আফগানিস্তানের নীচে অ্যারাবিয়ান, ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান নামের তিনটি প্লেটও এই অঞ্চলকে ভূমিকম্প প্রবণ করে তুলেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গোটা হিমালয়ই দারুণ নড়বড়ে অবস্থায় আছে।
মানুষের প্রকৃতি বিরোধী নানা কর্মকাণ্ড ও বিধিমালা না মেনে যত্রতত্র স্থাপনা তৈরীর প্রবণতা; সম্ভাব্য ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির ঝুকিকে বহুগুনে বাড়িয়ে দিয়েছে।
কেন ভূমিকম্প ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া ?
কেন ভূমিকম্প ঝুঁকিতে দক্ষিণ এশিয়া ?
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহতার পর নতুন করে আলোচনায় ভূমিকম্প। গত সোমবার চার মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভারতের সিকিম ও আফগানিস্তানের ফায়জাবাদ। ভূ-প্রকৃতিগত অবস্থানের কারণেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে আছে। কারণ, ইন্ডিয়া প্লেট ও ইউরেশিয়া প্লেটের বিস্তৃতি এই অঞ্চলে।সাতটি আলাদা আলাদা টেকটোনিক প্লেট ও অসংখ্য সাব প্লেটের ওপর দাড়িয়ে আছে পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ। যা ভাসছে নানা রকম নরম পদার্থের ওপর। প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী এসব প্লেট একটি আরেকটির খুব কাছে চলে আসে বা ধাক্কা দিচ্ছে। তৈরী হচ্ছে ফাটল। যাকে বলে ফল্ট লাইন। এই ফল্ট লাইনের কাছে থাকা দেশগুলোই বেশী ভূমিকম্প ঝুঁকিতে আছে। দক্ষিণ এশিয়ার হিমালয় অঞ্চলে ১৫ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস।
অঞ্চলটির অবস্থান একটি সক্রিয় মেগাথ্রাস্ট ফল্টের উপর। এই ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যই বড় রকমের ভূমিকম্পের কারন। যেমনটা দেখা গেছে ২০১১ সালে জাপানে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের বেলায়। ভূ-গর্ভে সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষ ঘটে ইন্ডিয়া ও ইউরেশিয়া প্লেটের মধ্যে। যার বিস্তৃতি পশ্চিমে পাকিস্তান থেকে উত্তরে হিমালয় হয়ে পূর্বে ইন্দো-মিয়ানমার পর্যন্ত প্রায় চার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই প্লেটে প্রতিবছরই ৪ থেকে ৫ সেন্টিমিটার হারে সংঘর্ষ হচ্ছে। কিন্তু এই অঞ্চলে বহু বছর ধরেই সাত মাত্রার কোন ভূমিকম্প হয়নি। ফলে প্লেটগুলোতে অনেক শক্তি জমা হয়েছে। যা ভবিষ্যতে বড় রকমের ভূমিকম্পের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে; বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যে প্লেটের ওপরে নেপালের অবস্থান; তার ওপরেই
ভারতের উত্তরাঞ্চল। ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের কর্মকর্তা রজার মুসনের মতে, এখানে বড় কোন ভূমিকম্প হলে তুরস্কের চেয়েও ভয়াবহ বিপর্যয় হতে পারে।২০১৫ সালে ইন্ডিয়ান প্লেট ও তিব্বত প্লেটের সংঘর্ষে নেপালে হওয়া ভূমিকম্পে ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের কাছে তিনটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে যে ট্রাই-জাংশন তৈরি হয়েছে; তা ভূমিকম্পের শঙ্কা বাড়িয়েছে। আফগানিস্তানের নীচে অ্যারাবিয়ান, ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান নামের তিনটি প্লেটও এই অঞ্চলকে ভূমিকম্প প্রবণ করে তুলেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গোটা হিমালয়ই দারুণ নড়বড়ে অবস্থায় আছে। মানুষের প্রকৃতি বিরোধী নানা কর্মকাণ্ড ও বিধিমালা না মেনে যত্রতত্র স্থাপনা তৈরীর প্রবণতা; সম্ভাব্য ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির ঝুকিকে বহুগুনে বাড়িয়ে দিয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত