বর্তমান বাজারে নানা মডেল, ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও দামের ভিড়ে অনেকেই চিন্তায় পড়েন কোনটা রেখে কোনটা কিনবেন। সে জন্য ফ্রিজ কেনার আগে কিছু বিষয় জানা থাকলে ভালো। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ফ্রিজটি কেনা যাবে। আবার ফ্রিজ কেনার পরও জানতে হবে ফ্রিজের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহার পদ্ধতিগুলো।
কেনার আগে জানা দরকার নতুন ফ্রিজ কেনার আগে কোন ধরনের ফ্রিজ এবং কোন সাইজের ফ্রিজ আপনার জন্য প্রযোজ্য তা নিশ্চিত হয়ে নিন। কোন আকার ও কত ক্ষমতার ফ্রিজ কিনবেন তা নির্ভর করবে কি পরিমাণ খাবার সংরক্ষণ করা হবে বা পরিবারের সদস্যসংখ্যা কত তার ওপর। সাধারণত এক একটি ফ্রিজের আকার নির্ধারিত হয়ে থাকে লিটারের ওপর। ছোট পরিবারের ক্ষেত্রে ২৫০ থেকে ৩০০ লিটারের ফ্রিজ কেনা যেতে পারে। অন্যদিকে ৪ থেকে ৫ জনের পরিবারে ব্যবহারের জন্য ৩০০ থেকে ৩৫০ লিটার ফ্রিজ যথেষ্ট। আর যাদের পরিবারে ৬ জনেরও বেশি সদস্য, তারা ৪০০ লিটারের বেশি ফ্রিজগুলো বাছাই করতে পারেন। অন্যদিকে ফ্রিজের ধরন হিসেবে ডিপ ফ্রিজ বা নরমাল ক্যাটাগরির ফ্রিজকে বেছে নিতে পারেন। পরিবারের চাহিদা, বাজেট এবং কোথায় ফ্রিজ বসাবেন মূলত তার ওপরও নির্ভর করবে এই ফ্রিজের ধরন কেমন হবে সে বিষয়টি। মাংস, মাছ এবং বিভিন্ন খাবার-দাবার পুরোপুরি ফ্রোজেন করতে ডিপ ফ্রিজ কিনতে পারেন। আর যাদের সবজি, ফলমূল এসব সংরক্ষণের চাহিদা বেশি এবং মাছ-মাংস অনেক দিন যাবৎ ফ্রিজে রেখে খেতে পছন্দ করেন না, তারা সাধারণ ডাবল কম্পার্টমেন্ট ফ্রিজ কিনে নিতে পারেন।
ফ্রিজটির কনডেনসারের বিষয়ে জেনে নিন। কপার কনডেনসারযুক্ত ফ্রিজ হলে সেটি কেনাই ভালো। কারণ সেটি বেশি টেকসই ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী হয়। পাশাপাশি কেনার আগে ফ্রিজটি কতটা বিদ্যুৎসাশ্রয়ী, তা জেনে নিন।
ফ্রিজ কেনার আগে সেটি ফ্রস্ট, নাকি নন-ফ্রস্ট- জেনে নিন। অনেকেই ভেবে পান না কোনটি কিনবেন- ফ্রস্ট, নাকি নন/নো-ফ্রস্ট। ফ্রস্ট ফ্রিজে বরফ জমে। বিদ্যুৎ চলে গেলেও তা মাছ-মাংসকে কয়েক ঘণ্টা সুরক্ষিত রাখবে। অপরদিকে নন/নো-ফ্রস্ট ফ্রিজে বরফ জমে না। এতে বরফের ঝামেলা নেই। ফ্রিজ থেকে নামিয়ে সহজেই মাছ-কিংবা মাংস রান্না করা যায়। শহর এলাকায় এ ধরনের ফ্রিজ ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক। অন্যদিকে যেখানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেশি, সেখানে ফ্রস্ট ফ্রিজ হলেই ভালো।
বর্তমানে বাজারে মিলছে স্মার্ট প্রযুক্তি। আধুনিক এসব প্রযুক্তির সুবিধাও অনেক। কেনার আগে প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কেও ধারণা নিয়ে নিতে হবে।
কেনার পর যেসব বিষয় জানা থাকা ভালো
বাড়িতে নতুন ফ্রিজ আনার পর সেটি কোথায় কিভাবে রাখা ঠিক হবে, কতক্ষণ পর সেটি চালু করতে হবে, সেটির রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে হবে সে সম্পর্কেও ধারণা থাকা জরুরি।
বাড়িতে নতুন ফ্রিজ বাসায় এনেই চালু করা যাবে না। ফ্রিজ যখন গাড়ি বা ভ্যানে করে নিয়ে আসা হয়, তখন ঝাঁকুনিতে এর ভেতরের গ্যাস সংকুচিত হয়। সঙ্গে সঙ্গেই চালু করলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ কারণে নতুন ফ্রিজ বাসার আনার পর অন্তত কয়েক ঘণ্টা পর চালু করতে হবে।
বাড়িতে ফ্রিজ রাখার জন্য এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে, যেখানটা খোলামেলা। গরম স্থান বা সরাসরি রোদ আসে, এমন জায়গায় ফ্রিজ রাখা ঠিক নয়। রাখার জায়গাতে মেঝে সমতল হতে হবে, যাতে ফ্রিজ রাখলে নড়াচড়া না করে। দেয়ালের সঙ্গে ঠেকিয়ে কিংবা ঘেঁষে রাখা ঠিক নয়। দেয়াল থেকে অনেকটা দূরে রাখা ভালো।
ফ্রিজের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য একটি ভালো মানের মাল্টিপ্লাগ বাছাই করতে হবে। ভালো মানের ৩/২০ তারের সরাসরি বোর্ড সংযোগ করে নতুন ফ্রিজটি চালু করতে হবে। নিম্ন মান বা কম ক্ষমতাসম্পন্ন তার ব্যবহার করলে ফ্রিজ সংযোগের পর সেটি অতিরিক্ত গরম হয়ে ফ্রিজের ক্ষতি কিংবা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ফ্রিজের জন্য বড় সমস্যা হচ্ছে লোডশেডিং। এতে ফ্রিজের বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই শুরু থেকেই ফ্রিজে একটি ভালো মানের ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করা জরুরি।
এ ছাড়া বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ঠিক আছে কিনা, তা পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। আর্থিং সিস্টেম থাকা প্রয়োজন। নইলে কেবল ফ্রিজ নয়, অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি দুর্ঘটনারও ঝুঁকি থাকে।
কেনার আগে ও পরে করণীয়
কেনার আগে ও পরে করণীয়
বর্তমান বাজারে নানা মডেল, ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও দামের ভিড়ে অনেকেই চিন্তায় পড়েন কোনটা রেখে কোনটা কিনবেন। সে জন্য ফ্রিজ কেনার আগে কিছু বিষয় জানা থাকলে ভালো। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ফ্রিজটি কেনা যাবে। আবার ফ্রিজ কেনার পরও জানতে হবে ফ্রিজের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহার পদ্ধতিগুলো।কেনার আগে জানা দরকার নতুন ফ্রিজ কেনার আগে কোন ধরনের ফ্রিজ এবং কোন সাইজের ফ্রিজ আপনার জন্য প্রযোজ্য তা নিশ্চিত হয়ে নিন। কোন আকার ও কত ক্ষমতার ফ্রিজ কিনবেন তা নির্ভর করবে কি পরিমাণ খাবার সংরক্ষণ করা হবে বা পরিবারের সদস্যসংখ্যা কত তার ওপর। সাধারণত এক একটি ফ্রিজের আকার নির্ধারিত হয়ে থাকে লিটারের ওপর। ছোট পরিবারের ক্ষেত্রে ২৫০ থেকে ৩০০ লিটারের ফ্রিজ কেনা যেতে পারে। অন্যদিকে ৪ থেকে ৫ জনের পরিবারে ব্যবহারের জন্য ৩০০ থেকে ৩৫০ লিটার ফ্রিজ যথেষ্ট। আর যাদের পরিবারে ৬ জনেরও বেশি সদস্য, তারা ৪০০ লিটারের বেশি ফ্রিজগুলো বাছাই করতে পারেন। অন্যদিকে ফ্রিজের ধরন হিসেবে ডিপ ফ্রিজ বা নরমাল ক্যাটাগরির ফ্রিজকে বেছে নিতে পারেন। পরিবারের চাহিদা, বাজেট এবং কোথায় ফ্রিজ বসাবেন মূলত তার ওপরও নির্ভর করবে এই ফ্রিজের ধরন কেমন হবে সে বিষয়টি। মাংস, মাছ এবং বিভিন্ন খাবার-দাবার পুরোপুরি ফ্রোজেন করতে ডিপ ফ্রিজ কিনতে পারেন। আর যাদের সবজি,
ফলমূল এসব সংরক্ষণের চাহিদা বেশি এবং মাছ-মাংস অনেক দিন যাবৎ ফ্রিজে রেখে খেতে পছন্দ করেন না, তারা সাধারণ ডাবল কম্পার্টমেন্ট ফ্রিজ কিনে নিতে পারেন।ফ্রিজটির কনডেনসারের বিষয়ে জেনে নিন। কপার কনডেনসারযুক্ত ফ্রিজ হলে সেটি কেনাই ভালো। কারণ সেটি বেশি টেকসই ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী হয়। পাশাপাশি কেনার আগে ফ্রিজটি কতটা বিদ্যুৎসাশ্রয়ী, তা জেনে নিন।ফ্রিজ কেনার আগে সেটি ফ্রস্ট, নাকি নন-ফ্রস্ট- জেনে নিন। অনেকেই ভেবে পান না কোনটি কিনবেন- ফ্রস্ট, নাকি নন/নো-ফ্রস্ট। ফ্রস্ট ফ্রিজে বরফ জমে। বিদ্যুৎ চলে গেলেও তা মাছ-মাংসকে কয়েক ঘণ্টা সুরক্ষিত রাখবে। অপরদিকে নন/নো-ফ্রস্ট ফ্রিজে বরফ জমে না। এতে বরফের ঝামেলা নেই। ফ্রিজ থেকে নামিয়ে সহজেই মাছ-কিংবা মাংস রান্না করা যায়। শহর এলাকায় এ ধরনের ফ্রিজ ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক। অন্যদিকে যেখানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেশি, সেখানে ফ্রস্ট ফ্রিজ হলেই ভালো।বর্তমানে বাজারে মিলছে স্মার্ট প্রযুক্তি। আধুনিক এসব প্রযুক্তির সুবিধাও অনেক। কেনার আগে প্রযুক্তিগুলো সম্পর্কেও ধারণা নিয়ে নিতে হবে।কেনার পর যেসব বিষয় জানা থাকা ভালোবাড়িতে নতুন ফ্রিজ আনার পর সেটি কোথায় কিভাবে রাখা ঠিক হবে, কতক্ষণ পর সেটি চালু করতে হবে, সেটির রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে হবে সে সম্পর্কেও ধারণা থাকা জরুরি।বাড়িতে নতুন ফ্রিজ বাসায় এনেই চালু করা যাবে না। ফ্রিজ যখন গাড়ি বা ভ্যানে করে নিয়ে আসা হয়, তখন ঝাঁকুনিতে
এর ভেতরের গ্যাস সংকুচিত হয়। সঙ্গে সঙ্গেই চালু করলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ কারণে নতুন ফ্রিজ বাসার আনার পর অন্তত কয়েক ঘণ্টা পর চালু করতে হবে।বাড়িতে ফ্রিজ রাখার জন্য এমন জায়গা নির্বাচন করতে হবে, যেখানটা খোলামেলা। গরম স্থান বা সরাসরি রোদ আসে, এমন জায়গায় ফ্রিজ রাখা ঠিক নয়। রাখার জায়গাতে মেঝে সমতল হতে হবে, যাতে ফ্রিজ রাখলে নড়াচড়া না করে। দেয়ালের সঙ্গে ঠেকিয়ে কিংবা ঘেঁষে রাখা ঠিক নয়। দেয়াল থেকে অনেকটা দূরে রাখা ভালো।ফ্রিজের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য একটি ভালো মানের মাল্টিপ্লাগ বাছাই করতে হবে। ভালো মানের ৩/২০ তারের সরাসরি বোর্ড সংযোগ করে নতুন ফ্রিজটি চালু করতে হবে। নিম্ন মান বা কম ক্ষমতাসম্পন্ন তার ব্যবহার করলে ফ্রিজ সংযোগের পর সেটি অতিরিক্ত গরম হয়ে ফ্রিজের ক্ষতি কিংবা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।ফ্রিজের জন্য বড় সমস্যা হচ্ছে লোডশেডিং। এতে ফ্রিজের বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই শুরু থেকেই ফ্রিজে একটি ভালো মানের ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করা জরুরি।এ ছাড়া বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ঠিক আছে কিনা, তা পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। আর্থিং সিস্টেম থাকা প্রয়োজন। নইলে কেবল ফ্রিজ নয়, অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি দুর্ঘটনারও ঝুঁকি থাকে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত