মো: আজিম উদ্দিন - বিশেষ প্রতিনিধি::
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সরকারের পদত্যাগ করার পর নতুন অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের পর ৩ পার্বত্য জেলা বাদে দেশের সকল জেলায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অপাসারন করে প্রজ্ঞাপন জারী করেন। নতুন করে আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভাগীয় জেলা শহরে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও জেলা শহরের বাহিরের জেলা জেলা প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করলেও ৩ পার্বত্য জেলা এ ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম।
পার্বত্য শান্তি চুক্তির আলোকে এ জেলায় চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেক্রে আইনি জটিলতা থাকায় এখানে উপজাতি থেকে চেয়ারম্যান মনোনিত হয়। বর্তমানে পার্বত্য খাগড়াছড়ির চেয়ারম্যান সরাসরি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় সরকার পতনের পর চেয়ারম্যানসহ প্রায় সকল সদস্য চলে গেছেন আত্মগোপনে। ফলে অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে জেলা পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষ। অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম সমতল অঞ্চলের চেয়ে অনেকটাই ব্যতিক্রম।
এখানে নামজারীর আবেদন সহ-সহ উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এসিল্যন্ড ১ম ধাপের শুনানী করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রেরণ করার পর জেলা প্রশাসক চুড়ান্ত আদেশের পূর্বে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯ (১৯৯৮ সনে সংশোধিত) এর ৬৪ (১) (ক) ধারামতে নামজারী মামলা পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক পূর্বানুমোদন করার জন্য জেলা পরিষদে প্রেরণ করা হয়। সেখানে ভূমির প্রস্তাবিত মোট মূল্যের ২% হারে ফি জমা দিলে চলমান মাসিক সভায় উপস্থাপন করে চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করে পুনরায় রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পাদনের ২য় দফায় শুনানীর জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরণ করেন। কিন্তু সরকার পতনের পর বর্তমান চেয়ারম্যান আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর আটকে আছে অনেক উপজেলার নামজারী মামলা।
এই নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার ভূমির ক্রয় বিক্রয়ের সাথে সম্পৃক্ত সাধারন মানুষ। তাই এই পক্রিয়াকে সহজীকরন করার পক্ষে মত দিয়েছেন শহরের বিশিষ্ট জনরা।
খাগড়াছড়ির জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান না থাকায় আটকে আছে ভূমির নামজারী পক্রিয়া
খাগড়াছড়ির জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান না থাকায় আটকে আছে ভূমির নামজারী পক্রিয়া
মো: আজিম উদ্দিন - বিশেষ প্রতিনিধি::গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর সরকারের পদত্যাগ করার পর নতুন অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের পর ৩ পার্বত্য জেলা বাদে দেশের সকল জেলায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অপাসারন করে প্রজ্ঞাপন জারী করেন। নতুন করে আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভাগীয় জেলা শহরে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও জেলা শহরের বাহিরের জেলা জেলা প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করলেও ৩ পার্বত্য জেলা এ ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম। পার্বত্য শান্তি চুক্তির আলোকে এ জেলায় চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেক্রে আইনি জটিলতা থাকায় এখানে উপজাতি থেকে চেয়ারম্যান মনোনিত হয়। বর্তমানে পার্বত্য খাগড়াছড়ির চেয়ারম্যান সরাসরি
আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় সরকার পতনের পর চেয়ারম্যানসহ প্রায় সকল সদস্য চলে গেছেন আত্মগোপনে। ফলে অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে জেলা পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষ। অন্যদিকে পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম সমতল অঞ্চলের চেয়ে অনেকটাই ব্যতিক্রম। এখানে নামজারীর আবেদন সহ-সহ উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এসিল্যন্ড ১ম ধাপের শুনানী করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রেরণ করার পর জেলা প্রশাসক চুড়ান্ত আদেশের পূর্বে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯ (১৯৯৮ সনে সংশোধিত) এর ৬৪ (১) (ক) ধারামতে নামজারী মামলা পার্বত্য
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক পূর্বানুমোদন করার জন্য জেলা পরিষদে প্রেরণ করা হয়। সেখানে ভূমির প্রস্তাবিত মোট মূল্যের ২% হারে ফি জমা দিলে চলমান মাসিক সভায় উপস্থাপন করে চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করে পুনরায় রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পাদনের ২য় দফায় শুনানীর জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরণ করেন। কিন্তু সরকার পতনের পর বর্তমান চেয়ারম্যান আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর আটকে আছে অনেক উপজেলার নামজারী মামলা। এই নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার ভূমির ক্রয় বিক্রয়ের সাথে সম্পৃক্ত সাধারন মানুষ। তাই এই পক্রিয়াকে সহজীকরন করার পক্ষে মত দিয়েছেন শহরের বিশিষ্ট জনরা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত