খুলনা প্রতিনিধি::
খুলনায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ওএমএসের ১৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে নগরীর বাগমারা চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে থেকে চালের বস্তাগুলো উদ্ধার করে জেলা খাদ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা।
স্থানীয়রা জানায়, ওএমএসের ডিলার আর এম ট্রেডার্সের লোকজন সকালে কিছু চাল বিক্রি করে। এক পর্যায়ে তারা চাল নেই জানিয়ে দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে ইজিবাইক ঢুকিয়ে ১৫ বস্তা চাল অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী তাদের হাতেনাতে ধরে জেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের জানান। খবর পেয়ে খাদ্য কর্মকর্তারা চাল উদ্ধার করে স্থানীয়দের মাঝে বিক্রি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সাহারা বেগম বলেন, সকালে আমরা চাল-আটার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে দুকেজি চাল পেয়েছি। কিন্তু ব্যানারে লেখা ছিল তিন কেজি। আর আটাতো নাই।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক খাদ্য দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে চাল-আটা বিক্রিতে অনিয়ম ও খাদ্য দপ্তরের লোকজনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ রয়েছে। ব্যবস্থা না হওয়ায় ওএমএস কর্মসূচিতে অনিয়ম করে আসছে।
খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৫ বস্তা চাল জব্দ করেছি। প্রতিষ্ঠানের বিতরণ তালিকায় প্রাথমিকভাবে গড়মিল পাওয়া গেছে। আপাতত আর এম ট্রেডার্সের ওএমএসের কর্মসূচির চাল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযুক্ত এম ট্রেডার্সের মালিক মোসা. মাহমুদা খাতুন না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
খুলনায় ওএমএসের চাল জব্দ করেছে এলাকাবাসি
খুলনায় ওএমএসের চাল জব্দ করেছে এলাকাবাসি
খুলনা প্রতিনিধি::খুলনায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ওএমএসের ১৫ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে নগরীর বাগমারা চেয়ারম্যান বাড়ির সামনে থেকে চালের বস্তাগুলো উদ্ধার করে জেলা খাদ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা।স্থানীয়রা জানায়, ওএমএসের ডিলার আর এম ট্রেডার্সের লোকজন সকালে কিছু চাল বিক্রি করে। এক পর্যায়ে তারা চাল নেই জানিয়ে দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে ইজিবাইক ঢুকিয়ে ১৫ বস্তা চাল অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী
তাদের হাতেনাতে ধরে জেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের জানান। খবর পেয়ে খাদ্য কর্মকর্তারা চাল উদ্ধার করে স্থানীয়দের মাঝে বিক্রি করেন।স্থানীয় বাসিন্দা সাহারা বেগম বলেন, সকালে আমরা চাল-আটার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে দুকেজি চাল পেয়েছি। কিন্তু ব্যানারে লেখা ছিল তিন কেজি। আর আটাতো নাই। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক খাদ্য দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে চাল-আটা বিক্রিতে অনিয়ম ও খাদ্য দপ্তরের লোকজনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ রয়েছে। ব্যবস্থা
না হওয়ায় ওএমএস কর্মসূচিতে অনিয়ম করে আসছে।খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৫ বস্তা চাল জব্দ করেছি। প্রতিষ্ঠানের বিতরণ তালিকায় প্রাথমিকভাবে গড়মিল পাওয়া গেছে। আপাতত আর এম ট্রেডার্সের ওএমএসের কর্মসূচির চাল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে অভিযুক্ত এম ট্রেডার্সের মালিক মোসা. মাহমুদা খাতুন না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত