বিএনপি-জামায়াতের ডাকা টানা ৩ দিনের
অবরোধ শুরুর প্রথম দিন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের গুলিতে ১ জন নিহত হয়েছেন।
তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ২ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ পুলিশসহ ২০
জন আহত হয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির
সভাপতি শরীফুল আলম দাবি করেন, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির দুইজন নিহত হয়েছেন।
তারা হলেন- বড় ছয়সূতি ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা শেফায়েত উল্লাহ (২০) ও একই ইউনিয়নের
কৃষকদল সভাপতি বিল্লাল মিয়া (৩০)।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের
বলেন, অবরোধের প্রথম দিনে মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে ছয়সূতি ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ
থেকে মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নিয়ে উপজেলার ছয়সূতি বাসস্ট্যান্ড এলাকায়
যাওয়ামাত্র আগে থেকে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।
এতে ২০ থেকে ২৫ জন আহত হন।
পুলিশের দাবি, মিছিলকারীরা
লাঠিসোঁটা নিয়ে আগে পুলিশের ওপর হামলা করেন। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ পাশের একটি
বাড়িতে অবস্থান নেয়। সেখানে গিয়েও বিএনপির কর্মীরা হামলা করেন। তখন উভয় পক্ষের
মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়। মিছিলকারীরা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন।
এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, মিছিলকারীরা প্রথমে পুলিশের ওপর
হামলা চালান। হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হন। তাদের অনেকে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা
নিয়েছেন। আমার জানামতে এ ঘটনায় একজন মারা গেছেন। তবে সেটি গুলিতে, নাকি অন্য কোনো
কারণে মারা গেছেন, তা নিশ্চিত নয়।
কিশোরগঞ্জে নিহত ২, পুলিশসহ আহত ২০
কিশোরগঞ্জে নিহত ২, পুলিশসহ আহত ২০
বিএনপি-জামায়াতের ডাকা টানা ৩ দিনের অবরোধ শুরুর প্রথম দিন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের গুলিতে ১ জন নিহত হয়েছেন। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ২ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম দাবি করেন, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির দুইজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- বড় ছয়সূতি ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা শেফায়েত উল্লাহ (২০) ও একই ইউনিয়নের কৃষকদল সভাপতি বিল্লাল মিয়া (৩০)।বিএনপির
নেতা-কর্মীদের বলেন, অবরোধের প্রথম দিনে মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে ছয়সূতি ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নিয়ে উপজেলার ছয়সূতি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাওয়ামাত্র আগে থেকে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে ২০ থেকে ২৫ জন আহত হন।পুলিশের দাবি, মিছিলকারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আগে পুলিশের ওপর হামলা করেন। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান নেয়। সেখানে গিয়েও বিএনপির কর্মীরা হামলা করেন। তখন উভয় পক্ষের
মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মিছিলকারীরা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, মিছিলকারীরা প্রথমে পুলিশের ওপর হামলা চালান। হামলায় অন্তত ২০ জন আহত হন। তাদের অনেকে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আমার জানামতে এ ঘটনায় একজন মারা গেছেন। তবে সেটি গুলিতে, নাকি অন্য কোনো কারণে মারা গেছেন, তা নিশ্চিত নয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত