শেখ শামীমঃ অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কলমাকান্দার উব্দাখালী নদীর পানি ১২ ঘন্টায় ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ শনিবার কলমাকান্দায় ৪০ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
সম্প্রতি অতি বর্ষণের কারণে সীমান্তবর্তী গনেশ্বরী নদী, মঙ্গলেশ্বরী নদী, মহাদেও নদী ও মহেষখলা নদী পাহাড়ি ঢলের কারণে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে উব্দাখালী নদী। এতে তলিয়ে গেছে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি । টানাবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল যদি অব্যাহত থাকে কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যা আশংকা করছে এলাকাবাসী ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিমাপক মোবারক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন , আজ শনিবার কলমাকান্দা উপজেলার প্রধান নদী উব্দাখালী নদীর ডাক বাংলা পয়েন্টে ১২ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত । আজ শনিবার রাতে যদি অতি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যার আশঙ্কা করছেন ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন , অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রায় ২০০ হেক্টর এর মতো বোরো পাকা ধান নিমজ্জিত আছে। আশা করছি এখন যদি আবহাওয়া ভালো থাকে দু,একদিনের ভিতরে কৃষকেরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেবন।
কলমাকান্দায় উব্দাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে ; বন্যার আশংকা
কলমাকান্দায় উব্দাখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে ; বন্যার আশংকা
শেখ শামীমঃ অতি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কলমাকান্দার উব্দাখালী নদীর পানি ১২ ঘন্টায় ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ শনিবার কলমাকান্দায় ৪০ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।সম্প্রতি অতি বর্ষণের কারণে সীমান্তবর্তী গনেশ্বরী নদী, মঙ্গলেশ্বরী নদী, মহাদেও নদী ও মহেষখলা নদী পাহাড়ি ঢলের কারণে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে উব্দাখালী নদী। এতে তলিয়ে গেছে
উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি । টানাবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল যদি অব্যাহত থাকে কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যা আশংকা করছে এলাকাবাসী । পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিমাপক মোবারক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন , আজ শনিবার কলমাকান্দা উপজেলার প্রধান নদী উব্দাখালী নদীর ডাক বাংলা পয়েন্টে ১২ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত
। আজ শনিবার রাতে যদি অতি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যার আশঙ্কা করছেন । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন , অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রায় ২০০ হেক্টর এর মতো বোরো পাকা ধান নিমজ্জিত আছে। আশা করছি এখন যদি আবহাওয়া ভালো থাকে দু,একদিনের ভিতরে কৃষকেরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেবন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত