মইনুল ইসলাম মিতুল : দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর পর থেকেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে স্থানীয় বাজারে। ফলে মোটা চিকন সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চিকনের থেকে মোটা চালের দাম বেশি কমেছে। এদিকে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকায় কয়েক দিনের মধ্যে দাম আরো কমে যাবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের।
রাজধানীর কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা বাজারে জাত ও মানভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৭ থেকে ৭২ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৭২ থেকে ৮২, পাইজাম বা হাস্কি ৫২ থেকে ৫৫, আটাশ ৫৬ থেকে ৬২ এবং মোটা স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৪৭ থেকে ৫১ ও হাইব্রিড মোটা ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা।
নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৭ থেকে ৭৬ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। মাঝারি মানের প্রতি কেজি আটাশ নম্বর প্রতি কেজি চাল ৫১ থেকে ৫৩, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৩ থেকে ৫৭ টাকা। হাস্কি চাল প্রতি কেজি ৪৭ থেকে ৫০ টাকা, গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৫৪ টাকা। মোটা চাল প্রতি কেজি পাইজাম ৪৭ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা এবং স্বর্ণা মানভেদে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা।
চাল আমদানিতে এখন রেগুলেটরি ডিউটি বা আবগারি শুল্ক ৫ শতাংশ, আগাম আয়কর ৫ শতাংশ ও অগ্রিম কর ৫ শতাংশসহ ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ শুল্ক কর দিতে হবে। আর এ আদেশ আটোমেটেড চাল ছাড়া সব ধরনের চাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে আমদানির আগে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার অনুমোদন নিতে হবে। এর আগে চালে শুল্ক-কর মিলিয়ে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য ছিল, যা কমে ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ করা হলো। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে, যা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
পাইকারি চাল ব্যবসায়ী রশিদ রাইস এজেন্সির মালিক আবদুর রশিদ বলেন, আমদানি শুল্ক কমাতে মোটা-চিকন সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। চিকন চালের থেকে মোটা চালের দাম বেশি কমেছে। তবে দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বেচাবিক্রিও কমেছে। বর্তমানে আমরা দেশি চাল বিক্রি করছি। আমদানি করা চালও বাজারে এসেছে। কিন্তু আমতানি করা চালের দাম বেশি হওয়ায় লাভ কম হয়। এজন্য দেশি চাল বিক্রি করছি। আশা করছি আমদানি যখন আরো বেড়ে যাবে তখন হয়তো আরো একটু দাম কমতে পারে।
কমল চালের দাম
কমল চালের দাম
মইনুল ইসলাম মিতুল : দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাল আমদানিতে শুল্ক কমানোর পর থেকেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে স্থানীয় বাজারে। ফলে মোটা চিকন সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চিকনের থেকে মোটা চালের দাম বেশি কমেছে। এদিকে ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু থাকায় কয়েক দিনের মধ্যে দাম আরো কমে যাবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের। রাজধানীর কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুচরা বাজারে জাত ও মানভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৭ থেকে ৭২ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৭২ থেকে ৮২, পাইজাম বা হাস্কি ৫২ থেকে ৫৫, আটাশ ৫৬ থেকে ৬২ এবং মোটা স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৪৭ থেকে ৫১ ও হাইব্রিড মোটা ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা।নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৭ থেকে ৭৬ টাকা, যা গত সপ্তাহে
বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। মাঝারি মানের প্রতি কেজি আটাশ নম্বর প্রতি কেজি চাল ৫১ থেকে ৫৩, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৩ থেকে ৫৭ টাকা। হাস্কি চাল প্রতি কেজি ৪৭ থেকে ৫০ টাকা, গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৫৪ টাকা। মোটা চাল প্রতি কেজি পাইজাম ৪৭ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা এবং স্বর্ণা মানভেদে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। চাল আমদানিতে এখন রেগুলেটরি ডিউটি বা আবগারি শুল্ক ৫ শতাংশ, আগাম আয়কর ৫ শতাংশ ও অগ্রিম কর ৫ শতাংশসহ ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ শুল্ক কর দিতে হবে। আর এ আদেশ আটোমেটেড চাল ছাড়া সব ধরনের চাল আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে আমদানির আগে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার
অনুমোদন নিতে হবে। এর আগে চালে শুল্ক-কর মিলিয়ে ২৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ কর প্রযোজ্য ছিল, যা কমে ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ করা হলো। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে, যা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।পাইকারি চাল ব্যবসায়ী রশিদ রাইস এজেন্সির মালিক আবদুর রশিদ বলেন, আমদানি শুল্ক কমাতে মোটা-চিকন সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। চিকন চালের থেকে মোটা চালের দাম বেশি কমেছে। তবে দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বেচাবিক্রিও কমেছে। বর্তমানে আমরা দেশি চাল বিক্রি করছি। আমদানি করা চালও বাজারে এসেছে। কিন্তু আমতানি করা চালের দাম বেশি হওয়ায় লাভ কম হয়। এজন্য দেশি চাল বিক্রি করছি। আশা করছি আমদানি যখন আরো বেড়ে যাবে তখন হয়তো আরো একটু দাম কমতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত