দীর্ঘদিন পর দুইশো টাকার
নিচে নেমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে সবজির বাজারে মোটেও স্বস্তি পাচ্ছেন না
ক্রেতারা। চড়া দামে কিনতে হচ্ছে সব ধরনের সবজি। রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে এই
চিত্র দেখা গেছে।
যেখানে
ঈদের আগে রাজধানীর বাজারে চড়া দাম ছিল ব্রয়লারের। দুই মাস আগেও নগরীতে এক কেজি
ব্রয়লারের পেছনে ক্রেতার গুনতে হয়েছে ২৮০ টাকা পর্যন্ত। দীর্ঘ সময় পরে হলেও এই
অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।
ব্রয়লার
মুরগির দাম কমায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রিকশাচালক দিলু মিয়া। এই প্রতিবেদকের সঙ্গে
আলাপকালে তিনি বলেন,
আমার মতো লোক তো দুই মাসেও একবার গরুর মাংসের দোকানে যায় না। গরুর
মাংসের দাম কমলেও আমগো পক্ষে কেনা সম্ভব না। কমলে আর কতই কমব! আমরা কিনলে মুরগিটাই
কিনি। তাও অনেক দাম ছিল। এখন একটু কমছে, এইডা ভালো কথা।
যদিও
ব্রয়লারের বাজারের সুখবর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পাশের সবজির বাজারে যেতেই
ক্রেতাদের চোখ কপালে উঠে যায়। কালো গোল বেগুনের কেজি ১২০ টাকা। একশো টাকা কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে গজর। টমেটোর কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। ৩০ টাকা কেজির পেঁপেও এখন ৪০
টাকা। কেউ কেউ হাঁকছেন ৫০ টাকা।
এছাড়া
বাজারে ৬০ টাকার কমে আর কোনো সবজির দেখা মেলেনি। কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি
দরে। একই দরে বিক্রি হচ্ছে কচুরমুখি।
বাজার
দরের অবস্থা জানতে চাইলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে একরাশ হতাশা প্রকাশ করেন গার্মেন্টস
কর্মী সাইদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমগো খোঁজ কে
রাখে? আপনি জিজ্ঞেস করছেন এইটাই অনেক। গার্মেন্টসে ওভার টাইম
নাই। কেমনে চলুম মাথায় ধরে না। তার উপর সব কিছুর এমন দাম।
বাজারের
উচ্চদরে ক্ষুব্ধ এই ক্রেতা। যা প্রতীয়মান হয় তার কথায়। তিনি বলেন, আমি তো গ্রাম
থাইকাই ঢাকায় আইছি। গ্রামে তো বাপ-মা আছে। তারা এক কেজি পেঁপে কেনে ১০ টাকায়। আমার
এইখানে কেনা লাগে ৪০ টাকায়। সব জিনিসের (সবজি) দাম তিন/চারগুণ। এইডা কি ফাইজলামি?
দেখার মতো কেউ নাই?
এদিকে
বাজার ঘুরে দেখা গেছে,
করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা দরে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে
৩৬০ টাকা কেজি দরে। এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। পেঁয়াজের কেজি ৭০
থেকে ৭৫ টাকা।
কমল মুরগির দাম, সবজিতে অস্বস্তি
কমল মুরগির দাম, সবজিতে অস্বস্তি
দীর্ঘদিন পর দুইশো টাকার নিচে নেমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে সবজির বাজারে মোটেও স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। চড়া দামে কিনতে হচ্ছে সব ধরনের সবজি। রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।যেখানে ঈদের আগে রাজধানীর বাজারে চড়া দাম ছিল ব্রয়লারের। দুই মাস আগেও নগরীতে এক কেজি ব্রয়লারের পেছনে ক্রেতার গুনতে হয়েছে ২৮০ টাকা পর্যন্ত। দীর্ঘ সময় পরে হলেও এই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।ব্রয়লার মুরগির দাম কমায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রিকশাচালক দিলু মিয়া। এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমার মতো লোক তো দুই মাসেও একবার গরুর মাংসের দোকানে যায় না। গরুর মাংসের দাম কমলেও আমগো পক্ষে কেনা সম্ভব না। কমলে আর কতই কমব! আমরা কিনলে মুরগিটাই
কিনি। তাও অনেক দাম ছিল। এখন একটু কমছে, এইডা ভালো কথা।যদিও ব্রয়লারের বাজারের সুখবর বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পাশের সবজির বাজারে যেতেই ক্রেতাদের চোখ কপালে উঠে যায়। কালো গোল বেগুনের কেজি ১২০ টাকা। একশো টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে গজর। টমেটোর কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। ৩০ টাকা কেজির পেঁপেও এখন ৪০ টাকা। কেউ কেউ হাঁকছেন ৫০ টাকা।এছাড়া বাজারে ৬০ টাকার কমে আর কোনো সবজির দেখা মেলেনি। কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। একই দরে বিক্রি হচ্ছে কচুরমুখি।বাজার দরের অবস্থা জানতে চাইলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে একরাশ হতাশা প্রকাশ করেন গার্মেন্টস কর্মী সাইদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমগো খোঁজ কে রাখে? আপনি জিজ্ঞেস করছেন
এইটাই অনেক। গার্মেন্টসে ওভার টাইম নাই। কেমনে চলুম মাথায় ধরে না। তার উপর সব কিছুর এমন দাম।বাজারের উচ্চদরে ক্ষুব্ধ এই ক্রেতা। যা প্রতীয়মান হয় তার কথায়। তিনি বলেন, আমি তো গ্রাম থাইকাই ঢাকায় আইছি। গ্রামে তো বাপ-মা আছে। তারা এক কেজি পেঁপে কেনে ১০ টাকায়। আমার এইখানে কেনা লাগে ৪০ টাকায়। সব জিনিসের (সবজি) দাম তিন/চারগুণ। এইডা কি ফাইজলামি? দেখার মতো কেউ নাই? এদিকে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা দরে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে। এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। পেঁয়াজের কেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত