শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশের খবর কনকনে শীতে জবুথবু নওগাঁ, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭

কনকনে শীতে জবুথবু নওগাঁ, তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭

নওগাঁয় ঘন কুয়াশার সাথে হিমেল বাতাস তাপমাত্রা, ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি, কনকনে শীতে কাঁপছে মানুষসহ পশু ও পাখি। ঘড়ির কাটা সকাল সারে ৮টার ঘরে। ঝড়ছে শিশির, পড়ছে ঘন কুয়াশা, দেখা নেই সূর্যের, মেঘলা রয়েছে আকাশ। আর ঘন কুয়াশার সাথে উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নওগাঁয় মানুষের জন-জীবন।

 প্রায় গত দু' সপ্তাহ থেকে হাঁড় কাঁপানো ঠান্ডার জবুথবু জনজীবন। এ জেলায় কয়েকদিন থেকে তাপমাত্রার পারদ ওঠা-নামা করছে ৮ থেকে ১১ ডিগ্রির ঘরে। নওগাঁর তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬ ডিগ্রির ঘরে। বুধবার ৭ জানুয়ারি সকাল ৬টায় নওগাঁর বদলগাছীতে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা এটিই চলতি শীত মৌসুমে নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গত মঙ্গলবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক। আবহাওয়া কেন্দ্রের উচ্চ পর্যবেক্ষক হামিদুল হক বলেন, শীত যাচ্ছে না।

 আরও কয়েক দিন এরকম থাকবে। বর্তমানে নওগাঁর ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নামলে তাকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ ধরা হয়। এছাড়াও ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্য প্রবাহ ধরা হয়। শৈত্য প্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সাথে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে শীতের প্রকোপ অসহনীয় হয়ে উঠেছে। এদিকে কনকনে শীতের কারণে জনজীবন জবুথুবু হয়ে পড়েছে। নেমে এসেছে তীব্র শীতের ভঁয়। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা পড়েছে বেকায়দায়। সাধারণ মানুষ শীতের কারণে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। আর যারা জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন তারা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। 

জানা যায়, ঘন কুয়াশার সাথে উত্তরের হিমেল বাতাসে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।বুধবার ভোর থেকেই কুয়াশায় ঢাকা পড়ে আছে পথঘাট। দশ হাত পর পর কোন কিছু দেখা যাচ্ছে না। সড়ক গুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহগুলো চলাচল করছে। শহরে লোক ও যানবাহন চলাচল অনেক কম। মাঠে কৃষিকাজ প্রায় হচ্ছেই না। শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষেরা কনকনে শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষার জন্য অনেকেই বাড়ির আঙিনা ও ফুটপাতসহ চায়ের দোকানের চুলায় বসে আগুন পোহাচ্ছেন।

খুঁজুন